kalerkantho

বুধবার । ১২ কার্তিক ১৪২৭। ২৮ অক্টোবর ২০২০। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২১:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অ্যাটর্নি জেনারেলের মৃত্যুতে প্রধান বিচারপতির শোক

রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

প্রধান বিচারপতি আজ রবিবার এক শোকাবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

প্রধান বিচারপতি শোকাবার্তায় বলা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সঙ্গে তার ২৮ বছরের সুসম্পর্ক ছিল। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল মাহবুবে আলম অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে গিয়েছেন। একজন আইনজীবী হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। তিনি অত্যন্ত গুণী, নির্লোভ এবং নির্মোহ একজন ব্যক্তি ছিলেন। আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। আইন অঙ্গনে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। তাঁর মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

মাহবুবে আলম রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন(ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী বিনতা মাহবুব, একছেলে সুমন মাহবুব ও একমেয়ে শিশির কনাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি জ্বর ও গলা ব্যাথা নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর সিএমএইচ-এ ভর্তি হন। ওইদিনই তার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। এরইমধ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি করোনামুক্ত হন। সেদিন তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু এরপরই তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট-এ(আইসিইউ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল) হিসেবে নিয়োগ পান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত টানা ১১ বছর ধরে তিনি এ পদে বহাল ছিলেন। পদাধিকার বলে তিনি আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন। 

মাহবুবে আলম ১৯৪৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মৌছামান্দ্রা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৩-৯৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতিও নির্বাচিত হন। তিনি ২০০৪-২০০৭ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা