• ই-পেপার

২০ বছর পর মিশরের মঞ্চে ফিরছেন শাকিরা

‘কারও পরাজয়ে উন্মাদের মতো উল্লাস করতে হয় না’

বিনোদন প্রতিবেদক
‘কারও পরাজয়ে উন্মাদের মতো উল্লাস করতে হয় না’
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ থেকে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যখন ট্রল, ব্যঙ্গ আর উল্লাসে সরব একাংশের ফুটবলপ্রেমী, তখন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক বার্তা দিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। 

আর্জেন্টিনার সমর্থক হিসেবে পরিচিত এই অভিনেতা প্রতিপক্ষের পরাজয়কে বিদ্রূপ না করে সহমর্মিতা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে চঞ্চল লিখেছেন, ‘কারও পরাজয়ে উন্মাদের মতো উল্লাস করতে হয় না। সমব্যথী হতে হয়। অন্তত সেটা না পারলে শান্ত থাকতে হয় অথবা সান্ত্বনা দিতে হয়। ব্রাজিলের পরাজয়ে সত্যিই আমি মর্মাহত হয়েছি। বিন্দুমাত্র উল্লাস করিনি।’

শুধু ব্রাজিলের বিদায় নয়, বর্তমান সময়ের ফুটবল তারকাদের নিয়েও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন তিনি। চঞ্চল লেখেন, ‘বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলপ্রেমীরা সৌভাগ্যবান। কারণ, একই সময়ে নেইমার, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তি ফুটবলারদের একাধিক বিশ্বকাপে খেলতে দেখার সুযোগ পেয়েছেন।’

তিনি আরো বলেন, আগামী বিশ্বকাপে হয়তো এই তারকাদের অনেককেই আর মাঠে দেখা যাবে না। তবে তাঁদের নান্দনিক ফুটবল আজীবন স্মৃতি হয়ে থাকবে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়ে।

পোস্টের শেষাংশে আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেতা। তিনি লেখেন, ‘আজকের খেলায় মেসির জন্য শুভকামনা, আর্জেন্টিনার জন্য ভালোবাসা।’

চঞ্চল চৌধুরীর আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসার কথা ভক্তদের অজানা নয়। এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে নিজের আঁকা মেসির প্রতিকৃতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে প্রশংসা পেয়েছিলেন তিনি। 

এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছিলেন, মেসির শিল্পসুলভ ফুটবল তাঁকে ছবি আঁকতে অনুপ্রাণিত করেছে। ছোটবেলা থেকেই তিনি আর্জেন্টিনার সমর্থক এবং মেসির খেলা তাঁকে বরাবরই মুগ্ধ করে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাতে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর রোমাঞ্চকর ম্যাচে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচকে ঘিরেই নিজের অনুভূতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন চঞ্চল চৌধুরী।

পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে, বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই মা হলেন অভিনেত্রী!

বিনোদন ডেস্ক
পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে, বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই মা হলেন অভিনেত্রী!
সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার আলোচনায় এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা সুস্মিতা রায়। একাধিক বিয়ে, বিচ্ছেদ ও নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই অভিনেত্রী এবার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সংবাদটি ভাগ করে নিয়েছেন। পঞ্চমবার বিয়ের সাড়ে তিন মাসের মাথায় মা হয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী শুভাশিস দের সঙ্গে সংসার শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সুস্মিতা। 

সুখবরটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা, প্রথম সন্তানকে হারানোর বেদনা এবং মাতৃত্বের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেছেন আবেগঘন এক পোস্টে।

২০১৯ সালের ১৯ মার্চ প্রথম সন্তান হারানোর স্মৃতি এখনো তাকে তাড়িয়ে বেড়ায় বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সেই বেদনার কথা স্মরণ করে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৯ সালের ১৯ মার্চ যে স্বপ্নটা থেমে গিয়েছিল, আজ যেন তারই নতুন করে শুরু। দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা, লড়াই, অগণিত কষ্ট আর না-পাওয়ার যন্ত্রণার পর আজ আমি মাতৃত্বের স্বাদ পেলাম। এটা কোনো শারীরিক অক্ষমতার লড়াই ছিল না, ছিল সময়, পরিস্থিতি আর অনেক অদৃশ্য বাধার বিরুদ্ধে এক নিরন্তর সংগ্রাম।’

প্রথমবারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবার পুরো গর্ভাবস্থার বিষয়টি সবার আড়ালে রেখেছিলেন বলে জানান সুস্মিতা। সন্তানের নিরাপদ জন্মের পরই সুখবরটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

পোস্টে স্বামী শুভাশিস দের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে সুস্মিতা লেখেন, ‘যখন আমি ভেবেছিলাম হয়তো এই জীবনে আর কোনোদিন ‘মা’ ডাক শোনার সৌভাগ্য আমার হবে না, তখন ও আমার স্বপ্নটাকে নিজের স্বপ্ন করে আগলে রেখেছে, ভরসা দিয়েছে, লড়াই করার শক্তি দিয়েছে। আজ আমার মাতৃত্বের পূর্ণতার গল্পে ওর ভালোবাসা, বিশ্বাস আর অবিচল সঙ্গ সবচেয়ে বড় আশ্রয় হয়ে থাকবে চিরকাল।’

