• ই-পেপার

বিদ্যুতের ঘাটতি ৩০০০ মেগাওয়াট, সারা দেশে লোডশেডিং

গ্রামীণ দরিদ্রদের কম দামে এলপিজি দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
গ্রামীণ দরিদ্রদের কম দামে এলপিজি দেবে সরকার

গ্রামের অসচ্ছল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রান্নার জ্বালানি হিসেবে কাঠ, খড়কুটো ও ঘুঁটের ব্যবহার কমিয়ে এলপিজিকে সহজলভ্য করতে ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সুলভমূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে

বিশেষজ্ঞ ও খাতসংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে আগামীর সময় এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি, পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসে (আইইইএফএ) বাংলাদেশের জ্বালানি খাতবিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এটা খবুই ভালো উদ্যোগ। প্রতিবেশী ভারতেও এমন সুবিধা দেওয়া হয় এবং এটি সেখানে বেশ কার্যকর। কিন্তু গ্রামের অসচ্ছল মানুষের পাশাপাশি ঢাকা ও অন্যান্য শহরে বস্তিতে বসবাস করা অনেক দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। তাদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা দরকার।

এই উদ্যোগ সফল করতে তার পরামর্শ হলো সবার আগে প্রকৃত অসচ্ছল পরিবারগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে স্বচ্ছ ডাটাবেজ তৈরি করা। একই সঙ্গে ভর্তুকি মূল্যের এই সিলিন্ডারগুলো যেন বাণিজ্যিক উদ্দেশে বা কোনো চায়ের দোকানে পাচার না হয় তা নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের একটি বিশাল অংশ রান্নার কাজে প্রথাগত কাঠ, খড়কুটো কিংবা ঘুঁটের ওপর নির্ভরশীল। এর ফলে একদিকে যেমন নির্বিচারে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে চুলার ক্ষতিকর ধোঁয়া গ্রামীণ নারী ও শিশুদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করছে।

অবশ্য গ্রামের সচ্ছল মানুষদের কেউ কেউ এখন এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। কিন্তু আকাশছোঁয়া দামের কারণে তারা তা নিয়মিত ব্যবহার করতে পারছেন না।

মূলত বাসাবাড়িতে রান্নায়, কারখানা, বাণিজ্যিক ও গাড়ির জ্বালানি হিসেবে (অটো গ্যাস) ব্যবহার হচ্ছে এলপিজি। গত ৭ বছরে দেশে এলপিজির ব্যবহার দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ১৫ লাখ টন ছাড়িয়েছে। এলপিজির ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় বাসাবাড়িতে। বর্তমানে এই জ্বালানির গড় মাসিক বাজার ১ লাখ ৩০ হাজার টন।

দেশে সরবরাহ করা এলপিজির ৯৮ শতাংশই আসছে বেসরকারিভাবে। মাত্র ২ শতাংশ এলপিজি সরকারিভাবে সরবরাহ হচ্ছে। কিন্তু সরকারি এ এলপিজি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। বর্তমানে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা। দীর্ঘদিন ধরেই এ দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা এলপিজির দাম দ্বিগুণ থেকে কখনো কখনো আরো বেশি হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে সেই দামে কখনোই পাওয়া যায়। নানা অজুহাতে খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছামতো বাড়তি দাম আদায় করছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি সংকট সমাধানে নানা ধরনের মডেল ও বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। দরিদ্র পরিবারে সুলভমূল্যে বা বিনামূল্যে এলপিজি সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সফল প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। দেশটিতে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা বহু পরিবারকে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার ও রেগুলেটর সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ভারতের এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সরাসরি ব্যাংকে ভর্তুকি দেওয়া। সেখানে গ্রাহকরা বাজারমূল্যেই সিলিন্ডার কেনেন, কিন্তু সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ ভর্তুকির টাকা সরাসরি দরিদ্র সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দুর্নীতি বা কালোবাজারির সুযোগ থাকে না।

অন্যদিকে, পাকিস্তানে শীতকালে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসচ্ছল পরিবারের জন্য মাঝে মাঝে কোটা বা কম দামে সিলিন্ডার সরবরাহের অস্থায়ী ঘোষণা দেওয়া হয়।

দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

অনলাইন ডেস্ক
দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শহর শিকাগো রয়েছে বায়ুদূষণের শীর্ষে। যার বায়ুমান স্কোর ৬৫১। এই স্কোর অনুযায়ী শহরের বায়ুর মান খুবই ‘অস্বাস্থ্যকর’। অপর দিকে বাংলাদেশের বায়ুমান স্কোর ১১৬; তালিকায় অবস্থান ১১তম। যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্ববৃহৎ শহর ডেট্রয়েট। যার বায়ুমান স্কোর ৫৪৩। যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর একটি শহর নিউ ইয়র্ক; যার বায়ুমান স্কোর ২২৪। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর; যার বায়ুমান স্কোর ১৮৪। এছাড়া তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬২।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ঝড়ের শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল

অনলাইন ডেস্ক
ঝড়ের শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল

দেশের তিন সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এখনো সতর্কসংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

এসংক্রান্ত আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়ছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

বাংলাদেশের জনমিতিক সহনশীলতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। একই সঙ্গে প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা, সুস্থ বার্ধক্য এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিউইয়র্কে ইউএনএফপিএ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতার বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. মনজুর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ড. তিতুমীর সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, নারীকে কেন্দ্র করে জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য জনমিতিক তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএনএফপিএর আরো সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর তাদের অধিকার নিশ্চিত ও টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

ড. তিতুমীর আরো বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের জন্য জনমিতিক সুফল অর্জনের একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি জনসংখ্যার বয়স কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া দীর্ঘায়ুজনিত সম্ভাবনাকেও উন্নয়নের কাজে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ, বিশেষ করে মা, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। তিনি জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা, ইউএনএফপিএর পরবর্তী কান্ট্রি প্রোগ্রামকে সরকারের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে বলেন, জনমিতিক সহনশীলতা, প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে, দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জাতীয় মালিকানাবোধ থাকলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরতে ইউএনএফপিএ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিদ্যুতের ঘাটতি ৩০০০ মেগাওয়াট, সারা দেশে লোডশেডিং | কালের কণ্ঠ