• ই-পেপার

বাংলাদেশি মডেল শান্তাকে হোটেলে ডাকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কলকাতার পরিচালক

কতটা জমল ৩৪ তারকার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?

বিনোদন ডেস্ক
কতটা জমল ৩৪ তারকার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?
সংগৃহীত ছবি

২০০৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘ওয়েলকাম’ ছিল বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি। বিশেষ করে অনিল কাপুর ও নানা পাটেকরের ‘মজনু-উদয়’ জুটি আজও দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়। তবে সেই সাফল্য ধরে রাখতে পারেনি ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় কিস্তি ‘ওয়েলকাম ব্যাক’। ফলে তৃতীয় ছবি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি। ৩৪ জন তারকার বিশাল সমাবেশ, পুরোনো জনপ্রিয় ছবির একের পর এক রেফারেন্স—সব মিলিয়ে আগ্রহের কমতি ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছে ছবিটি?

পরিচালক আহমেদ খানের ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিটের এই ছবিতে রয়েছেন অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি, জ্যাকি শ্রফ, জনি লিভার, পরেশ রাওয়াল, আরশাদ ওয়ারসি, রাজপাল যাদব, শ্রেয়স তলপড়ে, দিশা পাটানি, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, রবিনা ট্যান্ডনসহ বিশাল তারকাবহর। 

গল্পের মূল উপজীব্য ‘সিনেমার মধ্যে সিনেমা’ নির্মাণ। পাশাপাশি ‘দ্য প্রোডিউসার্স’ ও ‘ট্রপিক থান্ডার’ থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পাশাপাশি ‘ওয়েলকাম’, ‘হেরা ফেরি’, ‘আওয়ারা পাগল দিওয়ানা’, ‘মোহরা’ ও ‘খিলাড়ি’র মতো একাধিক বলিউড ছবির রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে এত আয়োজনের পরও ছবির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এর চিত্রনাট্য। প্রবাদ আছে, অতি লোভে তাঁতি নষ্ট। এই ছবির ক্ষেত্রেও যেন সেটিই সত্যি হয়েছে। অসংখ্য তারকা, একের পর এক রেফারেন্স আর অতিরিক্ত কৌতুকের চেষ্টায় গল্পটি শেষ পর্যন্ত জগাখিচুড়িতে পরিণত হয়েছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ মূলত জঙ্গলে একদল ফ্লপ তারকার উদ্ভ্রান্ত অ্যাকশন আর সিনেমা বানানোর নামে দীর্ঘ এক পিকনিক। ১৬৪ মিনিটের ছবিতে অক্ষয় কুমার ও জনি লিভারের কয়েকটি কমেডি সংলাপ দর্শককে হাসাতে সক্ষম হলেও দুর্বল চিত্রনাট্য এবং অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘায়িত দৃশ্য ছবির গতি বারবার থামিয়ে দেয়।

অনেক দৃশ্যই যেন শুধুই সময় পূরণের জন্য রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে পুরো ছবিতে অতিরিক্ত গ্রিন স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে ভিজ্যুয়ালও কৃত্রিম মনে হয়। জ্যাকি শ্রফের সন্ত্রাসী চরিত্রকে আলাদা মাত্রা দিতে গিয়ে ‘ধুরন্ধর’-এর অক্ষয় খান্নার স্টাইল অনুসরণের চেষ্টা করা হয়েছে, যা দৃশ্যের সঙ্গে খুব একটা মানানসই হয়নি। এমনকি শেষদিকে ‘বজরঙ্গী ভাইজান’-এর একটি দৃশ্যের ছায়াও স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।

‘ওয়েলকাম’ যেখানে দর্শকদের নিখাদ বিনোদন দিয়েছিল, সেখানে ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সেই মানের ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। বিশাল তারকাবহর থাকলেও অভিনয়ে সমন্বয়ের অভাব চোখে পড়ে। অনেকের অতিরঞ্জিত অভিব্যক্তিও বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ছবিতে দালের মেহেন্দির উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট নয়। পুরো ছবিজুড়ে তাঁর ভাবলেশহীন উপস্থিতি সেই প্রশ্ন আরও জোরালো করে। অন্যদিকে, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজকে কার্যত সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবেই ব্যবহার করা হয়েছে। দিশা পাটানির ক্ষেত্রেও পরিচালক শরীরী আবেদনকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, অভিনয়ের সুযোগ খুব একটা তৈরি হয়নি।

তবে গল্পে বড় কোনো চমক না থাকলেও নির্মাতারা তাঁদের লক্ষ্য দর্শক ঠিক করতে পেরেছেন বলেই মনে হয়। সেই কারণেই ছবিতে ভোজপুরি ও মালয়ালি দর্শকগোষ্ঠীর প্রসঙ্গও উঠে এসেছে।

