• ই-পেপার

ড. ইউনূসের আগমনে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির আনন্দ সমাবেশ, আ. লীগের বিক্ষোভ

সন্ধ্যার মধ্যে যে ৫ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে যে ৫ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

দেশের পাঁচ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। 

শনিবার সকাল সোয়া ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরো পড়ুন
রামপুরা থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রামপুরা থেকে কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৮ লাখ টন কম লবণ উৎপাদন

অনলাইন ডেস্ক
চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৮ লাখ টন কম লবণ উৎপাদন

এবার নভেম্বর থেকে মে মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত সাড়ে ১৯ লাখ টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৭ লাখ ৭০ হাজার টন কম বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)ল।

বিসিক সূত্র জানায়, ২০২৫ সালের ১২ নভেম্বরে কুতুবদিয়ায় প্রথম লবণ উৎপাদনের মাধ্যমে মৌসুম শুরু হয়। এবার বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ৩৬ দিন মাঠে নামতে পারেননি চাষিরা। এ সময়ের মধ্যে ২৭ লাখ ১৫ হাজার টন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯২৬ টন লবণ উৎপাদন হয়েছে।

২০২৫-২৬ মৌসুমে ৪০ হাজার ১৫০ জন চাষি মোট ৬৭ হাজার ৭৫৭ একর জমিতে চাষ শুরু করে। এ মৌসুমে একরপ্রতি ২৮ দশমিক ৭০ টন লবণ উৎপাদন হয়েছে। এবার মে মাসের ২৪-২৫ তারিখে বৃষ্টিপাত শুরু হলে চাষিরা উৎপাদন বন্ধ করেন। এ সময় উৎপাদিত লবণ প্রচলিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে সরঞ্জাম নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। মূলত ২৪ মে কক্সবাজার অঞ্চলে এলাকাভেদে ১০-৩৯ মিলিমিটার এবং ২৫ মে ৭-১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। ফলে চিংড়ি চাষযোগ্য জমির মালিকের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় চাষিরা বাঁধ কেটে জোয়ারের পানি লবণের মাঠে প্রবেশ করান।

বিসিকের লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের (কক্সবাজার) উপমহাব্যবস্থাপক মো. জাফর আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘২৫ মে লবণ উৎপাদন মৌসুম শেষ হয়েছে। শুরুতে বিরূপ (কুয়াশা) আবহাওয়ার পাশাপাশি চলতি বছর আগাম বৃষ্টিপাতের কারণে এবার লবণ উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। সর্বশেষ ২৪-২৫ মে কক্সবাজার অঞ্চলে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় লবণের মাঠ নষ্ট হয়ে যায়।’

গত বছরের শেষার্ধে দেশে লবণের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন কম হওয়ায় প্রায় ১ লাখ টন লবণ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ আবেদন না করায় কয়েক দফায় সময় বাড়ানো হয়। এরপরও ব্যবসায়ী ও মিল মালিকদের আগ্রহ না থাকায় লবণ আমদানির বিষয়টিতে ভাটা পড়ে। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কম উৎপাদনের কারণে লবণের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ ঈদুল আজহার আগে মণপ্রতি লবণের দাম ৬০-৭০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সরবরাহ না থাকলে সামনে লবণের বাজার আরো বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন মিল মালিক ও ব্যবসায়ীরা।

২০২৫ সালের মতো এবারো ঈদুল আজহার সময় এতিমখানা, মাদরাসা ও মসজিদ কমিটিগুলোতে বিনামূল্যে লবণ বিতরণ করে বিসিক। বিগত বছর ১৪ হাজার টন লবণ বিতরণ করলেও চলতি বছর দাম বেড়ে যাওয়ায় পরিমাণ কমে ১১ হাজার টনে নেমে আসে। মূলত দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে আসা কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ যথাযথ না হওয়ায় অনেক চামড়া নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে দেশব্যাপী বিনামূল্যে লবণ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফলে দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ আগের তুলনায় অনেক বাড়বে বলে আশা করছে বিসিক।

সংস্থাটির লবণ সেলের প্রধান সরোয়ার হোসেন জানান, কয়েক বছর ধরে দেশে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত লবণ উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪-২৫ মৌসুমে ৬৪ বছরের মধ্যে রেকর্ড উৎপাদন হয়। জমি ও চাষির সংখ্যা বাড়লেও আবহাওয়াজনিত কারণে লবণের উৎপাদন এ বছর লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী হয়নি। এরপরও চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের অসংগতি থাকলে সরকার বিষয়টি বিবেচনা করে লবণের বাজার স্থিতিশীল রাখতে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।

মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পেলেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

অনলাইন ডেস্ক
মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পেলেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনীতে দায়িত্ব পালনের সময় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

আরো পড়ুন

কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

কুমিল্লায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২

 

শনিবার (৬ জুন) নিউইয়র্কের জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানিয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহত শান্তিরক্ষীদের পক্ষ থেকে পদকগুলো জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন।

আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তাদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

আরো পড়ুন

বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 

সম্মাননাপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষীরা হলেন— কর্পোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মণ্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনের সময় এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।

অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনের সময় নিহত প্রায় চার হাজার ৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় তিনি বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন।

চলতি বছর ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।

আরো পড়ুন

সরিষাবাড়ীতে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

সরিষাবাড়ীতে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

 

ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি মরণোত্তর সম্মাননা, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনের সময় নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান করা হয়।

বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ, সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবার হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে, যেখানে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি রয়েছে— চিকিৎসকরা এমন আশঙ্কা করছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। এজন্য সবাইকে আগে থেকেই সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী। 

আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকরা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিনদিন পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনা শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু মশার লার্ভা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হবে। পাশাপাশি, এ বিষয়ে অসহযোগিতা করলে আইন প্রয়োগ ছাড়া সরকারের বিকল্প কিছু করার থাকবে না বলেও সতর্ক করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।
 
তিনি আরো বলেন, আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। জনগণের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ এবং সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব ৫০ শতাংশ হলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব। 

ড. ইউনূসের আগমনে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির আনন্দ সমাবেশ, আ. লীগের বিক্ষোভ | কালের কণ্ঠ