• ই-পেপার

জরিপের তথ্য

১০ মাসে ধর্ষণের শিকার ১০২২ নারী-শিশু

পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাটজাত পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণে দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে রাজধানী ঢাকায় ‘বাংলাদেশের পাটখাতের কৌশলগত অর্থনৈতিক কূটনীতি ও রপ্তানি সম্প্রসারণ’ শীর্ষক সমন্বয় সভা হ‌য়ে‌ছে।

আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম দুই মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন এবং অচিরেই একটি ভিন্ন মাত্রার আন্তর্জাতিক পাট এক্সপো আয়োজনের ঘোষণা দেন।

উভয় মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, পাট অধিদপ্তর, পাটশিল্প, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন-সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভার শুরুতেই পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং পাটখাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সোনালী আঁশের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনতে ‘পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রদর্শনী’-এর গুরুত্ব তুলে ধরেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাটশিল্পের উন্নয়নে বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোর সহায়তায় অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর জোর দেন।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী আজকের বিশেষ উদ্যোগের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং এবং পাটের উৎপাদন উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পাটের নতুন বাজার সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে সরকারের দুই মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি খাতের সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।

সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে যৌথ কার্যনির্বাহী গ্রুপ জাতীয় পর্যায়ে পাট প্রদর্শনীর জন্য কর্মপন্থা ঠিক করা, পাট শিল্পের উন্নয়নে বাণিজ্য বাধা দূরীকরণ, গবেষণা করা এবং মিল-আধুনিকায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবে। এ ছাড়া, প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক পাট এক্সপো-তে দেশি-বিদেশি ক্রেতা, গবেষক ও বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। 

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসমূহে পাটের বাধ্যতামূলক ডিসপ্লে সেন্টার ও গিফট শপ স্থাপন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী দের জন্য পাটজাত স্কুল ব্যাগ তৈরির প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন এবং পাটবীজের আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে আগামী ৩ বছরের মধ্যে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।

উভয় মন্ত্রণালয় পাটকে একটি আধুনিক জৈব-বৃত্তাকার শিল্পে রূপান্তর, কৃষকের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশকে জলবায়ুবান্ধব পাট-সমাধানের একটি বিশ্বস্ত বৈশ্বিক উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠার অভিন্ন লক্ষ্যে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশ নিতে পারবেন না

অনলাইন ডেস্ক
স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা অংশ নিতে পারবেন না
সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। ঋণখেলাপি ও জামিনদাররাও প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন। এ ছাড়া ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকলেও নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে অযোগ্য হবেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।

আখতার আহমেদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলার পরিষদের যে আইনগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা রয়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক অংশ নিতে পারবেন না। এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন। দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা ১৬ বছর ও তদূর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট থাকে।’

ইসি সচিব বলে, ‘এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়—সেটা নিয়ে আরো কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।’

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির ১ বছর

পোড়া দাগ শুকায়নি শরীরে, স্মৃতিতে তাড়িয়ে বেড়ায় ভয়াল স্মৃতির ক্ষত

নিজস্ব প্রতিবেদক
পোড়া দাগ শুকায়নি শরীরে, স্মৃতিতে তাড়িয়ে বেড়ায় ভয়াল স্মৃতির ক্ষত
ফাইল ছবি

ক্লাস শেষ, এবার বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করতে করতে শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হওয়ার পালা। ঠিক এমন সময় মাথার ওপর হঠাৎ বিকট শব্দে আছড়ে পড়ল একটি যুদ্ধবিমান। মুহূর্তেই ক্ষতবিক্ষত হলো ৩৬ তাজা সবুজ প্রাণ, ফুটবার আগেই ঝরে গেল ডজন ডজন অমূল্য ফুল।

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির আজ এক বছর পূর্ণ হলো। সময়ের ব্যবধানে ক্যালেন্ডারে ১২টি মাস পেরিয়ে গেলেও, এখনো বেঁচে ফেরা শিক্ষার্থীরা বের হতে পারেনি সেই মানসিক আতঙ্ক ও ট্রমা থেকে।

২০২৫ সালের ২১ জুলাই, সোমবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজিআই (F-7BGI) মডেলের একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার আলী ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিমানটির পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামসহ মোট ৩৬ জন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে ২৮ জনই ছিল কোমলমতি শিক্ষার্থী। এতে আহত হন আরো শতাধিক মানুষ।

স্কুলের জানালাটা এখন সব সময় বন্ধই থাকে, ঘরে সূর্যের আলো ঢোকার কোনো অনুমতি নেই। দিন শব্দটাই যেন হারিয়ে গেছে মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে গুরুতর আহত শিক্ষার্থী আহনাফ ইসলাম নিলয়ের জীবন থেকে। এক বছর ধরে কেবল অন্ধকারের সঙ্গেই তার বসবাস।

চিকিৎসকদের পরামর্শে আরো অন্তত দেড় বছর তাকে এভাবে সূর্যের আলো থেকে দূরে কাটাতে হবে, কারণ সূর্যের প্রতিটি কিরণ তার ঝলসানো ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ। নিলয় বলে, ‘ডাক্তাররা বলছেন আমার গায়ে সূর্যের আলো লাগানো যাবে না। তাতে ত্বকের আরো ক্ষতি হতে পারে।’

শুধু শরীরের ক্ষত নয়, চোখের সামনে বন্ধুকে পুড়তে দেখার অসহায় স্মৃতিও নিলয়কে তাড়িয়ে বেড়ায় প্রতিদিন। সে জানায়, ‘ও বলছিল, নিলয়, আমাকে বাঁচাও। আমি আগুনে পুড়ে যাচ্ছি।’ আমি দেখছিলাম ও পুড়ছে, কিন্তু ওকে ধরে বের করার কোনো উপায় খুঁজে পাইনি।’

