• ই-পেপার

আজও বেশির ভাগ অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস

বিশ্বমঞ্চে রোবটিক্সে স্বর্ণ জয় সপ্তম শ্রেণির কিঞ্জল নাগ দিব্যর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বমঞ্চে রোবটিক্সে স্বর্ণ জয় সপ্তম শ্রেণির কিঞ্জল নাগ দিব্যর

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানের মঞ্চে লাল-সবুজের পতাকাকে নতুন উচ্চতায় ওড়ালো বাংলাদেশের উদীয়মান তরুণ উদ্ভাবকেরা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানের মঞ্চে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা ছিনিয়ে এনেছে ২টি গোল্ড এবং ২টি সিলভার মেডেল। যার একটি স্বর্ণপদক অর্জন করেছে সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র কিঞ্জল নাগ দিব্য।

গত ১৬ থেকে ১৮ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানীতে সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব এডুকেশনে অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড ইনভেনশন ক্রিয়েটিভিটি অলিম্পিক (WICO)-এর ১৫তম আসর। আন্তর্জাতিক এই অলিম্পিয়াডে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, কানাডা ও নিউজিল্যান্ডসহ বিশ্বের প্রযুক্তিতে অগ্রগামী ২৬টি দেশের প্রায় ২০০০ জন তরুণ উদ্ভাবক ও গবেষক অংশগ্রহণ করেন। এতে আধুনিক রোবোটিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ইনফরমেশন টেকনোলজির মতো ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ খাতে মোট ৩৭৩টি যুগান্তকারী প্রজেক্ট ও ইনভেনশন প্রদর্শিত হয়।

আন্তর্জাতিক বিচারকমণ্ডলী ও বিশ্বখ্যাত অধ্যাপকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত গবেষণা ও প্রজেক্টগুলো সর্বোচ্চ স্থান দখল করে নেয়। প্রতিযোগিতায় সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র কিঞ্জল নাগ দিব্য স্বর্ণপদক লাভ করে।

পাশাপাশি ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশকে এনে দেয় দ্বিতীয় স্বর্ণপদকটি। অন্যদিকে, এপিবিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মুহতাসিম রহমান ও নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা জয় করে রৌপ্য পদক।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক আসরে নামার আগে বাংলাদেশে আয়োজিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ জাতীয় রাউন্ডে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখে। জাতীয় পর্যায়ে কৃতকার্য হওয়ার পর ১১ জন সেরা তরুণ উদ্ভাবককে নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ দলকে আন্তর্জাতিক মঞ্চের জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীত করা হয়েছিল।

বিশ্বমঞ্চে উদীয়মান এই উদ্ভাবকদের অভূতপূর্ব জয়যাত্রা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত করেছে। তরুণ বিজ্ঞানীদের এই অর্জন প্রমাণ করে, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ পেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সের মতো প্রযুক্তিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখে বাংলাদেশের আগামী প্রজন্ম।

মাঠ পর্যায়ে হবে এনআইডি সংশোধন, সহজ হচ্ছে প্রবাসীদের নিবন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
মাঠ পর্যায়ে হবে এনআইডি সংশোধন, সহজ হচ্ছে প্রবাসীদের নিবন্ধন

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা আরো সহজ ও বিকেন্দ্রীকরণ করতে একাধিক পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শিক্ষা সনদের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়েই জন্ম তারিখ সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে একটি ধাপ বাদ দিয়ে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি অনলাইনে ভোটার এলাকা পরিবর্তন, এনআইডি নবায়নে পারিবারিক তথ্য সংযুক্তকরণ এবং কিছু সেবায় নির্ধারিত ফি চালুর প্রস্তাবও রয়েছে।

