• ই-পেপার

মৃত্যুর পর আমার লাশ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয় : রোজিনা

ব্রাজিল দলকে চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব : তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
ব্রাজিল দলকে চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব : তটিনী
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের পরাজয়ে সেলেসাওদের অপ্রত্যাশিত বিদায়ে যেমন হতাশ হয়েছেন বিশ্বের কোটি কোটি সমর্থক, তেমনি মন ভেঙেছে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারও। তাদেরই একজন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী।

সোমবার (৬ জুলাই) নরওয়ের বিপক্ষে হেরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।

ব্রাজিলের জার্সি পরা একটি ছবি পোস্ট করে তটিনী লেখেন, ‘দলের প্রতিটি ভালো ও খারাপ সময়ে আমি পাশে আছি। ব্রাজিল এমন একটি দল, যা আমি চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব। আজ, আগামীকাল এবং সর্বদা—আমি আমার দলের সঙ্গেই থাকব।’

May be pop art of text

পোস্টে ব্যবহৃত ছবিতেও ফুটে উঠেছে তার হতাশা। ছবিতে এক হাত দিয়ে চোখ ঢেকে কান্না আড়াল করার ভঙ্গিতে দেখা যায় তাকে, যা ব্রাজিলের পরাজয়ে ভেঙে পড়া সমর্থকদের অনুভূতিরই প্রতিফলন। শুধু তাই নয়, নিজের পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও একাধিক কান্নার ইমোজি ব্যবহার করে প্রিয় দলের বিদায়ের কষ্ট প্রকাশ করেছেন তিনি।

তটিনীর এই পোস্টে অসংখ্য ভক্ত ও অনুসারী মন্তব্য করে তাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। অনেকেই ব্রাজিলের প্রতি নিজেদের অবিচল সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন।

মাসুদ রানা রাজ মাসুদ নামে একজন লিখেছেন, ‘যারা ব্রাজিল সাপোর্টার তারা জীবনেও পল্টি নিয়ে অন্য দল করবে না যেমন আর্জেন্টিনা পল্টিবাজ তারা হেরে গেলে তাদের সাপোর্টার অন্য দলে যোগ দিতে দেরি করে না। জিতলেও ব্রাজিল হারলেও ব্রাজিল সব সময় প্রিয় দল ব্রাজিল। ইনশাআল্লাহ আবার দেখা হবে ২০৩০ সালে তবে আমি ঐ সময় বেচে নাও থাকতে পারি শুভ কামনা সবসময় প্রিয় দল ব্রাজিলের জন্য।’

May be an image of smiling

আরেকজনের মন্তব্য, ‘আমরা ম্যাচ হেরেছি তাতে কোন দুঃখ নেই আমাদের বস নেইমার তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে পারছে এতে আমরা খুশি।’

ব্রাজিলের বিদায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনো চলছে নানা আলোচনা। হতাশা থাকলেও অনেক সমর্থকের মতো তটিনীর বার্তাও একটাই—জয়-পরাজয় যাই হোক, প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা অটুট থাকবে।
 

‘পারফেক্ট না হওয়া পর্যন্ত ও বিয়ে করেই যাবে’, আমিরকে নিয়ে সালমান

বিনোদন ডেস্ক
‘পারফেক্ট না হওয়া পর্যন্ত ও বিয়ে করেই যাবে’, আমিরকে নিয়ে সালমান
সংগৃহীত ছবি

বলিউড অভিনেতা আমির খানের তৃতীয় বিয়ের পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে সালমান খানের একটি পুরোনো মন্তব্য। কয়েক বছর আগে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘দ্য কপিল শর্মা শো’-তে মজার ছলে করা সেই মন্তব্যই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সঞ্চালক কপিল শর্মা আমির খানের প্রসঙ্গ তুললে নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় সালমান খান বলেন, ‘আমির একজন পারফেকশনিস্ট। একদম পারফেক্ট না হওয়া পর্যন্ত সে বিয়ে করেই যাবে।’

সালমানের এই মন্তব্যে তখন স্টুডিওজুড়ে হাসির রোল পড়ে যায়। পরবর্তীতে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সম্প্রতি আমিরের তৃতীয় বিয়ের পর সেই ক্লিপ আবারও নেটদুনিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

অনেক নেটিজেনের মতে, হাস্যরসের ছলে বলা সালমানের মন্তব্যটি সময়ের সঙ্গে যেন নতুন তাৎপর্য পেয়েছে।

