• ই-পেপার

হৃতিক ও সুজানের বিচ্ছেদ অপরিহার্য ছিল, কেন বললেন জায়েদ খান?

জুবিন গার্গকে সম্মান জানিয়ে তার নামে নতুন ফুলের প্রজাতি

বিনোদন ডেস্ক
জুবিন গার্গকে সম্মান জানিয়ে তার নামে নতুন ফুলের প্রজাতি
সংগৃহীত ছবি

আসামের জনপ্রিয় গায়ক, সুরকার ও অভিনেতা জুবিন গার্গকে দেওয়া হলো এক বিশেষ সম্মান। তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে আদা পরিবারের একটি নতুন প্রজাতির ফুল।

মেঘালয়ের শিলংয়ে আবিষ্কৃত এই নতুন ফুলের নাম রাখা হয়েছে ‘হেডিকিয়াম জুবিনগার্গিয়ানাম’। ভারতের বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (বিএসআই) পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক কেন্দ্রের গবেষকরা দীর্ঘ গবেষণার পর এই নতুন প্রজাতি শনাক্ত করেছেন।

গবেষকরা জানিয়েছেন, শিলংয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে থাকা একটি অজানা উদ্ভিদ নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে গবেষণা চলছিল। পরে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়, এটি আদা পরিবারের সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রজাতি।

নতুন এই ফুলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ক্রিম-সাদা রঙের সুগন্ধি ফুল, হলুদ রঙের পরাগধানী এবং ঘন লোমযুক্ত ফুলের ডাঁটা। সাধারণত এপ্রিল থেকে মে মাসের মধ্যে এই ফুল ফোটে। এর বৈশিষ্ট্য কাছাকাছি প্রজাতির ফুলের থেকে আলাদা।

জুবিন গার্গ শুধু আসামেই নয়, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন শিল্পী। সংগীত ও সংস্কৃতিতে তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই নতুন ফুলের প্রজাতির নাম তার নামে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ২০২৬ সালেই জুবিন গার্গের নামে একাধিক নতুন প্রজাতির নামকরণ হয়েছে। এর আগে আসামের মানস জাতীয় উদ্যানে আবিষ্কৃত একটি নতুন ফুলগাছের নাম রাখা হয় ‘অসব্যাকিয়া জুবিনগার্গিয়ানা’ এবং অরুণাচল প্রদেশে আবিষ্কৃত একটি নতুন প্রজাপতির নাম দেওয়া হয় ‘ইউথালিয়া জুবিনগার্গি’।

ধারাবাহিকে ফিরছেন তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
ধারাবাহিকে ফিরছেন তটিনী
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আবারও ধারাবাহিক নাটকে অভিনয়ে ফিরছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী। নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের নতুন ধারাবাহিক ‘ফিরে আসার গল্প’-এর মাধ্যমে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। নাটকটিতে তার চরিত্রের নাম ‘নূরজাহান’।

সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তটিনীর প্রথম লুক। সেই প্রকাশের পর থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

‘ফিরে আসার গল্প’-এ তটিনীর সঙ্গে অভিনয় করছেন খায়রুল বাসার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমাইয়া শিমু, ফাইজুল ইয়ামিন, মনিরা মিঠু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, দীপা খন্দকার, এজাজুল ইসলাম ও মুকিত জাকারিয়াসহ একঝাঁক তারকা।

এই নাটকের মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমুও।

নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ জানান, পারিবারিক গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে ‘ফিরে আসার গল্প’। আগামী মাসে নাটকটির শুটিং শুরু হবে। পরে সম্প্রচারের তারিখ ও চ্যানেল সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে রাজ পরিচালিত ‘তোমাদের গল্প’, ‘তোমাদের গল্প ২’ এবং ‘সম্পর্কের গল্প’ নাটকে অভিনয় করে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তটিনী। সম্প্রতি একই নির্মাতার নতুন নাটক ‘পথহারা’র শুটিংও শেষ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, তটিনীকে সর্বশেষ দেখা গেছে জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত ‘কাজল চোখের মেয়ে’ নাটকে। ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে তার জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ইউটিউবে মুক্তির মাত্র আট দিনের মধ্যেই নাটকটি ১৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জন করেছে।

এদিকে আজ প্রকাশ পাচ্ছে তটিনীর নতুন নাটক ‘অমর প্রেম’। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন পার্থ শেখ।

বাংলাদেশে আসার জন্য জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি: মধুমিতা

