• ই-পেপার

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু

মন্ত্রী জানিয়েছেন

জাতীয় গ্রিডে আগস্টের শেষে রূপপুরের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় গ্রিডে আগস্টের শেষে রূপপুরের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে
ফাইল ছবি

আগস্টের শেষে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে এক মতবিনিময়ের সময় তিনি একথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ানদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, তাতে আগামী আগস্টের শেষ দিকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সরবরাহ করা যাবে। গত মে মাসে রূপপুর প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে সফলভাবে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হয়েছে।

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের সময় দেওয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (আরএনপিপি) থেকে চলতি বছরের আগস্ট মাস নাগাদ ৩০০ মেগাওয়াট এবং আগামী বছর ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাস নাগাদ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

তিনি আরো জানান, ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এরই মধ্যে একটি চুল্লিতে ফুয়েল রড প্রবেশ করানো হয়েছে, যা থেকে আগামী আগস্ট ২০২৬ নাগাদ ৩০০ মেগাওয়াট এবং জানুয়ারি ২০২৭ নাগাদ ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

জাতীয় সংসদে বাজেট ডিব্রিফিং সেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
জাতীয় সংসদে বাজেট ডিব্রিফিং সেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

জাতীয় সংসদ ভবনে ‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’-এর আওতায় আয়োজিত বাজেটবিষয়ক এক ডিব্রিফিং সেশন পরিচালনা করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি।

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এ সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

ডিব্রিফিং সেশনে প্রতিমন্ত্রী জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আইনি কাঠামো, দায়িত্ব ও কার্যপরিধি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে জাতীয় বাজেটে স্থানীয় সরকার খাতে বরাদ্দ, উন্নয়ন তহবিলের আওতায় খাত ভিত্তিক অর্থবণ্টন এবং এ সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা ও নির্দেশিকা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের সার্বিক উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে টেকসই উন্নয়ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

এ সময় তিনি জাতীয় বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, জবাবদিহি এবং কার্যকর সমন্বয় জোরদারে গুরুত্বারোপ করেন।

উপস্থাপনা শেষে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনা, বাজেট বরাদ্দ, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

‘বাজেট হেল্পডেস্ক-২০২৬’-এর আওতায় আয়োজিত এ ডিব্রিফিং সেশনে চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামসহ জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ই-সিগারেট ও নিকোটিন পাউচ নিষিদ্ধে কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ

তামাক নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সংশোধিত আইন পাস হলেও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ কাটেনি। তাদের মতে, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য এখনো কার্যকর নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় শিশু, কিশোর ও তরুণদের মধ্যে নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়ছে। তাই নতুন আইনের কঠোর বাস্তবায়নের পাশাপাশি এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বিক্রি ও প্রচার নিষিদ্ধে পৃথক ও কঠোর আইন প্রণয়নের তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সোমবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ, প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট (বাটা) এবং তামাকবিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) আয়োজিত সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণে ৫ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

সুপারিশে তামাক কম্পানির প্রভাব ও কৌশল কঠোরভাবে মোকাবেলা, খুচরা শলাকা বিক্রি, ভ্রাম্যমাণ বিক্রি ও লাইসেন্স ছাড়া তামাকপণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের তামাকজাত পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, পরিবহন, বিক্রি, বিতরণ, মজুদ ও বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করতে পৃথক আইন প্রণয়ন, তামাক চাষনীতি ও তামাক করনীতি প্রণয়ন এবং সংশোধিত আইনের বিধিমালা দ্রুত প্রণয়ন ও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি পাস হওয়া ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধনী) আইন, ২০২৬’ তামাক নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলেও এর সুফল নির্ভর করবে কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। এজন্য মাঠপর্যায়ে আইন প্রয়োগে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনস্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করতে হবে। আইন বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এ সময় বক্তারা বলেন, তামাক ও নিকোটিন কম্পানিগুলো নতুন মোড়ক, আধুনিক উপস্থাপন ও আগ্রাসী বিপণন কৌশলের মাধ্যমে শিশু-কিশোর ও তরুণদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছে। এসব পণ্যকে তুলনামূলক কম ক্ষতিকর বা আধুনিক হিসেবে প্রচার করা হলেও এ ধরনের দাবির পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। বরং এগুলো তরুণদের নিকোটিন নির্ভরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে প্রচলিত তামাকপণ্য ব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে।

সভায় বক্তারা বলেন, সংশোধিত আইনে ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচসহ বিভিন্ন তামাকজাত পণ্য নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব চূড়ান্ত আইনে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। ফলে এসব পণ্য কার্যত নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বাজারে বিক্রি হচ্ছে, যা শিশু, কিশোর ও তরুণদের নিকোটিন আসক্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। তাই তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষায় এসব পণ্যের উৎপাদন, আমদানি, বিপণন ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর আইন প্রণয়ন করতে হবে।

জনগণ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনগণ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে : প্রধানমন্ত্রী
ছবি : পিএমও

জনগণ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সকালে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে এ মন্তব্য করেন করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীন ৮ বীর-এর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনা সদস্যদের পরিচালিত ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন। এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনা সদস্যদের অবস্থান, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি সেনা বাংকারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনা সদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনা সদস্যদের কাছেও গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

সেনা সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখে। জাতীয় সংকট মোকাবেলা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু | কালের কণ্ঠ