• ই-পেপার

সরকারি চাকরি

বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসর বিধান রেখে আইন সংশোধন

বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ

অনলাইন ডেস্ক
বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ

দেশের দুই বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় অতিভারি বর্ষণের আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া সব বিভাগে ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

বুধবার সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু দক্ষিণাঞ্চলে সক্রিয় ও বাংলাদেশের অন্যত্র মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
 

ইকোসকের সুপারিশ

বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ

বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে সুপারিশ করেছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইকোসকের এক বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে এ সুপারিশ করে।

বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধের পটভূমি, প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল অপরিহার্য।

ইতিপূর্বে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) উভয় দেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা সমীচীন হবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক সাধারণ পরিষদকে আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুপারিশ করেছে। বর্তমানে ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের টেকসই উত্তরণের প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ ও সংস্কার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলডিসি-উত্তর পর্বের জন্য দেশের প্রস্তুতি আরো সুদৃঢ় করবে।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা, সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার টাকা
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালে হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার প্যাকেজগুলোর ঘোষণা দেন। এ সময় হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

 গতকাল মঙ্গলবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবার খাওয়া ও কোরবানিসহ তিনটি হজ প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজের খরচ রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, তিনটি প্যাকেজের মধ্যে একটি বিশেষ, একটি সাধারণ এবং একটি সাশ্রয়ী প্যাকেজ রাখা হয়েছে। গত বছর বিশেষ হজ প্যাকেজের খরচ ছিল ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা, সাধারণ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসেবে এবার সাশ্রয়ী প্যাকেজের ব্যয় বেড়েছে ৩ হাজার ৫৪৫ টাকা। আর সাধারণ প্যাকেজের ব্যয় ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ২৭ হাজার টাকা বেশি।

মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের

বাসস
মহাসড়ক চাঁদাবাজিমুক্ত করার অঙ্গীকার হাইওয়ে পুলিশ প্রধানের

আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ। 

একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, হাইওয়ে পুলিশের কোনো সদস্যকে মহাসড়কে যানবাহন থেকে অবৈধ টোল আদায় করতে দেওয়া হবে না।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়কগুলোকে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে পারব বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া এই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা আশ্বাস দেন, এই সময়ের পর যানবাহন থেকে হাইওয়ে পুলিশ সদস্যদের টাকা আদায়ের আর কোনো অভিযোগ থাকবে না।

তিনি বলেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে এই বাহিনী এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে উন্নত নজরদারি প্রযুক্তি চালু করা অন্যতম। অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরো মহাসড়ক এবং ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।

ফারুক আহমেদ বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন সিসিটিভি কাভারেজের আওতায় রয়েছে এবং এই রুটের ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) চালিত ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একইভাবে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কেও নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে হাইওয়ে পুলিশ কেন্দ্রীয়ভাবে এই দু’টি প্রধান মহাসড়কে নজরদারি করতে পারছে।

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের এআই ক্যামেরাগুলো সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে স্থাপন করা হয়েছে। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালনার জন্য হাইওয়ে পুলিশ শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে বাহিনী এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে এই নজরদারি নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু করেছে।

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান জানান, আধুনিক এই নজরদারি ব্যবস্থা মহাসড়কে ডাকাতি ও মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার তৎপরতাকে আরো জোরদার করবে। একই সঙ্গে এটি যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া দিতে এবং যানজট নিরসনেও বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) নজরদারি ব্যবস্থাটি এখন আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য মহাসড়কগুলোতেও এই প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করা হবে।

ফারুক আহমেদ বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি ও মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ এবং নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করা-এই দুটোই আমাদের প্রধান দায়িত্ব।

তিনি আরো বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে সেবার মান উন্নত করা, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং জবাবদিহিতা শক্তিশালী করার ওপর এই বাহিনী বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে। জনসাধারণের আস্থা অর্জন এবং মহাসড়কের নিরাপত্তা বজায় রাখতে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, হাইওয়ে পুলিশ বর্তমানে দেশব্যাপী ৭৩টি থানার মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সেবার মান আরো কার্যকর করতে এই বাহিনীর পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসর বিধান রেখে আইন সংশোধন | কালের কণ্ঠ