• ই-পেপার

টাক মাথায় চুল গজাতে বায়োটিন গামি কেমন কাজ করে?

ক্যান্সার মানেই কি সব শেষ, যেসব লক্ষণে চিকিৎসকের কাছে যাবেন

অনলাইন ডেস্ক
ক্যান্সার মানেই কি সব শেষ, যেসব লক্ষণে চিকিৎসকের কাছে যাবেন
সংগৃহীত ছবি

ক্যান্সার মানেই অনেকের কাছে মৃত্যুর আর এক নাম। ক্যান্সার আতঙ্কে অনেকে ধরেই নেন এখানেই সব শেষ। তবে সব ক্যান্সার কিন্তু এক নয়। কিছু ক্যান্সার নিরাময় করা যায় তবে অবশ্যই শুরুতে শনাক্ত হতে হবে। চিকিৎসকরা বলেন প্রথম পর্যায়ে। তবে সব ধরনের ক্যান্সার সমান জটিল নয়। কিছু ক্যান্সার রয়েছে, যেগুলো শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। চিকিৎসকদের মতে, থাইরয়েড ক্যান্সার তেমনই একটি রোগ।

হিন্দুস্তান টাইমসে ভারতের নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ ডা. কার্তিক কৃষ্ণন ব্লেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসা তুলনামূলক সহজ এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ জীবনে ফিরতে পারেন।

কেন থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসা সহজ?

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় থাইরয়েড ক্যান্সার চিকিৎসা নিলে নিরাময় হয়। এ নিয়ে ডা. কার্তিক কৃষ্ণন বলেন, থাইরয়েড ক্যান্সারের বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে না। ফলে রোগটি শুরুতেই শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসা সহজ হয় এবং শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও অনেক কমে যায়।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, থাইরয়েড ক্যান্সারের সব ধরন এক রকম নয়। কিছু ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় খুব ভালো সাফল্য মিললেও, কিছু ধরন তুলনামূলক জটিল হতে পারে। তাই সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যেসব লক্ষণ কখনোই অবহেলা করবেন না

থাইরয়েড ক্যান্সারের একটি বড় সুবিধা হলো, এটি অনেক সময় শুরুতেই কিছু দৃশ্যমান লক্ষণ দেখা দেয়। তাই এসব পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিলে রোগটি দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত—

  • গলায় দীর্ঘদিন ধরে থাকা ফোলা বা গিঁট
  • কণ্ঠস্বর হঠাৎ কর্কশ হয়ে যাওয়া বা স্বরের পরিবর্তন
  • খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া

ডা. কার্তিক কৃষ্ণন বলেন, দীর্ঘদিন গলায় ফোলা থাকলে বা কণ্ঠে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে সেটিকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। সময়মতো পরীক্ষা করালে রোগের জটিলতা কমানো সম্ভব এবং চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসা রোগীর অবস্থা, ক্যান্সারের ধরন এবং এটি কতটা ছড়িয়েছে এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। বিশেষজ্ঞের মতে, অধিকাংশ রোগীর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারই প্রধান চিকিৎসা। তবে প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি অন্যান্য চিকিৎসাও দেয়া হতে পারে। বর্তমানে উন্নত রোগনির্ণয় পদ্ধতি ও আধুনিক চিকিৎসার কারণে রোগীভেদে আলাদা চিকিৎসা দেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের মতে, থাইরয়েড ক্যান্সার ধরা পড়া মানেই আশা শেষ নয়। বরং সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত হলে এবং চিকিৎসা শুরু করলে অধিকাংশ রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তাই গলায় অস্বাভাবিক ফোলা, কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন বা খাবার গিলতে সমস্যা হলে সেটিকে সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে না গিয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সুগার নিয়ন্ত্রণে রসুনের ভূমিকা ও খাওয়ার সঠিক উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক
সুগার নিয়ন্ত্রণে রসুনের ভূমিকা ও খাওয়ার সঠিক উপায়
সংগৃহীত ছবি

প্রতিদিনের রান্নায় রসুন অন্যতম এক অপরিহার্য উপাদান। খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এটি শরীরে একাধিক উপকারিতা এনে দেয়। রসুনে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহ কমায় এবং ভাইরাসজনিত সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে রক্তে শর্করার মাত্রা (সুগার) নিয়ন্ত্রণে রাখতেও অনেকে রসুনের সাহায্য নিচ্ছেন। বিভিন্ন গবেষণা ও মেটা-অ্যানালাইসিসে দেখা গেছে, খালি পেটে কাঁচা রসুন খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে।

রসুনে মূলত ‘অ্যালিসিন’ নামের একটি প্রাকৃতিক সালফার যৌগ থাকে, যা ইনসুলিনের নিঃসরণ ও কার্যকারিতা বাড়িয়ে সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তবে আস্ত রসুনে সরাসরি অ্যালিসিন পাওয়া যায় না। গোটা রসুনে থাকে ‘অ্যালিন’ নামের একটি উপাদান। রসুন যখন থেঁতো করা বা বাটা হয়, তখন এর ‘অ্যালিনেজ’ নামক উৎসেচক সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং অ্যালিনকে অ্যালিসিনে রূপান্তরিত করে। গবেষকদের মতে, রসুনের সিংহভাগ স্বাস্থ্যগুণের পেছনে এই অ্যালিসিনের ভূমিকাই প্রধান।

কিভাবে খেলে মিলবে উপকার?

