• ই-পেপার

একনেক সভা আজ

৮ প্রকল্পের মেয়াদ, ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাজাপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাজাপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রায় কার্যকরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে চায় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে বন্দি চুক্তি অনুসারে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও পত্র দেওয়া হয়েছে ভারত সরকারকে। এরপর আমরা তাগাদাও দিয়েছি। আমরা তো তাকে ফেরত চাই এবং চাই বিচারের মুখোমুখি হোক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে যেহেতু তিনি (শেখ হাসিনা) সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, আদালতে তার আত্মসমর্পণের সুযোগ আছে কিনা সেটা আইনজ্ঞরা বলবেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং রায় কার্যকরের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের বাইরে গ্রেপ্তার বাংলাদেশে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের ফেরত আনতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারকে বিব্রত করতেই কিছু শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে একটি মহল।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

৯০ দিনের জ্বালানি তেল মজুতের লক্ষ্য সরকারের

অনলাইন ডেস্ক
৯০ দিনের জ্বালানি তেল মজুতের লক্ষ্য সরকারের

জ্বালানি তেলের কৌশলগত মজুত সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারের যে-কোন ধরনের অস্থিরতার মধ্যেও দেশের শিল্প উৎপাদন ও অর্থনীতির গতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জ্বালানি খাতকে ঝুঁকিমুক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাসস এক প্রতিবেদনে জানায়, এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে তেলের মজুত সক্ষমতা ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৭১ দিন এবং ২০২৭ সালের মধ্যে তা ৯০ দিনে উন্নীত করা হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে জ্বালানি খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন ডিপো নির্মাণ, অব্যবহৃত ট্যাংক সংস্কার এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্বৃত্ত ট্যাংক ভাড়াসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।

বিপিসি’র চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে দেশে ৬০ দিনের বেশি জ্বালানি তেল মজুতের সক্ষমতা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে তা ৭১ দিনে উন্নীত করা সম্ভব হবে। লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২৭ সালের মধ্যে ৯০ দিনের মজুত নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে।’

জ্বালানি বিভাগ জানায়, জাতীয় জ্বালানি নীতি-১৯৯৬ অনুযায়ী, দেশে ৬০ দিনের কৌশলগত জ্বালানি তেল মজুতের বিধান রয়েছে। বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত থাকায় কোনো সংকট নেই।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জ্বালানি নীতিতে ৬০ দিনের কৌশলগত মজুতের কথা বলা হয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় আমরা পর্যায়ক্রমে এটি ৯০ দিনে উন্নীত করবো। এ বিষয়ে কাজ চলছে। তবে এখন দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই।’

জ্বালানি বিভাগের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) জন্য দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মোট চাহিদা ধরা হয়েছে ৮৪ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন।

এর মধ্যে ডিজেলের চাহিদা ৪৪ লাখ ৭৩ হাজার টন, যার মাসিক গড় চাহিদা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৭৫০ টন। এছাড়া ফার্নেস অয়েলের চাহিদা ৭ লাখ ৩৫ হাজার টন, জেট ফুয়েলের ৬ লাখ ৬৩ হাজার টন, অকটেনের ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯০০ টন এবং পেট্রোলের ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৫০০ টন।

বর্তমানে বিপিসি’র আওতাধীন পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ ছয়টি কোম্পানির মোট জ্বালানি তেল সংরক্ষণ সক্ষমতা ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৬ টন। এর মধ্যে ৬৭ হাজার ৬৩২ টন ধারণক্ষমতার অবকাঠামো সংস্কার ও মেরামতের কাজ চলছে।

বর্তমানে বিপিসি’র নিজস্ব সক্ষমতায় ডিজেল ৫৭ দিন, অকটেন ৪৬ দিন, পেট্রোল ২৯ দিন এবং ফার্নেস অয়েল ৭৮ দিনের মজুত রয়েছে। এই সক্ষমতাই ৯০ দিনে উন্নীত করতে চায় সংস্থাটি।

জ্বালানি বিভাগ জানায়, দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাংলাদেশ রেলওয়ে ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনসহ (বিআরটিসি) অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য ১ লাখ ৪২ হাজার ২৯৮ টন ডিজেল এবং ১ লাখ ৭৮ হাজার ৪০০ টন ফার্নেস অয়েল মজুতের সক্ষমতা রয়েছে।

সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনের অতিরিক্ত ট্যাংক ভাড়ায় ব্যবহার করতে চায়। পাশাপাশি বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৮২ হাজার ২০০ টন ধারণক্ষমতার মজুদাগার সংস্কার করে চালু করা হবে।

এ বিষয়ে জ্বালানি সচিব বলেন, ‘সরকারি কিছু প্রতিষ্ঠানের ট্যাংক ভাড়ার বিষয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেলওয়ে ও বিআরটিসি রয়েছে। এসব বিকল্প সুযোগ মাথায় রাখার পাশাপাশি নিজস্ব অবকাঠামো বাড়াতে সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।’

এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘ডিজেলের ক্ষেত্রে বিপিসি’র বর্তমান কৌশলগত মজুত সক্ষমতা ৫৭ দিনের। তবে বিদ্যুৎ ও রেলওয়ের মতো বড় সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যদি ৩ মাসের তেল কিনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় মজুত রাখে, সেক্ষেত্রে কোনো নতুন প্রকল্প ছাড়াই দেশের সামগ্রিক জ্বালানি মজুত আরও ১২ থেকে ১৩ দিন বেড়ে যাবে।’

