• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২৬ জুলাই)

ব্যয় সংকোচনে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যয় সংকোচনে ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার
ফাইল ছবি

ব্যয় সংকোচন ও জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে গুরুত্ব বিবেচনায় একজন উপদেষ্টা ও ছয় জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীর জন্য এই সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।

একই সঙ্গে ১৮ মন্ত্রীর গানম্যান ও হাউস গার্ড থাকছে। তাঁরা ঢাকার বাইরে সফরে পুলিশ এসকর্ট পাবেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা বহরেও কাটছাঁট করা হয়েছিল।

বর্তমান মন্ত্রিসভায় ২৪ জন পূর্ণ মন্ত্রী ছাড়াও প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা মিলিয়ে আরো ২৫ জন রয়েছেন।

সাধারণত একজন মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্টে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) ও চারজন কনস্টেবলের একটি দল থাকে। তাঁদের চলাচলের জন্য পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান বরাদ্দ থাকে। এসকর্ট দলের বেতন-ভাতা ও গাড়ির জ্বালানি ব্যয় সরকারি কোষাগার থেকে বহন করা হয়।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভিআইপি প্রটোকলে ব্যয় কমাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দেয়।

পরে সেই নির্দেশনা ডিএমপি কমিশনারের কাছে পৌঁছলে গত সপ্তাহ থেকে ১৮ মন্ত্রীর প্রোটেকশন এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়।

যাঁদের জন্য এসকর্ট সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে তাঁরা হলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন; পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

যাঁদের পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে তাঁরা হলেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান; সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম; শিল্প, বস্ত্র, পাট ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর; শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক; তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের; শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ, নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সূত্র জানায়, ভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চলাচলে সুরক্ষা দিতে শুধু ঢাকায়ই এক হাজার ৬৯১ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁরা ৪৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তা দিচ্ছেন।

পুলিশের প্রটোকল তালিকায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও দুদক চেয়ারম্যান রয়েছেন। এ ছাড়া সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে যেকোনো ব্যক্তিকে ভিআইপি মর্যাদা দিতে পারে।

সরকার সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভিআইপি মর্যাদা দিয়েছে। তাঁর নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া বঙ্গভবনে ১৩৫ জন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে ৪০ জন এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নিরাপত্তায় পাঁচজন পুলিশ সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছেন।

ডিএমপির সূত্র জানায়, ঢাকায় ভিআইপি প্রোটেকশনের জন্য দুই হাজার ৫৭৫ জন পুলিশ সদস্য প্রয়োজন হলেও বর্তমানে রয়েছেন এক হাজার ৬৯১ জন। অর্থাৎ ৮৯৬ জন সদস্যের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর শারীরিক ও মানসিক চাপ বাড়ছে।

এ ছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় একাধিক থানা ও পুলিশের স্থাপনায় হামলায় অনেক প্রোটেকশন গাড়ি পুড়ে যাওয়ায় বর্তমানে গাড়ির সংকটও প্রকট হয়ে উঠেছে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাবাহিনী প্রধান
সংগৃহীত ছবি

তুরস্কে পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, তুরস্ক পৌঁছে সেনাবাহিনী প্রধান সেদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ আনিতকাবির-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সফরকালে, সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াসার গুলার, তুর্কি চিপ অব দ্য জেনারেল স্টাফ সেলচুক বায়রাকতারোগলু, তুর্কি স্থল বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল ও ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনক ইয়েতকিন-এর সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

এছাড়াও, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তুরস্কের ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি এজেন্সি (এসএবি)-এর প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন। তুর্কি স্থল বাহিনীর সদরদপ্তর পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

সফরের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী প্রধান তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে এএসআইএসগার্ড, তুর্কি অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (তুসাস), এমকেই (Makine ve Kimya Endüstrisi A.Ş.), সারসিলমাজ (SARSILMAZ), এসটিএম (Savunma Teknolojileri Mühendislik ve Ticaret A.Ş.), রকেটসান (Rocket Industry and Trade Inc.), আসিলসান (Askerî Elektronik Sanayi) এবং বায়াকার টেকনোলজি (Baykar Teknoloji) উল্লেখযোগ্য।

পরিদর্শনকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থা, গবেষণা ও উন্নয়ন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, উদ্ভাবনী কার্যক্রম, প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত হন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়েও আলোচনা করেন।

সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্প, সামরিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।

পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, গঠন হচ্ছে কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়নে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান, গঠন হচ্ছে কমিটি

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বগুড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন, শুধু শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাড়ি বগুড়া হওয়ার কারণে এ অঞ্চল দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকার সেই বৈষম্য দূর করে বগুড়াকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসতে কাজ করছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় বগুড়া জেলা প্রশাসন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বগুড়া জেলা ও বগুড়া সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মতবিনিময় সভায় পিছিয়ে পড়া বগুড়ার দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, কোনো প্রকল্প দায়সারাভাবে প্রণয়ন বা মনিটরিং করা যাবে না। দায়িত্ব পালনে অবহেলা কিংবা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বগুড়া জেলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প এবং জেলার ১২টি পৌরসভার উন্নয়নে আরো প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই এসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হবে, যা বগুড়ার অবকাঠামো ও নাগরিক সেবায় নতুন গতি আনবে। ২০ বছর পিছিয়ে পড়া বগুড়ার উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে কাজ করা হচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা সড়ক, ড্রেনেজ, পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

বগুড়া জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, বগুড়া-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মুহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ মিলটন, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনি, বিভাগীয় কমিশনার আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ উজ্জ্বল হোসাইনসহ জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

অনলাইন ডেস্ক
যেসব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত
ফাইল ছবি

দেশের ৭ জেলার ওপর দিয়ে রবিবার সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ৯টা থেকে রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।