• ই-পেপার

কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু

৩০০ ফিটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোডাউন

অনলাইন ডেস্ক
৩০০ ফিটে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বর্ণাঢ্য শোডাউন
সংগৃহীত ছবি

 

রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় হাজার হাজার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা একটি বর্ণাঢ্য আনন্দমিছিল ও শোডাউন করেছেন। বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠা সমর্থকেরা এ সময় প্রিয় দলের বিশাল পতাকা ও জার্সি হাতে নিয়ে মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে আনন্দমিছিল করেন এবং স্লোগানে পুরো এলাকা মাতিয়ে রাখেন।

শুক্রবার অনুষ্ঠিত এ আনন্দমিছিলে অংশ নেন রাজধানী ও আশপাশ এলাকার আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। 

আনন্দমিছিলে অংশ নেওয়া এক সমর্থক বলেন, আরেকটা বিশ্বকাপ চাই আমরা। মেসির কাছ থেকে আরেকটা। লাস্ট একটা বিশ্বকাপ। তিনটা না, আরেকটা লাগবে। এই তরুণ প্রজন্ম বিগত দিনে দেখেছে কোয়ার্টার ফাইনাল অতিক্রম করতে পারে নাই। এবারও পারবে না, এবারও পারবে না। ভাই, পারবে না। ভাই, পারবে না। পারবে না।

আনন্দ মিছিলে অংশ নিতে চট্টগ্রাম আসা এক সমর্থক জানান, এই আনন্দমিছিলের প্রচারণা এত বেশি ছড়িয়ে গেছে যে এটা যখন পোস্ট করছে, আমি চিটাগং থেকে এখানে আসছি। শুধুমাত্র এটায় এটেন্ড করার জন্য। আমরা, ইনশাল্লাহ, ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হব। এটাই আমাদের আশা। ইনশাল্লাহ, অবশ্যই এবার চ্যাম্পিয়ন হবে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনা সমর্থনকারী এক দম্পতি জানান, আমার বাবাও ছিল আর্জেন্টিনা। এজন্য ছোটবেলা থেকে আমিও আর্জেন্টিনা। আমার হাসবেন্ডও আর্জেন্টিনা। এখন আমার বেবিও। প্রত্যাশা তো অবশ্যই যে আমরা বিশ্বকাপ জিতব। বাকিটা দেখি কি হয়। 
 

শাহবাগ স্টেশনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বিড়াল, সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রো রেল

অনলাইন ডেস্ক
শাহবাগ স্টেশনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বিড়াল, সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রো রেল

রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় মেট্রো রেলের বৈদ্যুতিক লাইনে একটি বিড়াল উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঘটনায় সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো রেল চলাচল। প্রায় ২৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জানা গেছে, শাহবাগ মেট্রোরেল স্টেশনের বৈদ্যুতিক লাইনে একটি বিড়াল উঠে গেলে তা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। দুর্ঘটনা এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো রুটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে স্টেশনের মাইকিংয়ে যাত্রীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়।

হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় চলন্ত ট্রেনের ভেতরে থাকা যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। বিদ্যুৎ না থাকায় ট্রেনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা (এসি) বন্ধ হয়ে যায়। এতে বদ্ধ বগির ভেতরে দীর্ঘ সময় আটকে থেকে অনেক যাত্রী হাঁসফাঁস পরিস্থিতির মুখে পড়েন।

পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হওয়ায় অনেক যাত্রী ট্রেন থেকে নেমে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় শাহবাগ, ফার্মগেট, মিরপুর, উত্তরা ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ পড়ে সড়কের গণপরিবহনেও।

মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, লাইনে আকস্মিক কারিগরি জটিলতা দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে কারিগরি দল দ্রুত সমস্যার সমাধান করলে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা হয় এবং মেট্রো রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে ঘটনার বিষয়ে ডিএমটিসিএলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকার বৃষ্টি-তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকার বৃষ্টি-তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

শনিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা। এ ছাড়া বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতেপারে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৪৩ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। 
 

ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

কলকারখানার পরে বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ যানবাহন বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিশু ও গর্ভবতী নারীরা