রসুন চিবিয়ে বা কাঁচা খাওয়ার ক্ষেত্রে এর তীব্র গন্ধ অনেকের কাছেই অসহ্য লাগে। তবে কিছু সঠিক নিয়ম মেনে চললে এর পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া সম্ভব :

থেঁতো করে রাখুন : কাঁচা রসুন থেঁতো করে বা কুচি করে কাটার পর অন্তত ৫ মিনিট এভাবেই রেখে দিন। এতে উপকারী ‘অ্যালিসিন’ যৌগটি তৈরি হওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পায়।

রান্নায় ব্যবহারের নিয়ম : যারা কাঁচা খেতে পারেন না, তারা থেঁতো করা বা কাটা রসুন রান্নায় মিশিয়ে খেতে পারেন। তবে রান্নার আগেও কাটার পর কিছুক্ষণ বাতাসে রেখে দেওয়া ভালো।

অতিরিক্ত তাপ বর্জন : রসুন উচ্চ তাপমাত্রায় বেশিক্ষণ রান্না করা উচিত নয়। এতে এর উপকারী গুণাগুণ নষ্ট হয়ে যায়।

দিনে কতটা রসুন খাবেন?
রসুন স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও ‘যত বেশি, তত ভালো’—এই নিয়ম রসুনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য দিনে ১ থেকে ২ কোয়া রসুন খাওয়াই যথেষ্ট। প্রয়োজনের অতিরিক্ত রসুন খেলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে। এতে অ্যাসিডিটি, বুকজ্বালা, গ্যাস, পেট ফাঁপা বা পেটে অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া, যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খাচ্ছেন কিংবা যাদের দ্রুত অস্ত্রোপচার (সার্জারি) হওয়ার কথা রয়েছে, তাদের ডায়েটে রসুনের পরিমাণ বাড়ানোর আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখা জরুরি, রসুন ডায়াবেটিসের কোনো স্থায়ী সমাধান নয়, এটি কেবল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে ৫ করণীয়

অনলাইন ডেস্ক
গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থেকে বাঁচতে ৫ করণীয়

বর্তমানে দেশে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দ্রুত বাড়ছে। অনেকেই অন্য কোনো কারণে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়ে আলট্রাসনোগ্রাফি বা অন্যান্য পরীক্ষার রিপোর্টে প্রথম জানতে পারেন, তাদের লিভারে চর্বি জমেছে। রিপোর্টে যখন ‘গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার’ লেখা থাকে, তখন স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে—এটি কতটা গুরুতর? একবার ফ্যাটি লিভার হলে কি আর পুরোপুরি ভালো হওয়া সম্ভব? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভয় পাওয়ার কারণ নেই। কারণ গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার হলো রোগটির প্রাথমিক ধাপ। এ পর্যায়ে লিভারে চর্বি জমতে শুরু করলেও সাধারণত স্থায়ী ক্ষতি হয় না। সময়মতো জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে পারলে লিভারের অবস্থা অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসতে পারে।

ফ্যাটি লিভার কী?

ফ্যাটি লিভার বলতে লিভারের কোষে অতিরিক্ত চর্বি জমে যাওয়াকে বোঝায়। অতিরিক্ত ওজন, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, রক্তে কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি থাকা, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এই সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়ছে। সমস্যার বড় দিক হলো, গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভারে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাদের লিভারে চর্বি জমছে। বেশিরভাগ সময় এটি স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময়ই ধরা পড়ে।

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে ৫টি অভ্যাস বদল

১। ওজন কমানো
যাদের ওজন বেশি, তাদের জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণে আনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরের মোট ওজনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ কমাতে পারলেও লিভারে জমে থাকা চর্বির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে।

২। স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, আঁশসমৃদ্ধ খাবার এবং পুষ্টিকর খাবার রাখুন। চিনি, কোমল পানীয়, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত তেল-চর্বি ও ভাজাপোড়া খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

৩। নিয়মিত ব্যায়াম করা
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা বা অন্য কোনো শারীরিক ব্যায়াম লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি ওজন ও বিপাকক্রিয়াও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৪। ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা
ফ্যাটি লিভারের সঙ্গে ডায়াবেটিস, উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড এবং এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই এসব সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা না গেলে ফ্যাটি লিভারের উন্নতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