ইমরুল নূর
বাংলাদেশে আসার জন্য জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি: মধুমিতা
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের। দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশে তার কাজ করার গুঞ্জন শোনা গেলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। তবে এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে। 

‘গুলশানের চামেলি’র মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বড় পর্দায় দেখা যাবে ‘পাখি’খ্যাত এই অভিনেত্রীকে।

জানা গেছে, ‘ডেডবডি’, ‘কিল হিম’ ও ‘রিভেঞ্জ’খ্যাত পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের নতুন এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন মধুমিতা। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

File:MadhumitaSarcar.jpg - Wikimedia Commons

কলকাতা থেকে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে মধুমিতা সরকার বলেন, ‘আমি খুবই এক্সাইটেড কাজটি করার জন্য। অনেক বছর ধরেই আমার বিভিন্ন কাজে বাংলাদেশে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু কোনো কারণে সেটা আর হয়ে উঠেনি। অবশেষে সেই ইচ্ছেটা পূরণ হচ্ছে। শিগগিরই আমি আসছি।’

অভিনেত্রী জানান, কিছুদিন আগে তিনি ছবিটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। গল্প ও চরিত্র সম্পর্কে জানার পর কাজটির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তার।

মধুমিতা বলেন, ‘গল্পটি খুবই দারুণ এবং চরিত্রটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। কলকাতায় অনেক ধরণের কাজ করলেও এরকম চরিত্রে আমার কখনো কাজ করা হয়নি। চরিত্রটিতে অনেকগুলো লেয়ার রয়েছে, আমি খুবই এক্সাইটেড কাজটি করার জন্য।’

জানা গেছে, ‘গুলশানের চামেলি’ নির্মিত হচ্ছে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে। গল্পের কেন্দ্রে থাকবেন একজন যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও ক্ষমতার নির্মম খেলায় বারবার শিকার হন। সিনেমাটির বিশেষত্ব হলো, এতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না। পুরো গল্প আবর্তিত হবে একজন নারীকে ঘিরে। একই চরিত্রকে কখনো নায়িকা, আবার পরিস্থিতির কারণে ভিন্ন এক রূপে দেখা যাবে।

Madhumita Sarcar Age, Husband, Family, Biography, Instagram

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হতে পারে। তবে মধুমিতার বিপরীতে আর কারা অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘মাঝে তিন-চার মাসের একটা টাইমলাইন রয়েছে। এর পরেই ছবিটির শুটিং শুরু হতে পারে। তাছাড়া এখানে আর কে কে অভিনয় করছেন, এই বিষয়েও আমি এখনও কিছু জানিনা।’

বাংলাদেশে আসা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত মধুমিতা। তিনি জানান, বাংলাদেশের দর্শকদের ভালোবাসা তিনি অনেক আগে থেকেই অনুভব করেন।

তার কথায়, ‘কলকাতার বাইরে বাংলাদেশে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে আমার। আমি বিভিন্ন সময়েই সেটা টের পাই। সেই ‘বোঝে না সে বোঝে না’ ধারাবাহিক থেকে আমি সেটা খেয়াল করেছি। আজকে আমি যা হয়েছি বা যতটুকু ভালোবাসা পাচ্ছি তার বেশিরভাগটুকু জুড়েই রয়েছেন বাংলাদেশি দর্শকেরা। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি সেখানে এসে তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি।’

বাংলাদেশের নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমাও নিয়মিত দেখেন মধুমিতা। তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘পিপড়াবিদ্যা’, ‘টেলিভিশন’ ও ‘থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার’, পাশাপাশি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘মনপুরা’।

Madhumita, actress, bengali, HD phone wallpaper | Peakpx

বাংলাদেশের শিল্পীদের প্রতিও মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেক কাজ দেখা হয় আমার। তাদের গল্প বলার ধরণ, উপস্থাপন এত চমৎকার! কি দারুণভাবে গল্প উপস্থাপন করেন। আমার খুবই ভালো লাগে। পছন্দের শিল্পী অনেকেই আছেন, একজনের নাম বললে দেখা যাবে আরেকজন যদি মাইন্ড করে বসে। মোশাররফ করিম আমার পছন্দের, উনার সঙ্গে আমি কাজও করেছি। এছাড়া চঞ্চল চৌধুরীও আমার ভীষণ প্রিয়। তার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এর বাইরে তো শাকিব খান রয়েছেন, যিনি কিনা সেখানকার সবচেয়ে হিট, সুপারস্টার। সুযোগ পেলে তার সঙ্গে কাজ করতে চাই।’

ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা—দুই মাধ্যমেই সমান জনপ্রিয় মধুমিতা সরকার। ‘বোঝে না সে বোঝে না’, ‘কেয়ার করি না’ ও ‘চিনি’সহ একাধিক কাজের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশের দর্শকদের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ। 

এর আগে ২০১৬ সালে এনটিভিতে প্রচারিত ‘মেঘবালিকা’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে ‘গুলশানের চামেলি’ হতে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্রে তার প্রথম কাজ।
 

নোলানের অনুপ্রেরণায় সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘পথের পাঁচালী’

অনলাইন ডেস্ক
নোলানের অনুপ্রেরণায় সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘পথের পাঁচালী’

সময়, স্মৃতি ও বৈজ্ঞানিক জটিলতাকে পর্দায় রূপ দেওয়া বিশ্বখ্যাত পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান প্রকাশ করলেন তার প্রিয় চলচ্চিত্রের তালিকা। সম্প্রতি ‘ক্রাইটেরিয়ন ক্লোজেট’ পরিদর্শনের সময় হলিউডের এই মাস্টারমাইন্ড নিজের পছন্দের সিনেমাগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেন। আর অরসন ওয়েলস, ডেভিড লিঞ্চ বা স্পাইক লি-র মতো কিংবদন্তিদের পেছনে ফেলে নোলান তার এই অভিজ্ঞতার শুরুটাই করেন সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫) দিয়ে

নোলান জানান, ‘পথের পাঁচালী’ দেখে তিনি গভীরভাবে বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন এবং খুব শিগগিরই অপু ট্রিলজির বাকি দুটি পর্ব দেখার ইচ্ছা রাখেন। নোলানের মতে, এই সংকলনটি তার নিজের চলচ্চিত্র যাত্রার এক গোপন মানচিত্র। তার পছন্দের তালিকায় আরো রয়েছে অরসন ওয়েলসের ‘মিস্টার আরকাডিন’ ও ‘সিটিজেন কেন’, ফ্রিটজ ল্যাং-এর ‘দ্য টেস্টামেন্ট অফ ডক্টর মাবুসে’, স্পাইক লি-র ‘ম্যালকম এক্স’, ডেভিড লিঞ্চের ‘লস্ট হাইওয়ে’, রবার্ট অল্টম্যানের ‘দ্য প্লেয়ার’ এবং রিচার্ড লিঙ্কলেটারের ‘বয়হুড’-এর মতো বিখ্যাত সব সিনেমা।

নোলান প্রতিটি চলচ্চিত্রের পেছনে থাকা নিজের ব্যক্তিগত স্মৃতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি প্রকাশ করেন যে, ফ্রিটজ ল্যাং-এর ‘দ্য টেস্টামেন্ট অফ ডক্টর মাবুসে’ ছবিটি তার বিখ্যাত ‘দ্য ডার্ক নাইট’ চলচ্চিত্রের ‘জোকার’ চরিত্রটি তৈরিতে দারুণ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল। অন্যদিকে, ডেভিড লিঞ্চের ‘লস্ট হাইওয়ে’ প্রথমে তার কাছে দুর্বোধ্য মনে হলেও এটি যে তার অবচেতন মনে স্বপ্নের মতো স্থায়ী প্রভাব ফেলেছিল, তা অকপটে স্বীকার করেন। আবার স্পাইক লি-র ‘ম্যালকম এক্স’ ৭০ মিমি স্ক্রিনে দেখার স্মৃতিও তিনি রোমন্থন করেন।

আইম্যাক্স ক্যামেরা, পারমাণবিক বিস্ফোরণ বা সময়কে পেঁচিয়ে ফেলা জটিল গল্পের পেছনে ছোটা নোলান যে আড়ালে আবেগের গভীরতা ও ভিন্ন ধাঁচের চলচ্চিত্রের এক পরম অনুরাগী, তা এই তালিকা দেখলেই বোঝা যায়। সত্যজিৎ রায়ের গ্রামীণ বাংলার এক কিশোরের গল্পকে এভাবে বিখ্যাত সব হলিউড ও আন্তর্জাতিক মাস্টারপিসের পাশে স্থান দিয়ে নোলান কেবল ‘পথের পাঁচালী’র প্রতি সম্মানই জানাননি, বরং বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ভারতীয় সিনেমার অন্যতম এই অর্জনকে আবারও নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিলেন।

হৃতিক ও সুজানের বিচ্ছেদ অপরিহার্য ছিল, কেন বললেন জায়েদ খান? | কালের কণ্ঠ