সব মিলিয়ে, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ এমন একটি ছবি, যেখানে তারকার সংখ্যা গল্পের চেয়ে অনেক বেশি। আর শেষ পর্যন্ত এই ছবির সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে সম্ভবত অক্ষয় কুমারের সেই সংলাপ, যা দিশা পাটানি ও পাঞ্জাবি গায়ক তালবিন্দরের সম্পর্ক নিয়েও ইঙ্গিত ছুড়ে দেয়।
 

কেন ভাঙল রানি-ঐশ্বরিয়ার একসময়ের গভীর বন্ধুত্ব?

বিনোদন ডেস্ক
কেন ভাঙল রানি-ঐশ্বরিয়ার একসময়ের গভীর বন্ধুত্ব?
সংগৃহীত ছবি

একসময় বলিউডের জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী রানি মুখার্জি ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মধ্যে ছিল দারুণ বন্ধুত্ব। শুধু সহকর্মীই নন, ব্যক্তিগতভাবেও তাদের সম্পর্ক ছিল বেশ আন্তরিক। পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া নিজেই সেই বন্ধুত্বের নানা স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন। পরে এক অনুষ্ঠানে রানিও প্রকাশ্যে ঐশ্বরিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। আমরা চিরকাল বন্ধু হয়েই থাকব।’

ঐশ্বরিয়া জানান, একটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট ট্যুরে প্রায় ৪৫ দিন একসঙ্গে কাটানোর সময়ই তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। ওই সফরে তারা একসঙ্গে বিভিন্ন দেশে পারফর্ম করেন, ভ্রমণ করেন এবং একই টিমের সঙ্গে সময় কাটান। শুধু তাই নয়, তাদের পরিবারের সদস্যরাও সেই সফরে ছিলেন, ফলে কাজের বাইরেও একে অপরকে কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল।

সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘রানি খুব আন্তরিক, খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহজ-সরল একজন মানুষ। আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো জড়তা বা জটিলতা ছিল না। ওয়ার্ল্ড ট্যুরে একসঙ্গে কাটানো ৪৫ দিন আমাদের বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করে। সেই সময় থেকেই আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।’

তিনি আরো বলেন, একই ইন্ডাস্ট্রির দুই অভিনেত্রীর মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হতে পারে না—এমন ধারণা সঠিক নয়। বাস্তবে তাদের সম্পর্ক ছিল একেবারেই স্বাভাবিক এবং আন্তরিক।

অন্যদিকে, এক অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে যেতে পারেননি রানি মুখার্জি। তবে অনুষ্ঠানের জন্য একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে তিনি বলেন, ‘তুমি তো জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি। শরীর খারাপ থাকায় আসতে পারিনি, এজন্য খুব খারাপ লাগছে। তবে শুধু এটুকু জানাতে চাই যে আমি তোমাকে ভালোবাসি এবং আমার জীবনে তোমার গুরুত্ব অনেক। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি, ঐশ্বরিয়া। আমার মনে হয় না এটা আলাদা করে বলার প্রয়োজন আছে; কিন্তু সবার সামনে আমাকে এটা আবারও টিভিতে বলতে হচ্ছে। শুধু একটা কথাই বলতে চাই—আমরা চিরকাল বন্ধু হয়েই থাকব।’

তবে এই বন্ধুত্ব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বলিউডে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে ‘চলতে চলতে’ সিনেমায় প্রথমে শাহরুখ খানের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে ঐশ্বরিয়া রাইকে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাকে বাদ দিয়ে রানী মুখার্জিকে কাস্ট করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই দুই অভিনেত্রীর সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সময়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগও কমে যায়। একসময় যে বন্ধুত্বকে বলিউডের অন্যতম আন্তরিক সম্পর্ক হিসেবে দেখা হতো, সেটিই পরে ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্কের টানাপোড়েনের একটি উদাহরণ হয়ে ওঠে। যদিও এ বিষয়ে দুই অভিনেত্রীই প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য করেননি, তবুও তাদের পুরোনো সাক্ষাৎকার ও ভিডিও বার্তা আজও তাদের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

২০ কোটি টাকা দাবি করে রোহিত শেঠিকে প্রাণনাশের হুমকি

অনলাইন ডেস্ক
২০ কোটি টাকা দাবি করে রোহিত শেঠিকে প্রাণনাশের হুমকি
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের খ্যাতনামা চলচ্চিত্র নির্মাতা রোহিত শেঠি আবার প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছেন। এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ফোন করে তার কাছে ২০ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে। দাবি পূরণ না হলে তাকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকালে এই হুমকি আসার পর মুম্বাই পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে এবং নির্মাতার নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

