• ই-পেপার

যুক্তরাজ্যে ৬ ঘণ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কারফিউ’

চীনে এআই সেবা চালুর অনুমোদন পেল অ্যাপল

অনলাইন ডেস্ক
চীনে এআই সেবা চালুর অনুমোদন পেল অ্যাপল
ছবিঃ রয়টার্স

চীনে এআই সেবা চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নিবন্ধন শেষ করেছে অ্যাপল। দেশটির নিয়ন্ত্রক সংস্থা অ্যাপলের ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’ এআই সেবাটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

চীনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো এআই সেবা সাধারণ মানুষের জন্য চালু করতে হলে আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে নিবন্ধন করতে হয়। অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সও সেই প্রক্রিয়া শেষ করেছে।

চীনে অ্যাপলের এআই সেবায় দেশটির প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বাইদু ও আলিবাবার তৈরি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানায়।

আলিবাবা জানিয়েছে, তাদের ‘কিউয়েন’ এআই প্রযুক্তি চীনে আইফোন, আইপ্যাড, ম্যাক ও ভিশন প্রোতে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে কাজ করবে। বাইদুও চীনা আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপলের এআই সুবিধা তৈরিতে কাজ করছে।

 

তবে চীনে অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স কবে চালু হবে, তা এখনো জানানো হয়নি।

দীর্ঘদিন ধরে চীনের আইফোন ব্যবহারকারীরা অ্যাপলের এআই সেবাটি চালুর অপেক্ষায় ছিলেন। তাই এই অনুমোদন চীনে অ্যাপলের অবস্থান আরো শক্ত করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে চীনে অ্যাপলের আইফোন বিক্রি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে।

মানুষের কথা বুঝে কাজ করবে ওপেনএআইয়ের নতুন ডিভাইস

অনলাইন ডেস্ক
মানুষের কথা বুঝে কাজ করবে ওপেনএআইয়ের নতুন ডিভাইস
ছবি : রয়টার্স

মানুষের মতো ব্যবহারকারীর কথা ও আশপাশের পরিস্থিতি বুঝে কাজ করবে—এমন নতুন এআই ডিভাইস আনতে যাচ্ছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটির প্রথম হার্ডওয়্যার পণ্য হিসেবে আসতে পারে স্ক্রিনবিহীন একটি স্মার্ট স্পিকার।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেখতে অনেকটা স্পিকারের মতো এই ডিভাইসটি এখনো তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। ঘরের ভেতর মানুষের মতো এআই সহকারী হিসেবে কাজ করার জন্য এটি তৈরি করা হচ্ছে।

ডিভাইসটি দিয়ে স্মার্ট হোমের বিভিন্ন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ, গান বা ভিডিও চালানো, প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং মেসেজের জবাব দেওয়া যাবে। পাশাপাশি ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটির বিভিন্ন সুবিধাও এতে ব্যবহার করা যাবে।

ডিভাইসটিতে ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সর থাকবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীর আশপাশের পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝতে পারবে এটি। সাধারণ স্মার্ট স্পিকারের তুলনায় এতে আরও উন্নত এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানা যায়।

নতুন এই ডিভাইস তৈরিতে ওপেনএআইয়ের সঙ্গে কাজ করছে অ্যাপলের সাবেক ডিজাইন প্রধান জনি আইভের প্রতিষ্ঠান লাভফ্রম। প্রকল্পটিতে আইফোন ও ম্যাক তৈরিতে কাজ করা অ্যাপলের সাবেক অনেক ডিজাইনার ও প্রকৌশলীও যুক্ত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছর এআই ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘আইও’ কিনতে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ওপেনএআই। নতুন এই ডিভাইস ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির আয়ের নতুন উৎস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলো দিয়ে চিপের নকশা বানাবে ইন্টেলের নতুন মেশিন

