• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে শরিক দলের নেতাদের নৈশভোজ আজ

সুশীলরা দুর্গত মানুষের পাশে থাকেন না কেন?

অনলাইন ডেস্ক
সুশীলরা দুর্গত মানুষের পাশে থাকেন না কেন?

ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শান্তিতে নোবেলজয়ী। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দেড় বছর। ক্ষমতায় থাকার সময় দেশের মানুষের ভাগ্যবদলের অনেক গল্প শুনিয়েছিলেন। দেশকে এগিয়ে কোথায় নিয়ে যাবেন তার লম্বা ফিরিস্তি দিতেন প্রতিদিন। ইউনূস আমলে দেড় বছরে দেশের কী হাল হয়েছে তা এখন সবাই জানে। তা নিয়ে আজ আলোচনা করতে চাই না। কিন্তু দেশদরদি এই শান্তির দূত আজ কোথায়?

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম, পার্বত্য তিন জেলাসহ দেশের প্রায় অর্ধেক জনপদ ডুবে গেল। চট্টগ্রাম বিভাগে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা শতাধিক। নদীর পানি বৃদ্ধি, আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় পাঁচ জেলার লাখ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে ব্যাপকভাবে।

সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ীরা দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন যে-যার মতো করে। যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা নিয়ে সর্বস্তরের মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছে বন্যাকবলিতদের। কিন্তু এ দুর্যোগে অসহায় মানুষ শান্তিতে নোবেলজয়ীর কাছ থেকে একটা সান্ত্বনার বাণীও শুনতে পায়নি। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো দূরের কথা, তাদের জন্য একটু সহানুভূতি প্রকাশ পর্যন্ত করেননি সাবেক প্রধান উপদেষ্টা। এ বিষয়টি আলোচনার দাবি রাখে তিনটি কারণে।

প্রথমত ড. ইউনূসের জন্মস্থান চট্টগ্রাম। তিনি চট্টগ্রামের সন্তান। এখানেই তার বেড়ে ওঠা, শিক্ষা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি তার কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ক্ষুদ্র ঋণের ওপর গবেষণা শুরু করেন। এখান থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয় গ্রামীণ ব্যাংক। এই গ্রামীণ ব্যাংকই তাকে সারা বিশ্বে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। কাজেই চট্টগ্রামের প্রতি, সেখানকার মানুষের প্রতি তার আলাদা ভালোবাসা ও দরদ থাকাটাই স্বাভাবিক। এজন্যই প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার পর তিনি যখন খুঁজে খুঁজে চট্টগ্রামের লোকদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতেন, তখন আমরা কেউ কিছু মনে করিনি। এলাকাপ্রীতি সবারই থাকে, তিনি যতই আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হোন না কেন। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি একাধিকবার চট্টগ্রামে গেছেন, সেখানকার মানুষকে আপনজন হিসেবে সম্বোধন করেছেন। তাই এবার চট্টগ্রামে যখন সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা হলো, তখন আমরা আশা করেছিলাম তিনি চট্টগ্রামে ছুটে যাবেন।

দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। অসহায় মানুষকে তার জাদুকরী ভাষণে উদ্বুদ্ধ করবেন। তার মিষ্টি কথা শুনে বন্যায় সব হারানো মানুষ তাদের কষ্ট ভুলে যাবে। কিন্তু কোথায় কী? তিনি চট্টগ্রাম গেলেন না। তিনি ঢাকায় ইউনূস সেন্টারের নিত্যনতুন প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ত থাকলেন। দ্বিতীয়ত ড. মুহাম্মদ ইউনূস সব সময় দারিদ্র্যমোচনের কথা বলেন। তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন দারিদ্র্যমোচনের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য।

