• ই-পেপার

শুরু হলো গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান

বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায়

সাবরেজিস্ট্রারদের পদোন্নতি শিগগিরই

অনলাইন ডেস্ক
সাবরেজিস্ট্রারদের পদোন্নতি শিগগিরই
সংগৃহীত ছবি

নিবন্ধন অধিদপ্তরের বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায় শূন্য থাকা সাবরেজিস্ট্রারের ১৫টি পদে পদোন্নতির কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, পদোন্নতি ও নতুন নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ হলে শূন্য পদগুলোতে দ্রুত পদায়ন করা হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ২০তম কার্যদিবসে প্রশ্নোত্তর পর্বে লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাসান রাজীব প্রধানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, নিবন্ধন অধিদপ্তরে বর্তমানে সাবরেজিস্ট্রারের ১২৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে বিভাগীয় ৫ শতাংশ কোটায় পদোন্নতিযোগ্য ১৫টি পদ এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে নিয়োগযোগ্য ১১০টি পদ রয়েছে।

তিনি বলেন, যেসব স্থানে নিয়মিত সাবরেজিস্ট্রার পদায়ন করা সম্ভব হয়নি, সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সাবরেজিস্ট্রাররা দায়িত্ব পালন করছেন। বিভাগীয় কোটার ১৫টি পদে পদোন্নতি দিতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে অবশিষ্ট ১১০টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিধি অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরো জানান, পিএসসির সুপারিশ পাওয়া কিংবা বিভাগীয় পদোন্নতির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সাবরেজিস্ট্রি অফিসসহ শূন্য থাকা বিভিন্ন কার্যালয়ে পর্যায়ক্রমে সাবরেজিস্ট্রার পদায়ন করা হবে।

শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর একটি জাতির অগ্রগতি নির্ভর করে না : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর একটি জাতির অগ্রগতি নির্ভর করে না : প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘একটি জাতির অগ্রগতি শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের ওপর নির্ভর করে না; তা নির্ভর করে সুস্থ, দক্ষ ও মানবিক জনগোষ্ঠীর ওপর। আর সেই ভিত্তি নির্মাণে মানসম্মত চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ভূমিকা অপরিসীম।’

দেশের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিকাশে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই ধারাকে আরো শক্তিশালী করতে সরকার স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা, শিক্ষা, গবেষণা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ৮০ বছর পূর্তি ও ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ ‘পিএমও বাংলাদেশ’-এ এক শুভেচ্ছা বার্তায় প্রাক্তন, বর্তমান ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পোস্টে তিনি বলেন, ‘১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠার পর থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ দেশের চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে উঠেছে। দীর্ঘ এই পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক চিকিৎসক তৈরি করেছে, যারা দেশে ও বিদেশে পেশাগত উৎকর্ষ, নেতৃত্ব এবং সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রেখেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, জাতীয় সংকট, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রতিনিয়ত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের অবদান জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। বর্তমান বিশ্বে চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গবেষণাভিত্তিক জ্ঞানচর্চা এবং আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি স্বাস্থ্য খাতকে নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ তার গৌরবময় ঐতিহ্য ধারণ করে আগামী দিনেও বিশ্বমানের চিকিৎসক, গবেষক ও স্বাস্থ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে এবং স্বাস্থ্য গবেষণায় নিয়োজিত চিকিৎসকরা দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরো সমৃদ্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ‘৮০ বছরের গৌরবময় অভিজ্ঞতা এবং ৮১তম প্রতিষ্ঠাদিবসের প্রেরণাকে ধারণ করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ভবিষ্যতেও জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা ও সেবার ক্ষেত্রে উৎকর্ষের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে, এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পরিবারের দেশে-বিদেশে সুপ্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চিকিৎসকরা আগামী দিনেও দেশ ও জাতির কল্যাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। আপনাদের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণ ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা সহায়তা ও জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে রোগী সাধারণের কল্যাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। এতে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আপনাদের ঋণ কিছুটা হলেও শোধ হবে।’

৫ নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

বাসস
৫ নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবের কারণে দ্বীপ জেলা ভোলায় বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করেছে। মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

মঙ্গলবার সকালে থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় থেমে থেমে হালকা থেকে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর ও নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি করায় ভোলা-মনপুরা-হাকিমুদ্দনসহ ৫টি নৌ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলায় ৫৩.৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান ভোলার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক মো. মাহাবুবুর রহমান। 

এদিকে অতি জোয়ার ও নদী উত্তাল থাকায় মেঘনা নদীতে জেলে নৌকার পাশাপাশি লঞ্চ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন নদী এলাকার জেলেরা মাছ ধরা থেকে বিরত রয়েছেন।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবি) প্রকৌশলী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাসানুজ্জামান বাসসকে জানান, তাদের সর্বশেষে পর্যবেক্ষণে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর ভোলা নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বাসসকে জানিয়েছেন, সমুদ্রে ৩ নম্বর ও নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত জারি হওয়ায় ভোলা জেলার মনপুরা-হাকিমুদ্দিনসহ অভ্যন্তরীণ ৫টি নৌ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর-ঢাকা রুটে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল সোয়া ৪টা নাগাদ জেলাব্যাপী ভারি ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়া বইছিল।

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে আলোচনা

নেপালের জাতীয় পরিকল্পনা কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান গুনাকর ভট্টের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাঠমাণ্ডুতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. শফিকুর রহমান। আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) গুনাকর ভট্টের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উভয় পক্ষ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সংযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ জোরদারসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং উভয় দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক অন্যান্য ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিভিন্ন উপায় ও সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষা‌তে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে সুষ্ঠু উত্তরণ নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-নেপাল দ্বিপাক্ষিক অংশীদারি আরো গভীরতর করা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতা এগিয়ে নিতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
 

শুরু হলো গণটিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রদান | কালের কণ্ঠ