অনলাইন ডেস্ক
আলো দিয়ে চিপের নকশা বানাবে ইন্টেলের নতুন মেশিন
ছবিঃ রয়টার্স

আলো ব্যবহার করে চিপের ভেতরের অতি ক্ষুদ্র সার্কিটের নকশা তৈরি করতে পারে—এমন অত্যাধুনিক মেশিন ব্যবহার শুরু করেছে ইন্টেল। নতুন এই প্রযুক্তিতে আরো ছোট ও শক্তিশালী চিপ তৈরির পথ খুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইন্টেলের ‘প্যান্থার লেক’ সিরিজের কিছু ল্যাপটপ চিপ তৈরিতে এএসএমএলের নতুন ‘হাই-এনএ’ ইইউভি মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে। চিপ তৈরির সময় মেশিনটি আলো দিয়ে চিপের ভেতরের ক্ষুদ্র সার্কিটের নকশা তৈরি করে।

ইন্টেল ২০২৪ সাল থেকে এই মেশিন নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে। এখন প্যান্থার লেক চিপের নির্দিষ্ট কিছু অংশ তৈরিতে মেশিনটি ব্যবহার করা হচ্ছে।

নতুন এই মেশিনের দাম প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৯,৩০০ কোটি টাকা)। যা সাধারণ ইইউভি মেশিনের প্রায় দ্বিগুণ। মেশিনটি উৎপাদনে ব্যবহার করাও বেশ জটিল।

ইন্টেলের মতে, এই মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে এএসএমএলের সঙ্গে নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ ও পরীক্ষা চালানো সহজ হবে। এতে ভবিষ্যতে আরো ছোট আকারের চিপ তৈরির প্রযুক্তি উন্নত হতে পারে। 

 

উল্লেখ্য ইন্টেল বর্তমানে ১৮এ প্রযুক্তিতে প্যান্থার লেক চিপ তৈরি করছে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে ইন্টেলের গবেষণাকেন্দ্রে প্রথম হাই-এনএ মেশিনটি পৌঁছায়।

অসুস্থ কর্মী ছাঁটাইয়ে এআই ব্যবহারের অভিযোগ মেটার বিরুদ্ধে

অনলাইন ডেস্ক
অসুস্থ কর্মী ছাঁটাইয়ে এআই ব্যবহারের অভিযোগ মেটার বিরুদ্ধে
ছবি : রয়টার্স

অসুস্থ কর্মীদের ছাঁটাইয়ের তালিকায় রাখতে এআই ব্যবহার করেছে মেটা—এমন অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ২৬ কর্মী।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার আদালতে করা মামলায় কর্মীরা অভিযোগ করেন, হাজারো কর্মী ছাঁটাইয়ের সময় মেটা কর্মীদের কাজের দক্ষতা ও এআই ব্যবহারের তথ্য বিবেচনা করেছে। এতে অসুস্থতার কারণে কাজে অনুপস্থিত থাকা বা চিকিৎসার জন্য ছুটিতে থাকা কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মামলার ২৬ কর্মীকে গত মে মাসে জানানো হয়, আগামী ২২ জুলাই থেকে তাদের চাকরি থাকবে না। তাই ছাঁটাই বন্ধ রাখতে আদালতের কাছে আবেদন করেছেন তারা।

কর্মীদের দাবি, ছাঁটাইয়ের তালিকা তৈরি করতে মেটা বিভিন্ন এআই সিস্টেম ব্যবহার করেছে। এসব সিস্টেম কর্মীদের কাজ, ই-মেইল, যোগাযোগ ও কম্পিউটার ব্যবহারের তথ্য বিশ্লেষণ করে কর্মদক্ষতার স্কোর তৈরি করেছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, এর ফলে প্রতিবন্ধী কর্মী, চিকিৎসার জন্য ছুটিতে থাকা কর্মী ও গর্ভবতী কর্মীরা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

তবে মেটা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত মানুষই নিয়েছে, এআই নয়। অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই বলেও দাবি করেছে মেটা।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মে মাসে মেটা বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। এআই খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।