kalerkantho

সোমবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৯ নভেম্বর ২০২১। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিডিসিএসও সম্মেলনে স্থানীয়করণ, ঐক্য ও সহিষ্ণুতার আহ্বান

টেকসই উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ অক্টোবর, ২০২১ ১৮:১৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টেকসই উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি প্রয়োজন

টেকসই উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ সামাজিক শক্তি প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা। বুধবার বিডিসিএসও প্রক্রিয়ার বার্ষিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে এই অভিমত প্রকাশ করেন তারা। তারা বলেন, সামাজিক মূলধনকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চারটি নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকে গ্র্যান্ড বার্গেইন, উন্নয়ন কার্যকারিতা এবং চার্টার ফর চেঞ্জ আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতিমালা পূরণ করতে জবে।

‘বৃহত্তর নাগরিক সমাজ সংগঠন বিকাশে অন্তর্ভুক্তিমূলক-সহনশীলতার সংস্কৃতি’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান। বক্তৃতা করেন বৃটিশ হাইকমিশনের ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জুডিথ বারবার্টসন, ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ভলান্টারি অ্যাসোসিয়েশনের ইগনাসিও প্যাকার, বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআর’র প্রতিনিধি জোহানেস ভ্যান ডার ক্লাউ, হিউম্যানিটারিয়ান এইড ইন্টারন্যাশনাল-এর সুধাংশু শেখর সিং (ভারত), বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের শরীফ জামিল, ক্রেডিট ডেভেলপমেন্ট ফোরামের সভাপতি মোর্শেদ আলম সরকার, আরপিএস’র আকবর হোসেন, আফাদ’র  সৈয়দা ইয়সমিন, বিএনএনআরসি’র এএইচএম বজলুর রহমান, মোস্তফা কামাল আকন্দ, ইকবাল উদ্দিন, বিডিসিএসও প্রক্রিয়ার জাতীয় সমন্বয়ক রেজাউল করিম চৌধুরী প্রমুখ।

সম্মেলনে ড. আতিউর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাপী করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে এক ধরনের বর্ণবাদ এবং দ্বন্দ্ব রয়েছে। অথচ বাংলাদেশ তার সীমিত সামর্থ্য নিয়েই লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, এটা আমাদের জণ্য অবশ্যই গর্বের বিষয়। রোহিঙ্গাদেরকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক শক্তি ও সম্প্রদায়ের উদ্যোগ খুবই সীমিত, এটি এটা আমাদের অর্থনীতির ওপর বিশাল চাপ, কিন্ত আমরা তাদের মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশীরা নৈতিকতা ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, আমরা সবার জন্য প্রযুক্তি নিশ্চিত করব।

সুধাংসু শেখর সিং বলেন, অন্তর্ভুক্তি এবং সহনশীলতার ক্ষেত্রে ভিন্নমতকেও শুনতে হবে এবং সমালোচনামূলক সুশীল সমাজ বিকাশের সুযোগ রাখতে হবে। তিনি ধনী দেশের পরামর্শ মতো কাজ না করে তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক সমাজকে তাদের নিজস্ব বিষয়বস্তু তৈরি করার আহ্বান জানান।

জুডিথ হারবার্টসন বলেন, ব্রিটিশ জনগণ স্থানীয়করণ এবং স্থানীয় সুশীল সমাজকে সহযোগিতা করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতিমধ্যে স্থানীয় এনজিও/সিএসওগুলির সাথে যৌথ চাহিদা মূল্যায়ন এবং সমন্বয় কাঠামো রয়েছে আমাদের। ব্রিটিশ সরকার এখানে একটি প্রাণবন্ত সুশীল সমাজ দেখতে চায়।

ইগনাসিও প্যাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যার প্রতি দায়বদ্ধতার উপর গুরুত্ব দেন, এনজিও/সিএসওগুলোকে একে অপরের কথা শুনতে হবে, সুশীল সমাজ হিসাবে আমাদের একটি সাধারণ ন্যূনতম অবস্থান দরকার। স্থানীয়করণের ক্ষেত্রে আমাদের ভাল উদাহরণ তৈরি করতে হবে।



সাতদিনের সেরা