২০০৬ সালে পুরস্কার পেয়ে ড. ইউনূস বলেছিলেন, তিনি দারিদ্র্যকে জাদুঘরে পাঠাবেন। ইউনূসের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কুড়ি বছর পেরিয়ে গেছে, বিশ্ব দারিদ্র্যমুক্ত হয়নি। বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয় হলো, ড. ইউনূস প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে নতুন করে দেড় কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। দারিদ্র্যমোচনের লক্ষ্যে দেশ পরিচালনার বিরাট সুযোগ পেয়ে ইউনূস তা কাজে লাগাতে পারেননি। তাই চট্টগ্রামের বন্যা দারিদ্র্যমোচনে ড. ইউনূসের আন্তরিকতা প্রমাণের একটি সুযোগ তৈরি করেছিল। তিনি প্রমাণ করতে পারতেন যে সবকিছু তিনি নিজের নামযশের জন্য করেন না। গরিব ও প্রান্তিক মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি আন্তরিক। কিন্তু শান্তির দূতের নীরবতা আর উদাসীনতা আরেকবার প্রমাণ করেছে, তিনি যা কিছু করেন নিজের স্বার্থে।

বন্যাদুর্গত বা দুর্যোগে বিপন্ন মানুষের প্রতি তার কোনো দায়বদ্ধতা ও সহানুভূতি নেই। তৃতীয়ত ইউনূসের ২০টির বেশি সামাজিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। যার সবকটিতেই দুর্যোগ নিরসনে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামের স্মরণকালের ভয়াবহ দুর্যোগে ইউনূস নিজেই প্রমাণ করলেন, তার এসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ্য হলো গরিব মানুষকে দেখিয়ে ব্যবসা করা। দারিদ্র্যমোচন বা মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তার এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলোর কোনো অবদান নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস হলেন বাংলাদেশের সুশীল সমাজের প্রতীক।

তিনি এ দেশের সুশীলদের অবিসংবাদিত নেতা। বিশেষ করে যেসব সুশীল উন্নয়নের ফেরিওয়ালা, তাদের পথপ্রদর্শক ইউনূস। এই সুশীলরা উন্নয়নের কাহিনি শুনিয়ে, দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের কথা বলে বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আনেন। নিজেরা বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন। এসব উন্নয়নের দোকানে সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন না হলেও সুশীলরা জাতির বিবেক বনে যান। তারা সুশাসন, মানবাধিকারের কথা বলেন, রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করেন।

উন্নয়ন ব্যবসা অব্যাহত রাখতে, দেশের অর্থনীতি যেন স্বাবলম্বী না হয় সেজন্য বেসরকারি খাতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেন। উন্নয়নের নামে তারা দেশকে চিরস্থায়ীভাবে বিদেশি ঋণ আর অনুদানের চক্রে বন্দি রাখতে চান। কিন্তু দেশের মানুষের বিপদে, দুর্যোগে তাদের পাশে পাওয়া যায় না। এবারে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা এ সত্য নতুন করে সামনে নিয়ে এলো। শুধু এ বন্যা নয়, আমাদের সুশীলরা মানুষের কোনো সমস্যায় পাশে দাঁড়ান না। তাদের একমাত্র কাজ হলো অন্যের সমালোচনা করা। সুশীলরা যেভাবে কথা বলেন তাতে মনে হয়, একমাত্র তারাই সাধু আর সবাই খারাপ। কিন্তু এই সাধুরা দেশের সব সংকটে কেন শীতনিদ্রায় যান, তার উত্তর নেই।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

১৫৩ ফুট গভীরে ছুটবে ট্রেন

৬ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ে প্রস্তুত এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপিপি

অনলাইন ডেস্ক
১৫৩ ফুট গভীরে ছুটবে ট্রেন

রাজধানীবাসীর পাতালরেলের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। অতিমূল্যায়িত প্রকল্প ব্যয় কমিয়ে আনার অংশ হিসেবে বহুল আলোচিত ‘এমআরটি লাইন-৫’ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় থেকে অন্তত ৬ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে। ব্যয়-সাশ্রয়ী সংশোধিত এ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) এখন অনুমোদনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এরই মধ্যে এ লাইনের রুটের অ্যালাইনমেন্ট ও সামগ্রিক নকশার চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ মেট্রোরেল প্রকল্পের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই নির্মিত হবে মাটির নিচে। মাটির ওপরিভাগ থেকে প্রায় ৫৬ ফুট থেকে ১৫৩ ফুট গভীরতা দিয়ে এ পাতাল রেলের রুট তৈরি হবে। মোট রুটের ১৩.৫০ কিলোমিটার অংশ থাকবে মাটির নিচে (পাতাল) এবং বাকি ৬.৫০ কিলোমিটার অংশ থাকবে মাটির ওপরে (উড়াল)।