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জারিফ ফারহান এখন শুধুই স্মৃতি। তার ঘরটি এখনো আগের মতোই সাজানো, নিজের হাতে লেখা অক্ষরগুলো যেন অপেক্ষায় আছে তার ফেরার। সেদিন মায়ের সঙ্গে অভিমান করে টিফিন আর পানির বোতল না নিয়েই স্কুলে গিয়েছিল জারিফ।

তার মা আজও অশ্রুসজল চোখে কান্নাভেজা কণ্ঠে প্রশ্ন করেন, ‘সেদিন যাওয়ার সময় অভিমান করে একটা কথাও বলেনি। টিফিনও নেয়নি। আমার জারিফটা সেদিন টিফিন খেয়েছিল কি না, তা আজও জানতে পারিনি। ওর অনেক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করেছি, কিন্তু কেউ বলতে পারেনি।’

একইভাবে সন্তান হারানো তানভীর আহমেদের বাবা রুবেল মিয়া কিংবা তাসনিম আফরোজ আয়মানের মা আয়েশা আক্তারের জীবনেও সময় থমকে আছে। প্রতিদিন ছোট ছেলেকে স্কুলে আনতে গিয়ে হাজারো শিক্ষার্থীর মাঝে আজও তানভীরের মুখটি খুঁজে ফেরেন তার বাবা।

ট্র্যাজেডির প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনের বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল, স্মৃতিচারণা, গার্ড অব অনার এবং এক মিনিট নীরবতা পালন। দুর্ঘটনাস্থলে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্মৃতিকথা প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

দুর্ঘটনাস্থল উন্মুক্তকরণ : দিয়াবাড়ী ক্যাম্পাসের দুর্ঘটনাস্থলটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়।

গার্ড অব অনার ও পুষ্পস্তবক অর্পণ : দুর্ঘটনাস্থলে স্কাউট ও রোভার সদস্যরা গার্ড অব অনার প্রদান করেন এবং নিহতদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এক মিনিট নীরবতা ও দোয়া : নিহত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পাশাপাশি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

স্মৃতিপ্রদর্শনী ও স্মৃতিচারণা : নিহতদের ছবি, বন্ধুদের লেখা স্মৃতিবার্তা ও শোকগাথা প্রদর্শন করা হয়। সহপাঠী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা তাদের প্রিয়জনদের নিয়ে স্মৃতিকথা তুলে ধরেন।

বিকেলের স্মরণসভা : স্কুল শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বিকেলবেলার স্মরণসভায় নিহতদের পরিবারের সদস্য এবং অভিভাবকেরা উপস্থিত থেকে অংশ নেন।

শাখাসমূহে বিশেষ ছুটি : এই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরাসহ মোট ১৬টি শাখায় ছুটি ঘোষণা ও শোক পালন করা হয়।

শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যেতে হবে : ডা. জুবাইদা রহমান

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে নিহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মীদের স্মরণে গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি আহত ও স্বজনহারাদের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আজ এমন একটা দিন, যেদিন আমাদের দেশ ও জাতি গভীরভাবে শোকাহত, মর্মাহত। শোককে শক্তিতে পরিণত করে আপনারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছেন, জাতি তা কোনো দিন ভুলবে না।’

তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা পুরো জাতিকে শোকাহত করেছে। তবে শোককে শক্তিতে পরিণত করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং আহতদের সাহস ও দৃঢ়তা থেকে নতুন প্রজন্মকে শিক্ষা নিতে হবে।’

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘প্রথমেই আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে প্রাণ হারানো আমাদের ভাই-বোন ও ছোট্ট বন্ধুদের। মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।’

ভয়াবহ স্মৃতি কাটিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার লড়াইকে অনুপ্রেরণার উৎস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরও আপনারা যেভাবে সাহস ও সংকল্প নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, তা আমাদের সবার জন্য প্রেরণা। সংকটে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সাহসিকতার সঙ্গে ভয়কে জয় করার যে দৃষ্টান্ত আপনারা স্থাপন করেছেন, দেশ ও জাতি তার জন্য কৃতজ্ঞ।’

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নিহতদের স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘নিহত তাসনিয়ার বাবার বক্তব্য শুনে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি। এক বছর আগের সেই দিনে শিক্ষিকা মেহরিন চৌধুরী নিজের জীবনের পরোয়া না করে সন্তানের মতো শিক্ষার্থীদের প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের ফলোআপ চিকিৎসা চলছে এবং প্রয়োজন হলে তাদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার সব ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সে সময় থেকে শুরু করে নিয়মিত তাদের খোঁজখবর রাখছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পুলিশের ৪ ডিআইজিসহ ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
পুলিশের ৪ ডিআইজিসহ ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি

পুলিশের চার ডিআইজিসহ ঊর্ধ্বতন ১৪ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদের সই করা দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি মো. আতাউল কিবরিয়াকে অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ জাহিদুল হাসানকে ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) আবদুল কুদ্দুস চৌধুরীকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি সারোয়ার মুর্শেদ শামীমকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

একই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, গত ২৮ জুন জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সিআইডির ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিমকে এফডিএমএন কার্যালয়, এপিবিএনে বদলির যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।

বদলি হওয়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন পাবনার পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহকে সিআইডিতে, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের আবু আশ্রাফকে পাবনার পুলিশ সুপারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দিন আহমেদকে র‍্যাবে এবং শিল্পাঞ্চল পুলিশের অতিরিক্ত ডিআজি মো. কফিল উদ্দিনকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।

১০ মাসে ধর্ষণের শিকার ১০২২ নারী-শিশু | কালের কণ্ঠ