সম্প্রতি দীর্ঘদিনের সঙ্গী গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করেছেন আমির খান। মুম্বাইয়ে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অভিনন্দনের পাশাপাশি নতুন করে আলোচনায় এসেছে অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবনও।

আমির প্রথম বিয়ে করেছিলেন রীনা দত্তকে। সেই সংসার ভেঙে যাওয়ার পর ২০০৫ সালে তিনি বিয়ে করেন নির্মাতা কিরণ রাওকে। ২০২১ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর দীর্ঘদিনের বন্ধু গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। অবশেষে তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিলেন এই বলিউড তারকা।

অন্যদিকে, ৬০ বছর বয়সেও সালমান খান বলিউডের অন্যতম আলোচিত অবিবাহিত তারকা। ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গেলেও তিনি কখনো বিয়ে করেননি।

বিয়ে প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলেই বরাবরের মতো রসিকতার আশ্রয় নেন সালমান। আর সেই কারণেই আমিরকে নিয়ে তাঁর বহু বছর আগের মন্তব্যটি আবারও নতুন করে নেটদুনিয়ায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিচ্ছেদের ১১ বছর পর বিয়ে করলেন অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক
বিচ্ছেদের ১১ বছর পর বিয়ে করলেন অভিনেত্রী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ ১১ বছর একাই সন্তানকে বড় করার পর আবারও নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওহ ইউন-আহ। সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক ভিডিওতে বিয়ের সুখবর জানিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর হবু স্বামী বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত নন।

ভিডিওতে ওহ ইউন-আহ জানান, বিবাহবিচ্ছেদের পর জীবনের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ছিল ছেলে মিনকে মানুষ করে তোলা। সেই কারণেই এতদিন নিজের ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে ছেলেকেই সব সময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

কোরিয়া হেরাল্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিনেত্রী বলেন, তিনি একসময় ভেবেছিলেন, ছেলেকে নিয়েই বাকি জীবন কাটিয়ে দেবেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এমন একজন মানুষের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়, যাঁর সঙ্গে ভবিষ্যৎ গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি আবেগাপ্লুত করেছে হবু স্বামীর পরিবারের আচরণ। ওহ ইউন-আহ জানান, তাঁর হবু স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা ছেলে মিনকে পরিবারের একজন সদস্য হিসেবেই গ্রহণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'এমন ঘটনা সহজে ঘটে না। তাই আমার মনে হয়েছে, এই সম্পর্ক নিয়তিতেই ছিল।'

হবু স্বামী শোবিজের বাইরের মানুষ হওয়ায় সম্পর্ক ও বিয়ের বিষয়টি প্রকাশে সতর্ক ছিলেন বলেও জানান এই অভিনেত্রী। 

তাঁর কথায়, অনেক ভেবেচিন্তেই বিষয়টি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। অন্য কোনো মাধ্যমে নয়, প্রথমে নিজের ইউটিউব চ্যানেলের অনুসারীদের কাছেই সুখবরটি জানাতে চেয়েছেন।

ভক্তদের আশ্বস্ত করে ওহ ইউন-আহ বলেন, বিয়ের পরও তাঁর জীবনে বড় কোনো পরিবর্তন আসবে না। আগের মতোই অভিনয় চালিয়ে যাবেন এবং পরিবার নিয়ে সুন্দরভাবে জীবন কাটাতে চান। একই সঙ্গে তিনি সবার কাছে তাঁদের নতুন জীবনের জন্য আশীর্বাদ ও সমর্থন কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে বিয়ে করেছিলেন ওহ ইউন-আহ। সেই সংসারে জন্ম নেয় তাঁর ছেলে মিন। ২০১৫ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে একাই ছেলেকে লালন-পালন করে আসছেন এই অভিনেত্রী।

অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক
অভিনেতা জাহের আলভীর জামিন নামঞ্জুর
অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভী। ছবি : সংগৃহীত

স্ত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে রাজধানীর পল্লবী থানায় করা মামলায় ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা মো. নিয়ামত উল্লাহ ভূইয়া ওরফে জাহের আলভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

আলভীর পক্ষে আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুরের আদেশ আসে। এর আগে গত ৩০ জুন এ মামলায় তাকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণের পর জাহের আলভীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ২১ জুন আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ২৪ জুন তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান।  দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

আলভী ও ইকরা ২০১০ বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একটি ছেলেসন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।