• ই-পেপার

ইউএনওর ওপর হামলায় জনগণ আতঙ্কিত : চরমোনাই পীর

অবসরের ৯ দিন পর পাওয়া পদোন্নতি বাতিল করল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
অবসরের ৯ দিন পর পাওয়া পদোন্নতি বাতিল করল সরকার

অবসরে যাওয়ার ৯ দিন পর যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া এক কর্মকর্তার পদোন্নতি বাতিল করেছে সরকার। এ বিষয়ে শনিবার (১১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পাওয়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব মাইনুল হক ভূঁইয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অংশটুকু বাতিল করা হলো।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার পদোন্নতি বাতিলের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চাকরিতে কর্মরত না থাকলে পদোন্নতি কার্যকর করার সুযোগ নেই। সে কারণেই অবসরে যাওয়ার পর দেওয়া পদোন্নতির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তা বাতিল করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব হয়েছেন ১৭৯ জন কর্মকর্তা। সেই তালিকায় ৫৩ নম্বরে ছিলেন মাইনুল হক।

গত ৩০ জুন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে ওই কর্মকর্তা চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন।

তবে এর ৯ দিন পর যুগ্ম সচিব পদে ১৭৯ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে তার নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাইনুল হকের বয়স ৫৯ বছরপূর্তি হওয়ায় সরকারি চাকরি আইনে তাকে অবসরে পাঠানো হয়।

একই ব্যক্তিকে একদিকে অবসরে পাঠানো, অন্যদিকে অবসরের পর পদোন্নতি দেওয়ার ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এর ফলে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রজ্ঞাপন বাতিল করল সরকার।

কেরানীগঞ্জে প্রস্তাবিত বাস টার্মিনাল ও গাবতলীতে পাইকারি কাঁচাবাজারের স্থান পরিদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কেরানীগঞ্জে প্রস্তাবিত বাস টার্মিনাল ও গাবতলীতে পাইকারি কাঁচাবাজারের স্থান পরিদর্শন
ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর যানজট নিরসন, গণপরিবহন ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং পাইকারি বাজার ব্যবস্থাকে আরো সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে কেরানীগঞ্জে প্রস্তাবিত আধুনিক বহুতল বাস টার্মিনাল এবং মিরপুর গাবতলীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রস্তাবিত পাইকারি কাঁচাবাজারের স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টায় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এমপির নেতৃত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শন দল কেরানীগঞ্জ উপজেলার বাঘৈর মৌজাস্থ প্রিয় প্রাঙ্গণ আবাসিক প্রকল্পের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আনিসুর রহমান, ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি), ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এম এ বাতেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল আলম, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মো. আবুল কাসেমসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা ও পরিবহন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

পরিদর্শনকালে প্রতিনিধিরা স্থানটির যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সক্ষমতা এবং আধুনিক বহুতল বাস টার্মিনাল নির্মাণের সম্ভাব্যতা বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সব কর্মকর্তা ও প্রতিনিধি রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের স্বার্থে উক্ত স্থানে আধুনিক বহুতল বাস টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

পরবর্তীতে পরিদর্শন দল মিরপুর গাবতলী দ্বীপনগর এলাকায় ডিএনসিসির প্রস্তাবিত পাইকারি কাঁচাবাজারের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার এবং ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

স্থান পরিদর্শন শেষে কারওয়ান বাজারের বিদ্যমান পাইকারি কাঁচাবাজার ও আড়ত গাবতলীর প্রস্তাবিত স্থানে স্থানান্তরের বিষয়টি উচ্চ পর্যায়ে উপস্থাপন করা এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে সমন্বিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

টানা বৃষ্টি কত দিন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক
টানা বৃষ্টি কত দিন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর
সংগৃহীত ছবি

দেশে কয়েক দিন ধরে টানা ভারি বৃষ্টি হচ্ছে। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত সাত জেলার নিম্নাঞ্চলে প্লাবিত হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশে লঘুচাপের প্রভাব নেই। মূলত মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সারা দেশে বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। বৃষ্টিপাত আরো অন্তত পাঁচ দিন থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৬১, সিলেট বিভাগে ৯৮, খুলনায় ১২৫, বরিশালে ৩৯, ময়মনসিংহে ২১, ঢাকায় ১৮২, রাজশাহীতে ১৬৩ এবং রংপুর বিভাগে ১৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রের্কড করা হয়েছে।

এদিকে শনিবার বৃহত্তর চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি লক্ষ করা গেছে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। সংস্থাটি জানিয়েছে, উজানে বৃষ্টি কমে আসা, পানি নিষ্কাশনে উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ কেটে দেওয়ায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরে ও উজানে ভারি বৃষ্টির কারণে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সর্দার উদয় রায়হান কালের কণ্ঠকে বলেন, দেশের অভ্যন্তরে টানা ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত কমে আসা সঙ্গে নিষ্কাশনে উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ কেটে দেওয়ায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সিলেট, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। 