বিপিসি জানায়, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের আওতায় গত জুনে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোর কমিশনিং সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ট্যাংক চালু হওয়ায় উত্তরাঞ্চলের মজুত সক্ষমতা ২৮ হাজার ৪৩৭ টন বেড়েছে। এতে বিপিসি’র মোট মজুত সক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ১৫ লাখ ৭২ হাজার ৫০৩ টন। ২০২৭ সালের মধ্যে পার্বতীপুরে আরও চারটি নতুন ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া কুমিল্লায় বিদ্যমান অটোমেটেড ডিপো এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে আরও ছয়টি ডিপো নির্মাণ করা হবে।

নারায়ণগঞ্জের মেঘনা পেট্রোলিয়ামের গোদনাইল ডিপোতে ১১ হাজার টন ধারণক্ষমতার দু’টি নতুন ট্যাংক এবং ফতুল্লার আলীগঞ্জ ডিপোতে ১৩ হাজার টন ধারণক্ষমতার আরও দুটি ট্যাংক নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গোদনাইলে ১ হাজার ৪৫০ টন ধারণক্ষমতার একটি এইচওবিসি ট্যাংক নির্মাণাধীন রয়েছে।

বিপিসি জানায়, এছাড়া পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল কোম্পানির প্রধান স্থাপনাগুলোর খালি জায়গায় নতুন ডিপো ও ট্যাংক নির্মাণ প্রকল্প বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পদ্মা অয়েলের ৯ হাজার ৫০০ টনের দু’টি ট্যাংক, মেঘনা অয়েলের ১০ হাজার টনের তিনটি ট্যাংক এবং যমুনা অয়েলের সাড়ে ৫৮ হাজার টন ধারণক্ষমতার নতুন ট্যাংক।

সিলেটের পদ্মা অয়েল ডিপোর ১ হাজার ৩৭ টন ধারণক্ষমতার তিনটি জেট ফুয়েল ট্যাংক ডিজেল সংরক্ষণের উপযোগী করা হচ্ছে। ভৈরব বাজার ডিপোতে ২ হাজার ১৬৫ টনের পাঁচটি ট্যাংক নির্মাণকাজ চলছে। পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ওমেরা’র ৪০ হাজার টন ধারণক্ষমতার ট্যাংকের মধ্যে ৩০ হাজার টন ভাড়ায় নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছে বিপিসি।

বিপিসি’র চেয়ারম্যান বলেন, ‘গত জুনে পার্বতীপুর ডিপোর কমিশনিং সম্পন্ন হওয়ায় মজুত সক্ষমতা প্রায় ২৮ হাজার টন বেড়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পার্বতীপুরে আরও চারটি এবং কুমিল্লায় ছয়টি ডিপো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল কোম্পানির খালি জায়গায় নতুন ডিপো ও ট্যাংক নির্মাণ চলছে। পাশাপাশি কেরোসিন ও জেট ফুয়েলের চাহিদা কমে যাওয়ায় উদ্বৃত্ত ট্যাংকগুলো ডিজেল সংরক্ষণের উপযোগী করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ট্যাংক ভাড়ায় নেওয়ার বিষয়েও আলোচনা চলছে।’

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নতুন জমি অধিগ্রহণ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণের পরিবর্তে অচল ট্যাংক সচল করা, কেরোসিনের ট্যাংক ডিজেলে রূপান্তর এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র ও রেলওয়ের অব্যবহৃত ট্যাংক ব্যবহার করলে দ্রুত মজুত সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। তাদের মতে, এটি সরকারের একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বাসস
দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

গতকাল বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহী বিভাগের ঈশ্বরদীতে ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ২৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গলে সর্বোচ্চ ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় সকাল ৫টা ২১ মিনিটে।

আন্দোলনের আড়ালে কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
আন্দোলনের আড়ালে কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সমাবেশের আড়ালে কিছু মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। এগুলো আমরা খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি না।’

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দুএকটি জেলায় ও ঢাকায় দুএকটি স্পটে দেখেছি, তাদের সংখ্যা বেশি না যারা এগুলো নিয়ে কথা-বার্তা বলছে। হয়তো মিডিয়াতে এসেছে, এ জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এগুলোতে আমরা মনোযোগ দিচ্ছি না।’

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সরকারকে বিব্রত করতে চায় এ রকম কিছু মহল তো আছেই। বিভিন্ন ইস্যুতে তারা নিজেদের পরিচয় গোপন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়—সেটা দৃশ্যমান হয়েছে। যারা আন্দোলন করছে, তাদের মধ্যে অনেকেই দেখা গেছে আসলে ছাত্রই না, পরীক্ষার্থীই না।’

তিনি বলেন, ‘তারা তাদের দাবি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছে, সরকারকে জানিয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় তাদের আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পদার্থবিজ্ঞানের দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছিল, সে জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত পরিচালনা করবে। দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবে। তবে ওই দুটি প্রশ্নের নম্বর যুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যারা পরীক্ষার্থী তারা সন্তুষ্ট। এর পরেও যদি কেউ তার পরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে থাকে বা না করতে পারে, তাদের পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা চলার সময় সুযোগ দেওয়া হবে। এখানে তো সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।’
 

৮ প্রকল্পের মেয়াদ, ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব | কালের কণ্ঠ