• ই-পেপার

গাড়িতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ৩

জামালপুরে বন্যাদুর্গত ৫৫২ জনকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিল বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জামালপুরে বন্যাদুর্গত ৫৫২ জনকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিল বিজিবি
সংগৃহীত ছবি

জামালপুরের বকশীগঞ্জে বন্যাদুর্গত এলাকার ৫৫২ জন রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী লাউচাপড়া বিনোদন কেন্দ্রে বিজিবির জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) ব্যবস্থাপনায় এ ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সরকার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দিনব্যাপী এই ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ময়মনসিংহ সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র মেডিক্যাল অফিসার মেজর এস. এফ. এইচ. উর্মি, জামালপুর ব্যাটালিয়নের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. ফজলে রাব্বী, ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন ডা. এস. এম. আলকাস তাহমিদ এবং বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিক্যাল অফিসার। ক্যাম্পেইনে আসা বন্যাদুর্গত মানুষদের বিনা মূল্যে বিভিন্ন রোগের সুচিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়।

মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন চলাকালে জামালপুর ব্যাটালিয়নের (৩৫ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান, উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মুশফিকুল, সহকারী পরিচালক মো. ইমাম হোসেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জামালপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, ‘সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যেকোনো দুর্যোগে অসহায় ও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিজিবি সব সময় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় বন্যাদুর্গত মানুষের চিকিৎসায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও বিজিবির এমন জনকল্যাণমূলক ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে হত্যার দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড
ছবি: কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সামিয়া আক্তারকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় দেন। 

সাজাপ্রাপ্ত আসামি হলেন টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির মিয়া (২১)।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট ওমরাও খান দীপু জানান, সখিপুরের দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার (৯) দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সামিয়া ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে আসামি সাব্বির তাকে অপহরণ করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। তখন সামিয়া নিজেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের একটি ধানক্ষেতের ড্রেনে কাদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখে। এরপর আসামি সাব্বির নিজের পরিচয় গোপন রেখে একটি ইমু আইডি থেকে ভয়েস এসএমএস-এর মাধ্যমে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এ ঘটনায় পরদিন ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। মামলার একদিন পর ৮ সেপ্টেম্বর সেই ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সাব্বিরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে সাব্বির স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ।

বিচার শেষে স্কুলছাত্রী সামিয়াকে হত্যার দায়ে আসামি সাব্বিরকে মৃত্যুদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। এ ছাড়া অপহরণের দায়ে আসামিকে ১৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে আটক রাখার দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টাসহ মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে ফেলায় আসামিকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন বিচারক।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (স্টেট ডিফেন্স)। আসামির উপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক। পরে আসামিকে টাঙ্গাইল কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ৮০ শতাংশ চিকিৎসকের পদ শূন্য

মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা

জাহাঙ্গীর হোসেন, রাজবাড়ী
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ৮০ শতাংশ চিকিৎসকের পদ শূন্য
রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতাল।

অবকাঠামো ও শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও চিকিৎসক সংকট কাটেনি রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে। সম্প্রতি হাসপাতালটি ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও অনুমোদিত চিকিৎসক পদের প্রায় ৮০ শতাংশ এখনো শূন্য রয়েছে। ফলে প্রতিদিন চিকিৎসাসেবা নিতে আসা শত শত রোগীকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাও মিলছে না।

জেলার ৬ উপজেলার লাখো মানুষের একমাত্র বিশেষায়িত সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে প্রায় ১ হাজার ২০০ রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। এ ছাড়া প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ৬৭টি। এর মধ্যে ৪৫টি পদ বর্তমানে শূন্য। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট সবচেয়ে বেশি। ১০ জন সিনিয়র কনসালট্যান্টের সবগুলো পদই শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া প্যাথলজিস্ট ও রেডিওলজিস্টের দুটি পদ এবং জুনিয়র কনসালট্যান্টের চারটি পদও দীর্ঘদিন ধরে খালি রয়েছে।