অনলাইন ডেস্ক
ধোঁয়ায় আটকা ঢাকাবাসী

রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণের কারণে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কলকারখানার পরে বায়ুদূষণের অন্যতম কারণ রাজধানীতে চলাচলকারী বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার, মিনিবাস, নসিমন, লেগুনাসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া। এ ছাড়াও বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট, সিমেন্ট ফ্যাক্টরি, বর্জ্য পোড়ানো, ঢাকার আশপাশের এলাকার ইটভাটা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ার কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।

কালো ধোঁয়ায় অবস্থিত কার্বন মনো-অক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো বিষাক্ত পদার্র্থ বায়ুদূষণকে আরো বিষাক্ত করে তুলছে। এতে মানুষ হাঁপানি, হৃদরোগ, একজিমা, ফুসফুসের ক্যানসারের মতো রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। কালো ধোঁয়ায় একপ্রকার আটকা পড়েছে ঢাকাবাসী।

রাজধানীর উত্তরা, আজমপুর, এয়ারপোর্ট, বনানী, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, তেজগাঁও, গুলশান, বাড্ডা, রামপুরার মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে সিগন্যালে সরেজমিন দেখা গেছে, চলাচলরত বেশির ভাগ যানবাহন থেকেই নির্গত হচ্ছে কালো ধোঁয়া। সিগন্যাল ছাড়লে, ফ্লাইওভার-এক্সপ্রেসওয়েতে উঠতে, কোথাও থেকে যাত্রী নামিয়ে বা উঠিয়ে গাড়ি ছাড়লেই বের হচ্ছে কালো ধোঁয়া। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

উত্তরা আজমপুরে আট বছরের ছেলেকে নিয়ে রিকশার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন রত্না আক্তার। পাশ দিয়ে একটি বাস কালো ধোঁয়া উড়িয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ছেলেকে মাস্ক পরিয়ে দেন আর তিনিও ওড়না দিয়ে মুখ ঢাকেন।

রত্না আক্তার বলেন, রাস্তায় বের হলে মাস্ক নিয়ে বের হতে হয়। ঢাকায় মাস্ক ছাড়া চলাচল করা সম্ভব নয়। পরিষ্কার বাতাস নেই, তার ওপর গাড়ির কালো ধোঁয়া। বসবাসের অযোগ্য হয়ে গেছে ঢাকা শহর। কিছুদিন আগে ছেলেকে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যার কারণে ডাক্তার দেখাতে হয়েছে। ডাক্তার বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করতে বলেছেন।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্ষব্যাধি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, বায়ুদূষণের কারণে মানুষের ফুসফুসের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় এবং একে ফুসফুসের ঘাতক বলা হয়। এ ছাড়া এসব কালো ধোঁয়ায় অবস্থিত ঘাতক পদার্থগুলোর কারণে কাশি, অ্যাজমা, ব্রঙ্কাইটিস, একজিমার মতো রোগ দেখা দেয়। এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এ ছাড়া হৃদরোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই বায়ুদূষণকে নতুন তামাক হিসেবে ঘোষণা করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

তিনি বলেন, বায়ুদূষণের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগে শিশু ও গর্ভবতী নারীরা। শিশুদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। আগে রোগী এলে আমরা বলতাম ধূমপানের কারণে এমন রোগ হয়েছে। এখন রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গর্ভবতী নারী ও শিশু। গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় বাচ্চা জন্ম হলে ওজন কম হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেন, কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। কলকারখানার পরে যানবাহনের কালো ধোঁয়া বায়ুদূষণ করে। এ ছাড়া ঢাকার আশপাশের এলাকায় কাঠ পোড়ানো, বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি, রড-সিমেন্ট ফ্যাক্টরি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়াও বায়ুদূষণের জন্য দায়ী।

তিনি জানান, ঢাকায় কালো ধোঁয়া বের হয় এমন গাড়িকে ধরে ডাম্প করা হয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং ট্রাফিক পুলিশ মোবাইল কোর্ট বসিয়ে এসব যানবাহনকে জরিমানা করা হয়। পুলিশ গাড়ি ডাম্প করার পরও টাকা দিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়ে আবার রাস্তায় নামানো হয় বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনাগ্রহী ঢাকা ট্রাফিক পুলিশের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ঢাকায় চলা প্রতিটি গাড়ির নামে দুইয়ের অধিক মামলা রয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন