• ই-পেপার

৫ কোটির আইনে দেড় কোটির বৃদ্ধাঙ্গুলি

অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

অনলাইন ডেস্ক
অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হলেন ড. আখতার হোসেন খান

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের বর্তমান উপাচার্য ড. মো. আখতার হোসেন খান। 

রবিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাঈমা খন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ড. মো. আখতার হোসেন খানকে আগামী ৪ বছরের জন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিরের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ অনুযায়ী তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। চেয়ারম্যান পদে থাকাকালীন তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭ এর ৭(৪) ধারা অনুযায়ী পদমর্যাদা এবং প্রচলিত বিধি মোতাবেক বেতন-ভাতাদি ও পদ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা পাবেন। চেয়ারম্যান পদে তাঁর মেয়াদ হবে ৪ বছর। তবে সরকার প্রয়োজনে যে কোন সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবে।

অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন।

আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময় : শ্রমমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময় : শ্রমমন্ত্রী

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময়। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে তারা দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজকের এই তরুণ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের দেখে আমি তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।’

রাজধানী (২৬ জুলাই) ঢাকার বিজয়নগরস্থ শ্রম ভবনের সম্মেলনকক্ষে ‘মহান মে দিবস এবং জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত রচনা/প্রবন্ধ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন।

শ্রমমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি শ্রমবান্ধব সরকার। দক্ষ শ্রমিক ছাড়া কোনো জাতির পক্ষে উন্নতি করা সম্ভব নয়। উদাহরণ হিসেবে, চীন তাদের দক্ষ শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আজ বিশ্বদরবারে অনেক দূর এগিয়ে গেছে।’

বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হলেও আমাদের দেশের কলকারখানাগুলোতে এখনো বিষয়টিতে কাঙ্ক্ষিত গুরুত্ব দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে শ্রম পরিদর্শকদের নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরিদর্শনে গিয়ে কেবল আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শেষ না করে, শ্রমিকদের মুখোমুখি হয়ে তাদের সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করুন এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। কারণ এই জনশক্তি আমাদের দেশের মূল্যবান সম্পদ, আর এর কার্যকর ব্যবহারের মাধ্যমেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব। এ ছাড়া তরুণ ও বর্তমান প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অহেতুক সময় নষ্ট না করে জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল কাজে সময় ব্যয় করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ উদযাপনে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ উদযাপনে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা উদযাপনের জন্য স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

রবিবার (২৬ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এসংক্রান্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে সভাপতি করে করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়, তদারকি, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে এ কমিটি গঠন করা হয়।

স্টিয়ারিং কমিটি গঠন

শিক্ষামন্ত্রীকে সভাপতি করে গঠিত কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক,  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন), বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি, বিজিএমইএর সভাপতি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব।

অর্থায়নের নতুন রোডম্যাপ হালনাগাদ

এসডিজি অর্জনে আরো ৪২১ বিলিয়ন ডলার দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
এসডিজি অর্জনে আরো ৪২১ বিলিয়ন ডলার দরকার

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জোগাড় করতে হবে। সরকারের নতুন এক মূল্যায়নে এই অর্থের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে এসডিজি বাস্তবায়নের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে দেশের অর্থায়ন কৌশল (ফাইন্যান্সিং স্ট্র্যাটেজি) হালনাগাদ করা হয়েছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি ফাইন্যান্সিং বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন কর্মশালায়’ এ তথ্য তুলে ধরা হয়। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

কর্মশালায় উপস্থাপিত ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্টে বলা হয়, ২০২৬-২৭ থেকে ২০৩০ অর্থবছর পর্যন্ত সময়ে এসডিজি বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ৪২১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে। এই অর্থের বড় অংশই আসতে হবে দেশের নিজস্ব সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ, জলবায়ু অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা থেকে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনের বাকি সময়টি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অর্থায়নের ঘাটতি বড়, সময় সীমিত এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতিও অনিশ্চিত। তবে সঠিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ, সমন্বিত উদ্যোগ, সুশাসন এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেচনিয়াক বলেন, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ ক্রমেই কমে আসছে। তাই এখন দেশের কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানো এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজি-সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বকারী ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এএইচএম জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য সমন্বিত অর্থায়ন পরিকল্পনা এখন আরো জরুরি।

ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ সোনালি দয়ারত্নে বলেন, জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে অর্থায়নের ঘাটতি আরো বেড়েছে। সরকারি অর্থায়নকে কাজে লাগিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছ নীতিমালা ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক সুশাসনের মাধ্যমে একটি কার্যকর আর্থিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান কর্মশালায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন। তিনি বাংলাদেশের অর্থায়নের পরিবর্তিত চিত্র তুলে ধরে সরকারি ও বেসরকারি উৎস, জলবায়ু তহবিল এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিভিন্ন পথের কথা তুলে ধরেন।

কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, ব্যাংক, শিক্ষাবিদ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতে ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট এবং হালনাগাদ এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের চূড়ান্ত সংস্করণ প্রস্তুত করা হবে।

৫ কোটির আইনে দেড় কোটির বৃদ্ধাঙ্গুলি | কালের কণ্ঠ