৫। অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকা
অ্যালকোহল লিভারের জন্য ক্ষতিকর। যাদের ফ্যাটি লিভার বা লিভারের অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে, তাদের অ্যালকোহল সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা।

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে এটিকে অবহেলা করাও ঠিক নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই অবস্থার উন্নতি সম্ভব।

সূত্র : আনন্দবাজার

৫টি সহজ অভ্যাসে ৫১ বছরেও উজ্জ্বল ত্বক অ্যাঞ্জেলিনা জোলির

জীবনযাপন ডেস্ক
৫টি সহজ অভ্যাসে ৫১ বছরেও উজ্জ্বল ত্বক অ্যাঞ্জেলিনা জোলির
সংগৃহীত ছবি

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ৫১ বছর বয়সেও তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও উজ্জ্বল ত্বকের জন্য বিশ্বজুড়ে আলোচনায় থাকেন। তার ত্বকের যত্ন নিয়ে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের ও লাইফস্টাইল বিশ্লেষকদের মন্তব্য থেকে কিছু অভ্যাসের কথা জানা যায়, যা তার স্কিনকেয়ার রুটিনের মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তার স্কিনকেয়ার রুটিন খুব জটিল নয়—বরং নিয়মিত কিছু বেসিক অভ্যাসই তাকে এই উজ্জ্বল ত্বক ধরে রাখতে সাহায্য করে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই সহজ ৫টি টিপস—

১. সানস্ক্রিন ও মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার

অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ত্বকের যত্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সূর্যের ক্ষতি থেকে সুরক্ষা। তিনি নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন এবং মৃদু ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার রাখেন।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের বিভিন্ন সাক্ষাৎকারভিত্তিক মতামত অনুযায়ী, তিনি খুব কড়া স্ক্রাব বা ভারী কেমিক্যালযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলেন। বরং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, গ্লাইকোলিক অ্যাসিড এবং আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড জাতীয় উপাদান মাঝেমধ্যে ব্যবহার করেন, যা ত্বক পরিষ্কার ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।

২. ভ্রমণের সময়ও স্কিনকেয়ার বজায় রাখা

শুটিং বা ভ্রমণের সময়ও তিনি নিয়মিত স্কিনকেয়ার রুটিন মেনে চলেন। বিভিন্ন স্কিনকেয়ার বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘ সময় রোদে থাকলেও সানস্ক্রিন ব্যবহার করে ত্বককে সুরক্ষিত রাখেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যের আলো ত্বকের জন্য ক্ষতিকর এবং এটি পিগমেন্টেশন ও বয়সের ছাপ দ্রুত বাড়াতে পারে—এ বিষয়টি তিনি খুব সচেতনভাবে অনুসরণ করেন।

৩. টুপি পরা, পানি পান ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য অনুযায়ী, জোলি নিয়মিত টুপি পরেন, যা সরাসরি সূর্যের আলো থেকে মুখকে রক্ষা করে। তিনি প্রচুর পানি পান করেন এবং ত্বক সবসময় ময়েশ্চারাইজড রাখেন।

লাইফস্টাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, পর্যাপ্ত পানি পান ও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার ত্বকের আর্দ্রতা ও স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে বয়সের ছাপ কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সূর্য থেকে সুরক্ষা।

৪. হালকা মেকআপ ও নিয়মিত ক্লিনজিং

বিভিন্ন সৌন্দর্য বিষয়ক বিশ্লেষণ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাঞ্জেলিনা জোলি ভারী মেকআপ ব্যবহার করেন না। তিনি ন্যাচারাল লুক পছন্দ করেন এবং দিনের শেষে অবশ্যই মেকআপ সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার রাখা এবং মেকআপ না জমতে দেওয়া—ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখার অন্যতম প্রধান কারণ।

lll
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

২০১০ সালের একটি সাক্ষাৎকারে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জানিয়েছিলেন, তিনি কখনোই প্লাস্টিক সার্জারি করাননি এবং ভবিষ্যতেও করার কোনো পরিকল্পনা নেই।

তিনি আরো বলেন, প্রত্যেকের নিজের শরীর ও সিদ্ধান্ত নিয়ে বাঁচার অধিকার আছে, এবং কেউ কিভাবে নিজেকে ভালো রাখবেন—এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়।

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ও লাইফস্টাইল বিশ্লেষকদের বিভিন্ন সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সৌন্দর্যের পেছনে কোনো জাদু নেই। বরং নিয়মিত স্কিনকেয়ার, সূর্য থেকে সুরক্ষা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং হালকা লাইফস্টাইল—এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই তাকে ৫১ বছর বয়সেও উজ্জ্বল ও তরুণ রাখছে।