বলা দরকার, গেল ৬ মার্চ শুভাশিস দের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন সুস্মিতা। বিয়ের সময় সাড়ে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন অভিনেত্রী। সেদিক থেকে বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই দিলেন সুখবর।

টালিউড অভিনেতা সায়কের প্রাক্তন বৌদি হিসেবে পরিচিত সুস্মিতা রায় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বহুবার সমালোচনা ও ট্রলের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে শুভাশিস দের সঙ্গে তার পঞ্চম বিয়ের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। 

তবে সব বিতর্ক পেছনে ফেলে মাতৃত্বের নতুন অধ্যায় শুরু করায় ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী।

মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ, আপিল বোর্ডে দুই প্রযোজক

বিনোদন প্রতিবেদক
মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ, আপিল বোর্ডে দুই প্রযোজক
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বৈধ প্রার্থীর তালিকা থেকে সভাপতি পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শামসুল আলমের নাম বাদ পড়ার পর এবার নির্বাচন আপিল বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে আপিল করেন এই দুই প্রার্থী। 

তাদের দাবি, যে বিধান দেখিয়ে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, সেটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ সংশ্লিষ্ট বিধানটি পরবর্তী সময়ে কার্যকর হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করেছেন তারা।

আপিল আবেদনে খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘বিগত ২০২২ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশ চলচিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২-২০২৪ এর নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ঘোষিত ১৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখের মধ্যেই আমি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করি। নির্বাচনী তফসিলের সব শর্ত প্রতিপালন পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও বিগত ২০ এপ্রিল ২০২২ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সংঘবিধির ৫(৫) বিধির বিধান উল্লেখ পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যা অযৌক্তিক।’

এর আগে গত ৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের জন্য ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর আইনি জটিলতা, ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে দীর্ঘ সাত বছর নতুন নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। 

এবার সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মনোনয়ন বাতিলকে কেন্দ্র করে আবারও নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি

বিনোদন ডেস্ক
‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন প্রথমবারের মতো নিজের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। জাতীয় পুরস্কারজয়ী সিনেমা ‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই তিনি ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন বলে জানিয়েছেন। 

ভবিষ্যতের পরিকল্পনার কথা ভেবেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং এখনো সেটিকে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ‘হিউম্যানস অব বম্বে’ পডকাস্টে কৃতি জানান, এত দিন বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেননি। তবে এখন মনে করছেন, এ নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা জরুরি।

Ranveer x Kriti Sanon from filmfare awards 2022, I think Kriti will look  good as Roma. : r/BollyBlindsNGossip

অভিনেত্রীর কথায়, “এই বিষয়টি আমি প্রথমবার বলছি। আমি আমার ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলাম। খুব পরিকল্পনা করেই সেটা করেছিলাম, কারণ তখন ‘মিমি’র জন্য আমাকে ওজন বাড়াতে হচ্ছিল। এই চিকিৎসার ফলে শরীর কিছুটা ফুলে যায়, আর ছবির জন্য এমনিতেই আমার ওজন বাড়ছিল। তাই মনে হয়েছিল এটাই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।”

কৃতি জানান, ‘মিমি’র শুটিংয়ের মাঝে প্রায় দুই মাসের বিরতি ছিল। ওই সময় অন্য কোনো সিনেমার কাজ না থাকায় অস্ত্রোপচার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্পন্ন করার এটিই ছিল সবচেয়ে সুবিধাজনক সময়। এ ছাড়া তার পরিচিত একজন ভবিষ্যতের কথা ভেবে ডিম্বাণু সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিতে তাকে অনুপ্রাণিত করে।

Kriti Sanon opens up about playing Mukti in Tere Ishk Mein: “I love love  stories… it has always been on my wish list” : Bollywood News - Bollywood  Hungama

তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সহজ ছিল না বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। চিকিৎসার অংশ হিসেবে নেওয়া হরমোন ইনজেকশনের কারণে শারীরিক ও মানসিক নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে।

কৃতি বলেন, ‘মনে হচ্ছিল যেন গর্ভাবস্থার মতো অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। মেজাজের ওঠানামা হচ্ছিল, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। কিন্তু আজ আমি খুশি যে সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ভবিষ্যতে অন্তত এই বিষয়টি নিয়ে আর আলাদা করে চিন্তা করতে হয় না।’

অভিনেত্রী আরো জানান, ডিম্বাণু সংরক্ষণের সময় তার বয়স ছিল প্রায় ২৯ বছর।

10 most ravishing Indian wear looks by Kriti Sanon | Times of India

ভারতে ডিম্বাণু সংরক্ষণের প্রাথমিক প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে দুই লাখ রুপি পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে। এর মধ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ, হরমোন থেরাপি এবং ডিম্বাণু সংগ্রহের খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া সংরক্ষিত ডিম্বাণু ফার্টিলিটি সেন্টারে রাখার জন্য প্রতিবছর আলাদা ফি দিতে হয়, যা প্রতিষ্ঠানভেদে ভিন্ন হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, সাধারণভাবে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে ডিম্বাণু সংরক্ষণ করলে ভবিষ্যতে সফল গর্ভধারণের সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও চিকিৎসাবিষয়ক সিদ্ধান্ত। তাই এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।