• ই-পেপার

ক্রীড়া পরিষদের সুইমিংপুল ভেঙে ৩০ তলা ভবন

দুই দফায় চাকরিজীবীদের ৪ দিন করে ছুটির সুযোগ

অনলাইন ডেস্ক
দুই দফায় চাকরিজীবীদের ৪ দিন করে ছুটির সুযোগ

আগামী আগস্ট মাসে দুই দফায় দুদিন ছুটি পেতে যাচ্ছেন সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে এ ছুটি মিলতে যাচ্ছে।

আগস্ট মাসের সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, আগামী ৫ আগস্ট (বুধবার) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দিন ৬ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) যথারীতি অফিস খোলা থাকবে।

এছাড়া আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত রয়েছে। এরপরের দিন অর্থ্যাৎ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) যথারীতি অফিস খোলা থাকবে।

তবে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটি বুধবার হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য লম্বা ছুটির সুযোগ রয়েছে। যদি কেউ ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এর ছুটির সঙ্গে বৃহস্পতিবার নৈমিত্তিক ছুটি নিতে পারেন তবে পরের দুদিন যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সেক্ষেত্রে এ ছুটি হবে চার দিনের।

একইভাবে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটির সঙ্গে এক দিনের ছুটি নিতে পারলে মিলবে ফের চার দিনের ছুটি।

এদিকে, অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকে। সেক্ষেত্রে তাদের ক্ষেত্রেও এ দীর্ঘ কাটানোর সুযোগ রয়েছে। সেক্ষেত্রেও একইভাবে তাদের দুই দফায় বৃহস্পতিবার ছুটি নিতে হবে।

এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এক দিন বাড়তি ছুটিসহ টানা সাত দিনের দীর্ঘ অবকাশ পেয়েছিলেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সে সময় সাধারণ ছুটির পরিধিও বাড়িয়েছিল সরকার।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে : অর্থমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রামের বন্যায় প্রায় সাত লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরই মধ্যে এক লাখ মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজও শুরু হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে চাল, রান্না করা খাবার ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। পুনর্বাসন কার্যক্রমও এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এবং পুরোপুরি পুনর্বাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

বন্যার কারণে অনেক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব সড়ক দ্রুত মেরামতের জন্য এরই মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং কাজও শুরু হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণ শেষে অর্থমন্ত্রী পতেঙ্গা থেকে চন্দনাইশের উদ্দেশে রওনা দেন। পরে তিনি সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করবেন।

গ্রামীণ দরিদ্রদের কম দামে এলপিজি দেবে সরকার

অনলাইন ডেস্ক
গ্রামীণ দরিদ্রদের কম দামে এলপিজি দেবে সরকার

গ্রামের অসচ্ছল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর রান্নার জ্বালানি হিসেবে কাঠ, খড়কুটো ও ঘুঁটের ব্যবহার কমিয়ে এলপিজিকে সহজলভ্য করতে ভর্তুকি দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সুলভমূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।

বিশেষজ্ঞ ও খাতসংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে আগামীর সময়-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারের এই উদ্যোগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতি, পরিবেশ রক্ষা এবং জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হবে।

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিসিসে (আইইইএফএ) বাংলাদেশের জ্বালানি খাতবিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক হিসেবে কাজ করছেন শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, এটা খবুই ভালো উদ্যোগ। প্রতিবেশী ভারতেও এমন সুবিধা দেওয়া হয় এবং এটি সেখানে বেশ কার্যকর। কিন্তু গ্রামের অসচ্ছল মানুষের পাশাপাশি ঢাকা ও অন্যান্য শহরে বস্তিতে বসবাস করা অনেক দরিদ্র মানুষ রয়েছেন। তাদেরও এই সুবিধার আওতায় আনা দরকার।

এই উদ্যোগ সফল করতে তার পরামর্শ হলো সবার আগে প্রকৃত অসচ্ছল পরিবারগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে স্বচ্ছ ডাটাবেস তৈরি করা। একই সঙ্গে ভর্তুকি মূল্যের এই সিলিন্ডারগুলো যেন বাণিজ্যিক উদ্দেশে বা কোনো চায়ের দোকানে পাচার না হয়, তা নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

