• ই-পেপার

হজের স্বপ্নপূরণ হলো সামর্থ্যহীন ২৬ মুসল্লির

  • ‘আমার জীবনে স্বপ্ন ছিল হজ করার। কিন্তু সংসারে অভাব-অনটনের কারণে সে সুযোগ হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ, বসুন্ধরার এমডির কারণে সে সুযোগ হলো’

৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করেছে সরকার। গত রবিবার (১৯ জুলাই) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লাইসেন্স বাতিল হওয়া এসব রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন ও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান আইন, ২০১৩, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) আইন ২০২৩ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর বিভিন্ন ধারায় আদালতে অভিযোগপত্রও দাখিল হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইন, ২০১৩-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। 

যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেগুলো হলো— ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেড, অরবিটালস এন্টারপ্রাইজ, এম/এস শাহীন ট্রাভেলস, ইরভিং এন্টারপ্রাইজ, হায়দরি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, রাব্বি ইন্টারন্যাশনাল, জাহরাত অ্যাসোসিয়েটস, ফোর সাইট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, এম/এস বিনিময় ইন্টারন্যাশনাল, আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড, এম/এস কিউ.কে. কুইক এক্সপ্রেস লিমিটেড, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেড, জিএমজি ট্রেডিং (প্রা.) লিমিটেড, সাদিয়া ইন্টারন্যাশনাল, দ্য সুপার ইস্টার্ন লিমিটেড, এলিগ্যান্টস ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, মিডওয়ে ওভারসিজ লিমিটেড, মদিনা ওভারসিজ, আল-খামিস ইন্টারন্যাশনাল, নিউ এজ ইন্টারন্যাশনাল, দাহমাশি করপোরেশন লিমিটেড, গ্যালাক্সি করপোরেশন, সুলতান ওভারসিজ, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানিসপাওয়ার করপোরেশন, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, আহমেদ ইন্টারন্যাশনাল, আইএসএমটি হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড, দরবার গ্লোবাল ওভারসিজ, নাতাশা ওভারসিজ, অপরাজিতা ওভারসিজ, ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, স্ট্যানফোর্ড এমপ্লয়মেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড, জান্নাত ওভারসিজ, বিএম ট্রাভেলস লিমিটেড, বিএনএস ওভারসিজ লিমিটেড, রুবেল বাংলাদেশ লিমিটেড, অরবিটালস ইন্টারন্যাশনাল, ট্রান্স এশিয়া ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস লিমিটেড, আল ফারাহ হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড কনসালট্যান্সি, এম/এস স্নিগ্ধা ওভারসিজ লিমিটেড, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনাল, থানেক্স ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, জিজি আলফালাহ ম্যানেজমেন্ট, ইম্পেরিয়াল রিসোর্সেস লিমিটেড, পি.আর. ওভারসিজ লিমিটেড, এম/এস এমইএফ গ্লোবাল বাংলাদেশ লিমিটেড এবং অনন্য অপূর্ব রিক্রুটিং এজেন্সি।

জিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
জিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনের বিচার সেনা আইনে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। 

তিনি বলেন, একই অপরাধে একজন ব্যক্তির দুই আইনে বিচার হতে পারে না। এ কারণে তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তার বিচার সম্পন্ন হবে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদরদপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিদের বিচার সামরিক আদালতে হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে রায় দেওয়া হয়েছে। মোজাফফর হোসেন দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বিচার হয়নি। সম্প্রতি তাকে গ্রেপ্তারের পর সেনা আইনে বিচারের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, একই ব্যক্তি একই অপরাধে দুই ভিন্ন আইনে বিচারের মুখোমুখি হতে পারেন না। সেনা আইনে তার বিচার হবে। যদি কোনো সিভিল কোর্ট সংশ্লিষ্ট বিষয় থাকে, সেটি পরবর্তীতে আইনগতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আগেই যেসব আসামি দণ্ডিত বা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের মামলার রায়ে মোজাফফরের বিষয়ে কোনো পর্যবেক্ষণ বা ফাইন্ডিংস থাকলে তা জেনারেল কোর্ট মার্শাল বিবেচনায় নেবে।

তিনি বলেন, সেনা আইনের অধীনেই তার বিচার সম্পন্ন হবে। সিভিল কোর্টে নতুন করে তাকে একই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা কতটা আইনসম্মত হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যালোচনা করবে। 

মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় আরাকান আর্মি, মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাতের প্রভাব বাংলাদেশে পড়ছে। মাদক পাচার, গোলাগুলির স্পিলওভার এবং সীমান্ত নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার ১০৯ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রস্তাব বিবেচনা করছে।

তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তবে সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সীমান্তে নজরদারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
সীমান্তে নজরদারিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিজিবি সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে নজরদারি আরো কার্যকর করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হবে, যেন দ্রুত তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পিলখানা বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সীমান্ত পাহারার পাশাপাশি মাদকদ্রব্য চোরাচালান প্রতিরোধেও বিজিবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ কারণে মাদক নিয়ন্ত্রণে বিজিবির ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বিজিবিকে আরো আধুনিক ও কার্যকর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি, যানবাহন, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথম বিজিবি সদর দপ্তরে এসে বাহিনীর কার্যক্রম, সীমান্ত পরিস্থিতি, জনবল, ব্যাটালিয়ন ও সেক্টরের অবস্থা, সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা নিয়ে বিস্তারিত জেনেছি।

সাম্প্রতিক বন্যায় বিজিবির উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় নৌকার মাধ্যমে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া এবং উদ্ধার অভিযানে বাহিনীর ভূমিকা দেশব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আরো সম্প্রসারণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজিবির প্রশাসনিক অবকাঠামো উন্নয়ন, হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায়। এসব বিষয় দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ সময় বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে শরিক দলের নেতাদের নৈশভোজ আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে শরিক দলের নেতাদের নৈশভোজ আজ

ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর দেড় শতাধিক নেতাকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে যোগ দেবেন তারা।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিক দলের দেড় শতাধিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এরই মধ্যে নেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।