আজ মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভাশেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির সিনিয়র সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সচিব বলেন, এনআইডি সংশোধনের ব্যাপারে কিছু প্রস্তাবনা ছিল। যেটা আপনার মাইগ্রেশন (স্থানান্তর) করা, ভোটার এলাকা স্থানান্তর—এটা অনলাইনে করার পদ্ধতিটা আমরা বলছি যে, আপনারা অনলাইনে আবেদন করেন এবং এই মাইগ্রেশনের জন্য একটা সংশোধনী ফি দিতে হবে, যেটা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ফি আছে, সেটা নতুন করে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আইনে আছে ১৫ বছর হলে এনআইডি নবায়নের ব্যাপার আছে। তো এই এনআইডি নবায়নের জন্য নির্ধারিত একটা ফরম থাকবে এবং সেই ফরমে কী কী তথ্য থাকবে—যেমন একটা ফ্যামিলি ট্রির কথা বলা হয়েছে যে আবেদনকারী বা এনআইডিধারী তার পরিবারের তথ্যটা দেবেন যাতে তথ্যের মিল আমরা রাখতে পারি। এ ক্ষেত্রেও একটা ন্যূনতম ফির ব্যাপার আছে।

মঠা পর্যায়ে ফের বয়স সংশোধনে ক্ষমতা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে বলা হয়েছে, মাঠ পর্যায়ে জন্ম তারিখ সংশোধনের একটা বিষয় আমরা এনআইডিতে কেন্দ্রীয়ভাবে করে থাকি। এখন পাবলিক এক্সাম সার্টিফিকেটের (জেএসসি, এসএসসি ও পিএসসি) যেখানে জন্ম তারিখ আছে, সেই অনুযায়ী সংশোধনগুলো করতে পারবে। এটা মাঠ পর্যায়ে দেওয়া হবে।

প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন দুই ধাপের একটি ব্যবস্থ ছিল। প্রবাসীরা ফরম জমা দেওয়ার পর বায়োমেট্রিক দেওয়ার পরে আমাদের এখানে তদন্তে আসত, তদন্ত পারফরম হওয়ার পরে সেটা আপলোড হতো। তো আমরা বলছি যে না, আপনারা আপলোড করে দিবেন বায়োমেট্রিকটা, আমরা এখানে তদন্তে যথার্থতা পেলে এখান থেকেই অনুমোদন করে দেব। এতে একটি ধাপ কমে যাবে।

ঢাবির উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবির উপাচার্যের সঙ্গে পাকিস্তানের হাইকমিশনারের বৈঠক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। বৈঠক শেষে হাইকমিশনার ও উপাচার্য যৌথভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগে পাকিস্তান হাইকমিশনের অর্থায়নে স্থাপিত একটি কম্পিউটার ল্যাব এবং সংস্কার করা শ্রেণিকক্ষের উদ্বোধন করেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ঢাবি উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, গবেষণায় অংশীদারি এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর’ উদ্যোগের আওতায় দেওয়া আল্লামা ইকবাল স্কলারশিপে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আগ্রহের বিষয়টি উপাচার্যকে অবহিত করেন। উভয় পক্ষই মত প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনগণের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে শিক্ষা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত উর্দু বিভাগটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বিভাগটি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। তিনি উর্দু বিভাগের উন্নয়নে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতার প্রশংসা করেন।

হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, ‘এ উদ্যোগ শিক্ষা উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধ জোরদার এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দেশের অভিন্ন অঙ্গীকারের প্রতিফলন। ভাষাগত বৈচিত্র্য, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতির প্রতীক হিসেবে উর্দু বিভাগকে সংরক্ষণ ও বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি।’

শিক্ষকদের বদলির তদবিরের ভিড়ে অফিসে ঢুকতে পারি না : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষকদের বদলির তদবিরের ভিড়ে অফিসে ঢুকতে পারি না : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির তদবিরে ‌‘অতিষ্ঠ’ বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তার ভাষ্য, ‘বদলির তদবির নিয়ে শিক্ষকরা এত বেশি ভিড় করেন যে আমি এবং প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ আমাদের অফিস রুমে ঢুকতেই পারি না।’

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার আওতাধীন প্রাথমিকের সব স্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির ক্ষমতা উপজেলা পর্যায়ে দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সব শিক্ষকই ঢাকায় বদলি হয়ে আসতে চান। তাদের কথা শুনলে মনে হয়, যেন সব বিদ্যালয়ই ঢাকায় অবস্থিত।’ এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই বদলির বিষয়টি উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আজও বেশির ভাগ অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস | কালের কণ্ঠ