• ই-পেপার

জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ব্যক্তি পর্যায়েও জ্বালানিসাশ্রয়ী হতে হবে : রিজওয়ানা

সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ উত্থাপন
সংগৃহীত ছবি

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনের মাধ্যমে ২০০১ সালের ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’-এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে বিলটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কখনো কার্যকর করা হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন উদীয়মান ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ রাখার বিধান করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সরকারি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যমান ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, কৃষি উন্নয়নে সহায়তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতেও বিশ্ববিদ্যালয়টি ভূমিকা রাখবে।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী, প্রয়োজনীয় ও যৌক্তিক বলে বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংসদে বিল পাস

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল কারসাজির সাজা ৫ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

পাবলিক পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি, ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, সংঘবদ্ধভাবে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধ এবং নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রেখে ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। সংশোধিত আইনটি ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন্স (অফেন্সেস) অ্যাক্ট’-কে যুগোপযোগী করেছে। প্রায় ৪৫ বছর আগে প্রণীত ওই আইনে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ ও অন্যান্য অনিয়ম প্রতিরোধের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবেলায় নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন আইনে বলা হয়েছে, পরীক্ষার ডাটাবেজে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, পরীক্ষার রেকর্ডে কারসাজি বা যেকোনো ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া আইনে ‘অর্গানাইজড এক্সামিনেশন ক্রাইম’ নামে নতুন অপরাধ যুক্ত করা হয়েছে। পাবলিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের অসদুপায় অবলম্বনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে লিখিত বা মৌখিক চুক্তি করা, প্রস্তাব দেওয়া কিংবা সংঘবদ্ধভাবে নকল বা প্রতারণার সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সংশোধিত আইনে পরীক্ষা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র বা হলে প্রবেশ করাকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করলেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

আইনে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া পরীক্ষকদের বিরুদ্ধেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে। তবে শাস্তি দেওয়ার আগে তৃতীয় একজন পরীক্ষকের মাধ্যমে নম্বরের অসংগতি নিশ্চিত করতে হবে।

পরীক্ষা-সংক্রান্ত কাজে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সেবাদাতা সংস্থার দায়ও নির্ধারণ করা হয়েছে সংশোধিত আইনে। কোনো প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তা করলে বা যোগসাজশে জড়িত হলে অর্থদণ্ড, লাইসেন্স স্থগিত, কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি কিংবা কালো তালিকাভুক্ত করার ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

নতুন আইনে তথ্যদাতা বা হুইসেলব্লোয়ারদের সুরক্ষার বিধানও রাখা হয়েছে। অপরাধের বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় গোপন রাখা এবং তাঁদের বিরুদ্ধে হয়রানি বা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। এ সুরক্ষা লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনে বলা হয়েছে, কোনো শিশু এ আইনের অধীনে অপরাধে জড়িত হলে তার বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালিত হবে। মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য এসব অপরাধকে আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মহানগর এলাকায় মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং মহানগরের বাইরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট এসব মামলার বিচার করবেন। বিচার কার্যক্রম ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতাও বেড়েছে। তাই পাবলিক পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন সংশোধন জরুরি হয়ে পড়েছিল। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ ও ডিজিটাল ম্যানিপুলেশনকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা, ডিজিটাল জালিয়াতিতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান এবং সংঘবদ্ধ পরীক্ষা জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ সংশোধিত আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য।

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

সংসদ অধিবেশন দেখতে আসা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকেলে অধিবেশনের বিরতির ফাঁকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং তাদের লেখাপড়ার খোঁজখবর নেন। সেই সঙ্গে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে নিজেদের দক্ষ করে তোলারও আহ্বান জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

বিএনপি সরকারের সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ সংসদ অধিবেশন দেখার সুযোগ পান চারজন বিদেশি শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

আজ দুপুরে তারা জাতীয় সংসদে আসেন। এসে তারা সংসদের নির্মাণশৈলী প্রত্যক্ষ করেন। ঘুরে দেখেন লাইব্রেরি। বিভিন্ন স্থানে ফটোসেশনও করেন তারা। পরে সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর দেওয়া হয় নামাজের বিরতি। আর সেই বিরতিতে তারা সাক্ষাৎ পান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ মোট ৬৯ জন, নটর ডেম কলেজের মাধ্যমে ৪৩ জন শিক্ষার্থী ও ১০ জন শিক্ষকসহ ৫৩ জন, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে ৪ জন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের বিদেশি শিক্ষার্থীসহ ৮ জন এবং সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজের মাধ্যমে ১৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল সংসদ ভবন পরিদর্শন ও অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পান।

বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তি দিতে চায় ইতালি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তি দিতে চায় ইতালি

ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আলেসান্দ্রো বলেছেন, ইতালীয় কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পের সূচনা ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এখন তারা বাংলাদেশের অংশীদারদের এমন প্রযুক্তি দিতে চায়, যা টেকসই উৎপাদন, সরবরাহব্যবস্থা (লজিস্টিকস) এবং বৈশ্বিক বাজারের পরিবর্তিত চাহিদার মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সহায়ক হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের ক্রাউন প্লাজা হোটেলে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাকশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়ে ইতালির ১১টি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে এসেছে। প্রতিনিধি দলটি মঙ্গলবার থেকে ঢাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। সফরে রয়েছেন ইতালির আঞ্চলিক ট্রেড কমিশনার আন্তোনিয়েত্তা বাক্কানারি, ইতালিয়ান ট্রেড এজেন্সি এবং ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারকদের সংগঠন এসিআইএমআইটির কর্মকর্তারা।

ইতালির আঞ্চলিক ট্রেড কমিশনার আন্তোনিয়েত্তা বাক্কানারি বলেন, টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি উৎপাদনে উৎকর্ষতার জন্য ইতালি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। নিখুঁত প্রকৌশল দক্ষতা ও আধুনিক শিল্প নকশার সমন্বয়ে তৈরি ইতালীয় যন্ত্রপাতি বিশ্বজুড়ে নির্ভরযোগ্যতা ও উচ্চমানের কর্মক্ষমতার জন্য সমাদৃত। আমরা শুধু যন্ত্র তৈরি করি না, বরং বৈশ্বিক টেক্সটাইল শিল্পের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করি।

তিনি জানান, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ইতালির টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারকদের সংগঠন ACIMIT-এর অধীনে ৩০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা বছরে প্রায় ১৭০ কোটি ইউরো মূল্যের টেক্সটাইল যন্ত্রপাতি রপ্তানি করে।

এ সময় আরো বক্তব্য দেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএর পরিচালক চৌধুরী হানিফ শোয়েব এবং বিজিএমইএর পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী।

সফরসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাসহ চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক উপস্থাপনা, বিজনেস-টু-বিজনেস (বি-টু-বি) বৈঠক এবং বিভিন্ন কারখানা পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহযোগিতায় এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এতে সহায়তা করছে বাংলাদেশে ইতালির অনারারি কনসাল সালমান ইস্পাহানি।

বাংলাদেশ সফরে অংশ নেওয়া ইতালীয় প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- কালার সার্ভিসেস, কোরিনো ম্যাকিনে, দান্তি পাওলো, ডার্স্ট, এল.এ.আই.পি., লাওয়ার, পিন্টার কাইপো, রেজিয়ানি ম্যাকিনে, সালভাদে, টেকনোরামা এবং উগোলিনি।

জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ব্যক্তি পর্যায়েও জ্বালানিসাশ্রয়ী হতে হবে : রিজওয়ানা | কালের কণ্ঠ