• ই-পেপার

১৮ মার্চ ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা

চাকরির একটি পদের জন্য পাঁচ-ছয় লাখ আবেদন আসছে : মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক
চাকরির একটি পদের জন্য পাঁচ-ছয় লাখ আবেদন আসছে : মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় চার কোটি। একটি চাকরির পদের বিপরীতে বর্তমানে পাঁচ থেকে ছয় লাখ পর্যন্ত আবেদন জমা পড়ছে। কিন্তু দেশে সে পরিমাণ কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই। তাই বেকারত্বের সমস্যা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়।’

রবিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখন অফিস সহকারী পদের মতো চাকরিতেও হাজার হাজার আবেদন জমা পড়ছে। চাকরির বাজারে এ তীব্র প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ বা সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে কামার, কুমার, তাঁতি, শিল্পী, খেলোয়াড়সহ সব পেশার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ইতিমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলকে ‘অ্যাগ্রিকালচার হাব’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। ছাত্ররাজনীতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনীতি হতে হবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে। তিনি দাবি করেন, গত ১৭ বছরে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়েছে। বর্তমান সরকার সেগুলো পুনর্গঠনের কাজ করছে। তবে এ কাজ সহজ নয়, এর জন্য আত্মবিশ্বাস ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সেই পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আবদুল লতিফ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা  মাহদী আমিন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবুল বাশার, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য সানজিদা ইসলাম ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান বক্তব্য দেন।

আগস্টেও পে স্কেলের গেজেট না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
আগস্টেও পে স্কেলের গেজেট না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি

আগস্টের মধ্যে নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না করলে সারা দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি।

রবিবার (২৬ জুলাই) সংগঠনের সদস্যসচিব আশিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, আগস্ট মাসের মধ্যে নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হলে প্রথমে সরকারের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে সারা দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিবৃতিতে আশিকুল ইসলাম বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে সময়োপযোগী, বাস্তবসম্মত ও ন্যায্য বেতন কাঠামোর প্রত্যাশা করে আসছেন। কিন্তু এখনো নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের এ প্রত্যাশা পূরণে সরকারের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমানের উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং জনসেবার মান আরো উন্নত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আশিকুল ইসলাম আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি সবসময় শান্তিপূর্ণ, দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বিশ্বাসী। তাই প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হবে। তবে সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বার্থে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করে সারা দেশব্যাপী বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেজানুর রহমানকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. রেজানুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (সংযুক্ত) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মো. রেজানুর রহমানকে অতিরিক্ত সচিব (সংযুক্ত) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেছেন সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু।

জানা গেছে, অতিরিক্ত সচিব মো. রেজানুর রহমান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করছিলেন। এর আগে তিনি বিদ্যুৎ বিভাগে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

জুলাই মাস শেষ হতে চলল। চলতি মাসে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ছুটি না থাকলেও আসছে আগস্ট মাসে টানা চার দিনের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন তারা। তবে চার দিনের এই ছুটি কাটানোর জন্য পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ঘোষিত সাধারণ ছুটির সঙ্গে এক দিনের ঐচ্ছিক ছুটি সমন্বয় করতে হবে।

প্রথম দফায় ৪ দিনের ছুটি

আগস্টের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা থাকবে।

তবে ওই দিন এক দিনের নৈমিত্তিক বা ঐচ্ছিক ছুটি নিলেই পরবর্তী শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে টানা চার দিনের ছুটি পাওয়া যাবে।

দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের ছুটি

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত আছে। তবে এ ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার ওপর তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ভরশীল।

যেভাবে মিলবে ৪ দিনের ছুটি

আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) ঈদে মিলাদুন্নবীর সরকারি ছুটির পরদিন ২৭ আগস্ট (বৃহস্পতিবার)। এর পরের দুদিন ২৮ ও ২৯ (শুক্র ও শনিবার) যথাক্রমে সাপ্তাহিক ছুটি।

এ ক্ষেত্রে শুধু এক দিনের অর্থাৎ ২৭ আগস্ট ছুটি নিলেই মোট চার দিনের টানা ছুটি উপভোগ করতে পারবেন চাকরিজীবীরা।

যাদের জন্য এই ছুটি প্রযোজ্য

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশের সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং অধিকাংশ বেসরকারি অফিসে সাধারণত ছুটি পালন করা হয়। তবে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের ক্ষেত্রে এ ছুটি প্রযোজ্য হয় না।

এর মধ্যে রয়েছে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা, ফায়ার সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবা, ডাক বিভাগ, হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহন, জরুরি যানবাহন ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা।

অন্যদিকে, ওই সময় ব্যাংক খোলা বা বন্ধ থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে আদালতের কার্যক্রম চালু থাকবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।