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার চার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে বইছিল। বৃহত্তর চট্টগ্রামের বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতি হতে পারে। মাতামুহুরী, সেলোনিয়া ও গোমতী নদীর পানি হ্রাস পেয়েছে। হালদা, সাঙ্গু, মুহুরী ও ফেনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতি হতে পারে। এ ছাড়া লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। সাঙ্গু নদীর বান্দরবান পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বেড়ে পেয়ে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার ওপরে এবং দোহাজারী পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটর কমে বিপৎসীমার ১৯ সেমি ওপরে বইছিল। মাতামুহুরী নদীর লামা ও চিরিংগা পয়েন্টে বিপৎসীমার নিচে বইছিল।

সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। কুশিয়ারা নদীর সিলেট ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১১  সেন্টিমিটার বেড়ে পেয়ে বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপরে এবং সুনামগঞ্জ জেলার মারকুলি পয়েন্টে ১ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার ওপরে বইছিল। খোয়াই নদীর হবিগঞ্জ জেলার বাল্লা পয়েন্টে ৫৯ সেন্টিমিটার কমে এখনো ১ সেন্টিমিটার ওপরে বইছিল। মনু নদীর মৌলভীবাজার জেলার মৌলভীবাজার পয়েন্টে ৪২ সেন্টিমিটার কমে এখনো বিপৎসীমার ৩৮ সেন্টিমিটার ওপরে বইছিল। এ ছাড়া সারি, গোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই-কংস নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপরে বইছিল ও নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতলে বেড়ে কিছু কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপরে বইছিল। নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি হতে পারে।

পে স্কেলের গেজেট যেভাবে চূড়ান্ত হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেলের গেজেট যেভাবে চূড়ান্ত হচ্ছে
সংগৃহীত ছবি

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের পথে নানা ধরনের জটিলতায় এর গেজেট প্রকাশ পিছিয়ে যাচ্ছে। যদিও সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী জুলাই থেকেই এটি বাস্তবায়ন হবে। বেতন কমিশনের সুপারিশ, সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের প্রভাব এবং ভাতা কাঠামো—সবকিছু সমন্বয় করতে গিয়েই জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এটি কোনো নীতিগত বিলম্ব নয়; বরং প্রশাসনিক, আর্থিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই সময় লাগছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের কারণে পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া পে স্কেলের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়নের সুযোগ দেখছে না সরকার। রাজস্ব আয়ের চাপ, বাজেট ঘাটতি, ঋণ পরিশোধের দায় এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় প্রস্তাবিত কাঠামোর বিভিন্ন অংশ পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে।

সূত্রগুলো জানায়, বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ কয়েকটি ভাতা ও সুযোগ সুবিধায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, নবম পে স্কেল কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই থেকে। ফলে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হলে ওই তারিখ থেকেই বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল দুই অর্থবছরে সর্বোচ্চ তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে মূল বেতন কার্যকর করা হতে পারে। এরপর আগামী অর্থবছরের শুরুতে বাড়িভাড়া এবং একই অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে, অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে অন্যান্য ভাতা কার্যকর করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া সচিব কমিটির আলোচনায় গ্রেড ১১ থেকে ২০ পর্যন্ত কর্মচারীদের মূল বেতন ও ভাতা তুলনামূলক বেশি এবং গ্রেড ১ থেকে ১০ পর্যন্ত কম হারে বৃদ্ধির সুপারিশের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। এর আগে সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ থাকলেও বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতির কারণে তা পুরোপুরি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম বলে জানা গেছে।

ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সফটওয়্যার হালনাগাদ, হিসাবরক্ষণ, পেনশন পুনর্নির্ধারণ এবং বেতন সমন্বয়সহ বেশ কিছু প্রযুক্তিগত জটিলতাও রয়েছে। এসব বিষয় কীভাবে সহজ করা যায়, তা নিয়েও কাজ করছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি।

গত সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির পঞ্চম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, পে স্কেলের বিষয়টি তাড়াহুড়া করে নয়, বরং নির্ধারিত প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এগিয়ে নেওয়া হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, পে স্কেল দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায়বদ্ধতার বিষয়। তাই প্রতিটি সুপারিশের আর্থিক প্রভাব, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং আইনগত দিক যাচাই করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, চলতি জুলাই মাসের শেষ নাগাদ সচিব কমিটি তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জমা দিতে পারে। এর আগে আরো দুটি বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মতামত, সরকারের আর্থিক সক্ষমতা, বাস্তবায়ন কৌশল এবং ধাপভিত্তিক কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সচিব কমিটির সুপারিশ জমা দেওয়ার পর বিষয়টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। এরপর প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং এবং সরকারি গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়েই নবম পে স্কেল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

ইউএনওর ওপর হামলায় জনগণ আতঙ্কিত : চরমোনাই পীর | কালের কণ্ঠ