• ই-পেপার

নাগরিক প্ল্যাটফরমের ব্রিফিংয়ে দেবপ্রিয়

সামনের দিনে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়ার আশঙ্কা

দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

অনলাইন ডেস্ক
দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শহর শিকাগো রয়েছে বায়ুদূষণের শীর্ষে। যার বায়ুমান স্কোর ৬৫১। এই স্কোর অনুযায়ী শহরের বায়ুর মান খুবই ‘অস্বাস্থ্যকর’। অপর দিকে বাংলাদেশের বায়ুমান স্কোর ১১৬; তালিকায় অবস্থান ১১তম। যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্ববৃহৎ শহর ডেট্রয়েট। যার বায়ুমান স্কোর ৫৪৩। যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর একটি শহর নিউ ইয়র্ক; যার বায়ুমান স্কোর ২২৪। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর; যার বায়ুমান স্কোর ১৮৪। এছাড়া তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬২।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ঝড়ের শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল

অনলাইন ডেস্ক
ঝড়ের শঙ্কা, সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল

দেশের তিন সমুদ্রবন্দরে সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এখনো সতর্কসংকেত বহাল রেখেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

এসংক্রান্ত আবহাওয়া সতর্কবার্তায় বলা হয়ছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ

বাংলাদেশের জনমিতিক সহনশীলতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। একই সঙ্গে প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা, সুস্থ বার্ধক্য এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিউইয়র্কে ইউএনএফপিএ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতার বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।

বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. মনজুর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে ড. তিতুমীর সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, নারীকে কেন্দ্র করে জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য জনমিতিক তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএনএফপিএর আরো সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর তাদের অধিকার নিশ্চিত ও টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

ড. তিতুমীর আরো বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের জন্য জনমিতিক সুফল অর্জনের একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি জনসংখ্যার বয়স কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া দীর্ঘায়ুজনিত সম্ভাবনাকেও উন্নয়নের কাজে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ, বিশেষ করে মা, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। তিনি জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা, ইউএনএফপিএর পরবর্তী কান্ট্রি প্রোগ্রামকে সরকারের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।

ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে বলেন, জনমিতিক সহনশীলতা, প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে, দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জাতীয় মালিকানাবোধ থাকলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরতে ইউএনএফপিএ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

বাসস
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ১৩তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে পূর্বের নিয়মে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ছাড়া প্রতি বছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আলাদাভাবে পালিত হবে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে প্রতি বছর ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস এবং ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন করতো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। কিন্তু সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো দু’টি দিবস একই দিনে পালিত হয়।

কিন্তু বর্ষাকালে একসঙ্গে দুই দিবস উদযাপন করায় যুব র‌্যালি, যুব সমাবেশ ও যুবমেলার মতো কর্মসূচি সফলভাবে আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। ফলে, যুব উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে নানা সমস্যায় পড়েন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, জাতীয় যুব দিবস ছাড়া অন্য সময়ে যুবমেলার আয়োজন করলে কাঙ্ক্ষিত জনসম্পৃক্ততা ও বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জিত হয় না। অন্যদিকে জাতীয় যুব দিবস সরকারি অর্থায়নে উদযাপিত হলেও আন্তর্জাতিক যুব দিবস সাধারণত সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতায় পালিত হয়।

এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস একত্রে ১২ আগস্ট উদযাপনের পরিবর্তে পৃথকভাবে ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস এবং ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে।

সামনের দিনে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়ার আশঙ্কা | কালের কণ্ঠ