কয়েক মাস আগে জুহুতে রোহিত শেঠির বাসভবনের বাইরে গুলিবর্ষণের ঘটনার পর এই নতুন হুমকি বিনোদনপাড়ায় ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মুম্বাই ক্রাইম ব্রাঞ্চ ইতিমধ্যে ফোনটির উৎস খুঁজে বের করতে কল রেকর্ডের বিশ্লেষণ শুরু করেছে। তদন্তকারীরা খুঁজে দেখছেন যে, এই নতুন চাঁদাবাজির হুমকির সঙ্গে কুখ্যাত ‘লরেন্স বিশনই গ্যাং’-এর কোনো যোগসূত্র আছে কি না। এই অপরাধী চক্রটি এর আগেও বলিউডের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী তারকা ও ব্যক্তিত্বকে হুমকি দেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল। তবে পুলিশ এখনো সরাসরি কোনো চক্রের সম্পৃক্ততার কথা নিশ্চিত করেনি।

এর আগে রোহিত শেঠির বাড়ির বাইরে সশস্ত্র হামলাকারীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় কেউ আহত না হলেও তা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা একটি অপরাধী নেটওয়ার্কের সন্ধান পায় এবং মূল ষড়যন্ত্রকারীদের বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারসহ অস্ত্র উদ্ধার করে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে পুলিশ এবার রোহিত শেঠির জুহুর বাসভবন ও তার চারপাশে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।

নতুন এই হুমকির বিষয়ে নির্মাতা রোহিত শেঠি এখন পর্যন্ত গণমাধ্যমে কোনো প্রকাশ্য বিবৃতি দেননি। এদিকে মুম্বাই পুলিশ জনসাধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের এই সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের জল্পনা-কল্পনা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা খতিয়ে দেখছেন যে, এটি স্রেফ কোনো ভীতি প্রদর্শন নাকি তারকাদের লক্ষ্য করে চালানো বড় কোনো চাঁদাবাজি চক্রের পরিকল্পিত অংশ।

দীর্ঘদিন পর পর্দায় ফিরছেন নিনা-পল জুটি

অনলাইন ডেস্ক
দীর্ঘদিন পর পর্দায় ফিরছেন নিনা-পল জুটি

তুমুল জনপ্রিয় টিভি জুটি নিনা দব্রেভ ও পল ওয়েসলি আবার পর্দায় ফিরছেন। সিডব্লিউ-এর বিশ্বখ্যাত সিরিজ ‘দ্য ভ্যাম্পায়ার ডায়েরিজ’-এর পর এবার তারা ‘ইউ ডিজার্ভ টু নো’ নামের একটি চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন। সিনেমাটি ওটিটি প্ল্যাটফরম ‘হুলু’-তে মুক্তি পাবে।

সিনেমাটি লেখক অ্যাগি ব্লুম থম্পসনের ২০২৫ সালের একটি জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন বিখ্যাত সিরিজ ‘গ্র্যান্ড হোটেল’-এর নির্মাতা ব্রায়ান ট্যানেন। গল্পটি শহরতলির তিনটি দম্পতিকে কেন্দ্র করে, যারা পাশাপাশি বাড়িতে থাকেন এবং একে অপরের খুব ভালো বন্ধু। কিন্তু হঠাৎ করেই যখন তাদের একজনের স্বামী খুন হন, তখন তাদের মধ্যকার নানা গোপন রহস্য বেরিয়ে আসতে থাকে এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বে ফাটল ধরে।

সিনেমায় নিনা দব্রেভ অভিনয় করছেন ‘গোয়েন’ চরিত্রে ও পল ওয়েসলি থাকছেন ‘স্কট’ চরিত্রে। গল্পে তারা দুজন প্রতিবেশী, যারা এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দুই বিপরীত পক্ষে অবস্থান নেন। তদন্তের একপর্যায়ে তাদের মধ্যকার সম্পর্ক এক চরম সংঘাতের দিকে মোড় নেয়।

নিনা ও পল শুধু এই সিনেমায় অভিনয়ই করছেন না, তারা পর্দার পেছনেও একসঙ্গে কাজ করবেন। এই চলচ্চিত্রের নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন এই তারকা জুটি। তাদের সঙ্গে প্রযোজনা প্যানেলে আরো থাকছেন লেখক থম্পসন ও চিত্রনাট্যকার ট্যানেন। 

সূত্র : ডেডলাইন

বাংলাদেশি মডেল শান্তাকে হোটেলে ডাকা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন কলকাতার পরিচালক | কালের কণ্ঠ