দীর্ঘদিন ধরে দেশের একটি বিশাল অংশ রান্নার কাজে প্রথাগত কাঠ, খড়কুটো কিংবা ঘুঁটের ওপর নির্ভরশীল। এর ফলে একদিকে যেমন নির্বিচারে বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে চুলার ক্ষতিকর ধোঁয়া গ্রামীণ নারী ও শিশুদের ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি করছে।

অবশ্য গ্রামের সচ্ছল মানুষদের কেউ কেউ এখন এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করছেন। কিন্তু আকাশছোঁয়া দামের কারণে তারা তা নিয়মিত ব্যবহার করতে পারছেন না।

মূলত বাসাবাড়িতে রান্নায়, কারখানা, বাণিজ্যিক ও গাড়ির জ্বালানি হিসেবে (অটো গ্যাস) ব্যবহার হচ্ছে এলপিজি। গত ৭ বছরে দেশে এলপিজির ব্যবহার দ্বিগুণের বেশি বেড়ে ১৫ লাখ টন ছাড়িয়েছে। এলপিজির ৮০ শতাংশই ব্যবহার হয় বাসাবাড়িতে। বর্তমানে এই জ্বালানির গড় মাসিক বাজার ১ লাখ ৩০ হাজার টন।

দেশে সরবরাহ করা এলপিজির ৯৮ শতাংশই আসছে বেসরকারিভাবে। মাত্র ২ শতাংশ এলপিজি সরকারিভাবে সরবরাহ হচ্ছে। কিন্তু সরকারি এ এলপিজি সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। বর্তমানে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা। দীর্ঘদিন ধরেই এ দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা এলপিজির দাম দ্বিগুণ থেকে কখনো কখনো আরো বেশি হয়। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন প্রতি মাসে এলপিজির দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে সেই দামে কখনোই পাওয়া যায়। নানা অজুহাতে খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছামতো বাড়তি দাম আদায় করছে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তাদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জ্বালানিসংকট সমাধানে নানা ধরনের মডেল ও বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে। দরিদ্র পরিবারে সুলভমূল্যে বা বিনা মূল্যে এলপিজি সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সফল প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। দেশটিতে দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা বহু পরিবারকে বিনা মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার ও রেগুলেটর সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ভারতের এই ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো সরাসরি ব্যাংকে ভর্তুকি দেওয়া। সেখানে গ্রাহকরা বাজারমূল্যেই সিলিন্ডার কেনেন, কিন্তু সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ ভর্তুকির টাকা সরাসরি দরিদ্র সুবিধাভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দুর্নীতি বা কালোবাজারির সুযোগ থাকে না।

অন্যদিকে, পাকিস্তানে শীতকালে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসচ্ছল পরিবারের জন্য মাঝে মাঝে কোটা বা কম দামে সিলিন্ডার সরবরাহের অস্থায়ী ঘোষণা দেওয়া হয়।

দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

অনলাইন ডেস্ক
দূষণে শীর্ষে শিকাগো, ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই। এমন অবস্থায় আমেরিকার তৃতীয় বৃহত্তম শহর শিকাগো রয়েছে বায়ুদূষণের শীর্ষে। যার বায়ুমান স্কোর ৬৫১। এই স্কোর অনুযায়ী শহরের বায়ুর মান খুবই ‘অস্বাস্থ্যকর’। অপর দিকে বাংলাদেশের বায়ুমান স্কোর ১১৬; তালিকায় অবস্থান ১১তম। যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকালে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সর্ববৃহৎ শহর ডেট্রয়েট। যার বায়ুমান স্কোর ৫৪৩। যা খুবই অস্বাস্থ্যকর। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর একটি শহর নিউ ইয়র্ক; যার বায়ুমান স্কোর ২২৪। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর; যার বায়ুমান স্কোর ১৮৪। এছাড়া তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা। যার বায়ুমান স্কোর ১৬২।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।

এ ছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

ক্রীড়া পরিষদের সুইমিংপুল ভেঙে ৩০ তলা ভবন | কালের কণ্ঠ