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ও পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বিগত সরকারের প্রাক্কলন করা উচ্চ ব্যয় কাটছাঁট করে সংশোধিত ডিপিপি চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবনায় প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্প পরিচালক বি জে (অব) আবদুল ওহাব বলেন, ‘শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সব ধরনের তদারকি বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে প্রাক্কলিত মূল্যও কমে এসেছে। আমরা জবাবদিহিমূলক সরকারি কাঠামো গড়ে তুলতে চাই।’

চূড়ান্ত ডিপিপি অনুযায়ী, ৪৮ হাজার কোটি টাকার এ মেগা প্রকল্পে সরকারি তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে ১৫ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। অবশিষ্ট প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকা আসবে বৈদেশিক ঋণ বা উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা থেকে। শুরুতে কেবল এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এ প্রকল্পে অর্থায়নের কথা থাকলেও পরবর্তীতে কো-ফাইন্যান্সার হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া যুক্ত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, মূল উন্নয়ন সহযোগী এডিবি কনসালট্যান্সি ও সিভিল প্যাকেজগুলোতে এবং কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক সিস্টেম প্যাকেজগুলোতে অর্থায়ন করবে। এ প্রকল্পের জন্য চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) বাজেটে ৩ হাজার ৯১০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটির (একনেক) পরবর্তী সভায় প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।

বৈদেশিক অর্থায়ন জটিলতায় এমআরটি লাইন-৫ (সাউদার্ন রুট) প্রকল্পের অনুমোদন পিছিয়ে যাওয়ার যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা কেটে গেছে। অনুমোদন পিছিয়ে গেলেও নির্মাণ কাজে যাতে এর প্রভাব না পড়ে, সেজন্য অগ্রিম ক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে ডিএমটিসিএল। ইতোমধ্যে মেট্রোরেলের এ লাইন নির্মাণে অগ্রিম ক্রয় প্রক্রিয়ায় অনুমোদন দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং এডিবি। এমআরটি-৫ প্রকল্পে এ অগ্রিম ক্রয় প্রক্রিয়ার কারণে প্রকল্প অনুমোদনের পর অন্তত এক বছর সময় বাঁচবে।

২০২৮ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা মহানগরীর প্রথম পূর্ব-পশ্চিম করিডরে প্রতিদিন প্রায় ১২ লাখ ৩০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। প্রতিটি একমুখী বিদ্যুৎচালিত মেট্রো ট্রেন ১৪টি স্টেশনে থেমে মাত্র ৩২ মিনিটে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত পথ পাড়ি দেবে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে এ লাইনে শব্দ ও কম্পন দূষণের মাত্রা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সীমার চেয়ে অনেক নিচে থাকবে। উড়াল পথের ভায়াডাক্টের উভয় পাশে আধুনিক শব্দ প্রতিবন্ধক দেয়াল (সাউন্ড ব্যারিয়ার) থাকবে এবং পাতাল অংশের টানেল সংলগ্ন মাটি প্রাকৃতিকভাবেই শব্দ ও কম্পন প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করবে। ফলে এটি পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না; বরং কার্বন নির্গমন কমিয়ে পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। শুরুতে ৮টি কোচবিশিষ্ট ১৮ সেট মেট্রো ট্রেন দিয়ে এ লাইনে যাতায়াত শুরু হবে।

ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২ সেটে উন্নীত করার সুযোগ রাখা হয়েছে। ট্রেনের মাঝের ৬টি কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৯০ জন এবং দুই প্রান্তের ট্রেইলার কোচের প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৩৭৪ জন যাত্রী চড়তে পারবেন। প্রতিটি মেট্রো ট্রেন একবারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৮৮ জন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। এ লাইনে প্রতি ঘণ্টায় উভয় দিকে ৫৩ হাজার ২০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।

ব্যস্ত সময়ে প্রতি ৩ মিনিট ৩০ সেকেন্ড পরপর একটি করে ট্রেন স্টেশন ছেড়ে যাবে। অত্যাধুনিক এ ট্রেনগুলো উড়ালপথে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার এবং মাটির নিচের পাতালপথে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার গতিতে ছুটবে।

ডিএমটিসিএল সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের কারিগরি সহায়তার আওতায় প্রথম পর্যায়ের সমীক্ষা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকৌশলগত নকশা তৈরির কাজ এরই মধ্যেই শেষ হয়েছে। নির্মাণ কাজের দরপত্র সংক্রান্ত নথির (বিডিং ডকুমেন্ট) প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হেমায়েতপুর ডিপোর ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শতভাগ শেষ হয়েছে এবং মোট ১০টি প্যাকেজের মধ্যে প্যাকেজ-০১ এর আওতায় ডিপোর ভূমি উন্নয়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত এর বাস্তব অগ্রগতি ৭৭.৫৬ শতাংশ। এ ছাড়া ১৪টি স্টেশন এবং পাতাল অংশের দুই প্রান্তের ট্রানজিশন সেকশন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বর্তমানে বিভিন্ন পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

রুট : হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার, গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-২, নতুনবাজার, ভাটারা, দাশেরকান্দি।

পাতাল স্টেশনসমূহ (৯টি) : গাবতলী, দারুস সালাম, মিরপুর-১, মিরপুর-১০, মিরপুর-১৪, কচুক্ষেত, বনানী, গুলশান-২ এবং নতুনবাজার।

উড়াল স্টেশনসমূহ (৫টি) : হেমায়েতপুর, বলিয়ারপুর, বিলামালিয়া, আমিনবাজার এবং ভাটারা/দাশেরকান্দি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২১ জুলাই)

অনলাইন ডেস্ক
একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২১ জুলাই)
সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি

সিস্টেম লসের নামে গ্যাস চুরি

তীব্র গ্যাসসংকটে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনেও কাঙ্ক্ষিত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। আবার...

 

শিল্পে বড় ধাক্কা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে ২.২২%

শিল্পে বড় ধাক্কা, জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে ২.২২%

দেশের অর্থনীতির গতি আরো মন্থর হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ...

 

৩০ জনের দুর্বিষহ জীবন

৩০ জনের দুর্বিষহ জীবন

দুপুরে মেয়ে স্কুল থেকে ফিরবে। গরম ভাত নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন মা আমিনা ইসলাম মিলি; কিন্তু সেদিন আর ফেরেনি তাঁর ১২...

 

তবু মেসির কীর্তি উজ্জ্বল, অমলিন

তবু মেসির কীর্তি উজ্জ্বল, অমলিন

মাঠ তখন প্রায় ফাঁকা। স্পেনের ফুটবলাররা উল্লাসে মেতেছেন, গ্যালারিজুড়ে উৎসবের ঢেউ। অথচ সেই কোলাহলের মধ্যেই এক...

 

দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহবান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহবান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারের বার্তা দিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও নৈশভোজে মিলিত হয়েছেন...

 

পেশার প্রতি জমির উদ্দিন সরকারের ছিল অসীম ডেডিকেশন

পেশার প্রতি জমির উদ্দিন সরকারের ছিল অসীম ডেডিকেশন

প্রয়াত রাজনীতিবিদ ও জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারকে নিয়ে স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে...

 

ব্রিটেনবাসী পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে

ব্রিটেনবাসী পরিবর্তন প্রত্যাশা করছে

ব্রিটেনের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন নেতৃত্বের অধ্যায়। ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম...

 

ধরন বদলে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

ধরন বদলে বাড়ছে ডেঙ্গুর ঝুঁকি

দেশে আবার বদলে যাচ্ছে ডেঙ্গুর ধরন। চলতি বছর আক্রান্তদের মধ্যে ডেন-৩ সেরোটাইপ শনাক্ত হয়েছে। সরকারের রোগতত্ত্ব,...

 

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলায় বন্যার অবনতি

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলায় বন্যার অবনতি

দেশের অভ্যন্তরে ও উজানে ভারি বৃষ্টিপাত বেড়ে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ১০ জেলার বন্যা পরিস্থিতির...

 

আমরা ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে : মীর হেলাল

আমরা ধর্মীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে : মীর হেলাল

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, দলগতভাবে আমরা...

 

কোটার রায়ের পর আন্দোলনে নতুন মোড়

কোটার রায়ের পর আন্দোলনে নতুন মোড়

২০২৪ সালের ২১ জুলাই ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেদিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সরকারি...

 

দুই ভাইয়ের রঙে রঙিন স্পেন

দুই ভাইয়ের রঙে রঙিন স্পেন

বড় ভাই লামিন ইয়ামাল পায়ের জাদুতে মোহ জাগিয়ে আগে থেকেই বিখ্যাত। তবে জনপ্রিয়তায় ইয়ামালের চেয়ে কোনো অংশে পিছিয়ে...

 

আন্দোলনে ভাষা ব্যবহারের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন

আন্দোলনে ভাষা ব্যবহারের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন

অনেক সময় একটি দেশের ভবিষ্যেক বোঝা যায় তার শিশু বা কিশোরদের দিকে তাকিয়েই। শিশুরা নিজে থেকে কোনো সমাজকে বদলে দিতে...

 

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যা কিসের আলামত

পুলিশ সদস্যদের আত্মহত্যা কিসের আলামত

গত ১৮ জুলাই কালের কণ্ঠে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত সাড়ে সাত বছরে পুলিশের ৭৯ জন সদস্য আত্মহত্যা করেছেন।...

 

এই দহন আজীবনের

এই দহন আজীবনের

সেদিন আমি মাইলস্টোন কলেজের ক্যাম্পাসে হায়দার আলী ভবনের অদূরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছিলাম নৌবাহিনীতে কর্মরত...

 

কোর্টপাড়ায় ‘ছোঁয়া নিষেধ’ মারণফাঁদ

কোর্টপাড়ায় ‘ছোঁয়া নিষেধ’ মারণফাঁদ

চাকার ওপর বসানো ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সমিটারটির গায়ে শুধু ছোঁয়া নিষেধ ও বিপজ্জনক লিখে সতর্ক করা হয়েছে। নেওয়া হয়নি...

 

মাটির নিচে আল্লাহর সৃষ্টির বিস্ময়

মাটির নিচে আল্লাহর সৃষ্টির বিস্ময়

কোরআনের বিভিন্ন স্থানে আল্লাহ পৃথিবীকে জীবন্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে বৃষ্টির পানি নেমে এলে মৃত...

 

ক্যারিয়ারের দৌড়ে কি জীবনের মূল লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে

ক্যারিয়ারের দৌড়ে কি জীবনের মূল লক্ষ্য হারিয়ে যাচ্ছে

বর্তমান সময়টা বেশ প্রতিযোগিতার। তাই বেশির ভাগ মানুষই ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় ভালো বেতন, বড় পদ, উন্নত জীবনযাত্রা ও...

 

‘অনুস্বর সংলাপ’-এ ফেরদৌসী মজুমদার

‘অনুস্বর সংলাপ’-এ ফেরদৌসী মজুমদার

জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার হলে ২৫ জুলাই, বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে অনুস্বর সংলাপ ৪। এই অনুষ্ঠানে নিজের জীবন...

 

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী

আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী
আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, ‘আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই। তাই আসুন আগামীতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।’

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজের আগে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

জোট নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি ছোট ভাই হিসেবে আপনাদের বলবো আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ, আমাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আসুন আমরা সকলে মিলে জনগণের প্রত্যাশার জায়গাগুলো আগে খুঁজে বের করে তা পূরণ করার চেষ্টা করি। এটা করতে গিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো কোনো জায়গায় দ্বিমত হতে পারে, তবে আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। ভুল বুঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বড় শক্তি হচ্ছে এই দেশের জনগণ। জনগণের সমর্থন বিএনপিসহ সকল যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আছে। তাই আমাদের শক্তি, জোর ততক্ষণ থাকবে যতক্ষণ জনগণের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে এবং সেটা আল্লাহর রহমতে আমাদের সঙ্গে আছে। কাজেই আমাদের মধ্যে যেন কোনো বিভেদ না থাকে, আমরা নিশ্চয়ই আমাদের ৩১ দফার আলোকেই হোক কিংবা জুলাই সনদের আলোকে হোক ইনশাআল্লাহ সকলে মিলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। অথচ আজকে অনেকেই এই সংগ্রামের দাবিদার হতে চায়। আমি নাম উল্লেখ করতে চাই না। তবে যাদেরকে একটি শব্দ ‘গুপ্ত’ ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদেরকে চেনে।’

তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তারা কোথায় ছিল, এদেরকে আমরা অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি। তবে তাদের কিন্তু রাজপথে না পেলেও যারা এই দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আমরা দেখেছি। অথচ ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পরে এই গুপ্ত বাহিনী ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছিল। কাজেই আসুন এসব গুপ্তদের হাত থেকে এ দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে তা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ হই।’

বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা এখানে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের মানুষের সামনে। আমরা যখন এটি উপস্থাপন করেছিলাম তখন বাংলাদেশের অন্য অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সংস্কার নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলেছে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা তখন সংস্কারের বিষয়ে কিছু বলতে শুনিনি। কিন্তু আজকে আমরা এই প্যান্ডেলের নিচে যারা বসে আছি, একত্রে আমরা কিন্তু তখন স্বৈরাচারের চোখ রাঙানিকে অপেক্ষা করে রাষ্ট্রের সংস্কারের দফা গুলো আমরা দিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, কাজেই একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, যে ৩১ দফা আমরা সকলে মিলে বসে রচনা করেছিলাম, সেই ৩১ দফার পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে। কাজেই এটি বাস্তবায়নে আমরা সমমনা যারা আছি, সকলে মিলে কাজ করতে হবে।

ক্ষমতা গ্রহণের পরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের কী ধরনের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া পুরো দেশ ছিল বিধ্বস্ত। ইকোনমি, জ্বালানি, বিদুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেকটি ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। এই অবস্থায় আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছি। তারপরেও আমরা রাতদিন পরিশ্রম করার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি কীভাবে দেশের মানুষকে একটু স্বস্তি দেওয়া যায়। শতভাগ পেরেছি কিনা জানি না, তবে আমরা চেষ্টা করেছি এবং করে যাচ্ছি। শতভাগ না হলেও নিশ্চয়ই কেউ অস্বীকার করবে না-একদম নতুন একটি সরকার হিসেবে যেভাবে কাজ করছি, তাতে মানুষজনকে কিছুটা হলেও আমরা কমফোর্ট দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে সরকার পরিচালনায় সকলকে আহ্বান জানাব আমাদের পাশে থাকার।’

এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যমুনায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক দল ও জোট নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

কুশল বিনিয়ম পর্বের পর নেতাদের নিয়ে রাতে খাবার টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে। কোরআন তেলোয়াত করেন ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমিন।

শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বুফে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে খাবার নেন এবং শরিক নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে খাবার খান। এ টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।

জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন কাদরি শওকত, খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর নুরুল আমিন ব্যাপারি, গণ দলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান, আম জনতার দলের তারেক রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, এম এ আর রাজা রহমান, এনডিপির একাংশের কেএস আবু তাহের, অপর অংশের আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, রেদোয়ান আহমেদসহ ৪১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।