সবচেয়ে সংকটাপন্ন অবস্থা মেডিসিন ও কার্ডিওলজি বিভাগে। দীর্ঘদিন ধরে এ দুটি বিভাগে কোনো বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় হৃদরোগসহ জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের ফরিদপুর, ঢাকা কিংবা অন্য জেলায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ-দুই দিক থেকেই চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজন দেলোয়ার হোসেন, সিহাবুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, লাবনী আক্তার, সুমাইয়া আক্তার জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায় না। চিকিৎসক সংকটের কারণে সেবা ব্যাহত হওয়ায় রোগীদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।

রাজবাড়ী নাগরিক সমাজের সভাপতি জ্যোতি শংকর ঝন্টু বলেন, ‘২৫০ শয্যার হাসপাতালে এত বিপুল সংখ্যক চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। দ্রুত শূন্য পদগুলোতে চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, ‘সীমিত সংখ্যক চিকিৎসক নিয়েও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক পদায়ন হলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরো উন্নত করা সম্ভব হবে।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ না হলে সেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষ পাবে না। তাই দ্রুত শূন্য পদগুলো পূরণ করে জেলার মানুষের জন্য মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

কেরানীগঞ্জে নৌঘাট আগের স্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে নৌঘাট আগের স্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবিতে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বুড়িগঙ্গা নদীতে সিমসন খেয়াঘাট আগের স্থানে ফিরিয়ে নেওয়া এবং পারাপারের ভাড়া ২ টাকা বহাল রাখার দাবিতে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লির ব্যবসায়ীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। এ সময় তারা দোকানপাট বন্ধ রেখে সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীদের দাবি, ঘাটটি আগের স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর নদীপথে আসা পাইকারি ক্রেতাদের অতিরিক্ত পথ হেঁটে বাজারে আসতে হচ্ছে। এতে ক্রেতার সংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি পারাপারের ভাড়া ২ টাকা থেকে ৫ টাকা করারও প্রতিবাদ জানান তারা।

সমাবেশে ব্যবসায়ীরা বলেন, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লি দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি পোশাকের বাজার। ১৯৮০ সালের দিকে এ বাজার গড়ে ওঠার পর থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা নৌপথ, ট্রলার ও অন্যান্য যানবাহনে এখানে এসে পোশাক কেনেন। তাদের ভাষ্য, নদীপথে আসা ব্যবসায়ীর সংখ্যাই বেশি।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ২০০৭ সালে প্রথমবার সিমসন খেয়াঘাট স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হলে আন্দোলনের মুখে আলোচনার মাধ্যমে তা আগের স্থানে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আবার ঘাটটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, বর্তমান ঘাটে যাতায়াত করতে গিয়ে যাত্রীরা নানা ধরনের ভোগান্তির পাশাপাশি চুরি-ছিনতাইয়ের ঝুঁকিতে পড়ছেন। তাই ব্যবসা ও জনস্বার্থে ঘাটটি পুনরায় আগের স্থানে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তারা।

LLL

ব্যবসায়ী মো. মারুফ বলেন, কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস পল্লিতে প্রায় ৪০০ বহুতল মার্কেট, ১০ হাজারের বেশি শোরুম এবং কয়েক হাজার পোশাক কারখানা রয়েছে। এখানে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক কাজ করেন। দেশের অভ্যন্তরীণ পোশাকের বড় একটি অংশের চাহিদা এ বাজার থেকে পূরণ হয়। প্রতিদিন হাজারো ব্যবসায়ী নদীপথে এ এলাকায় যাতায়াত করেন। তাই ব্যবসার স্বার্থে ঘাটটি আগের স্থানে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন সোনামিয়া বলেন, ঘাট স্থানান্তরের পর পাইকারি ক্রেতাদের প্রায় এক কিলোমিটার পথ ঘুরে বাজারে আসতে হচ্ছে। এতে ক্রেতা কমে যাওয়ায় অনেক ব্যবসায়ী আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কেউ কেউ ব্যবসা গুটিয়ে ফেলতে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সমিতির সভাপতি হাজী আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘাটটি আগের স্থানে ফিরিয়ে আনা হলে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ কমবে এবং বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরবে। দাবি পূরণ না হলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তবে ঘাট স্থানান্তরের কারণ, পারাপারের ভাড়া বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।