• ই-পেপার

কতটা জমল ৩৪ তারকার ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?

‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে আলোচনায় আসা কে এই তরুণী?

বিনোদন প্রতিবেদক
‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে আলোচনায় আসা কে এই তরুণী?
সংগৃহীত ছবি

বছর দুয়েক আগে অন্তর্জালে মুক্তি পেয়েছিল ‘ভ্যানিশিং ম্যান’। মুক্তির পর দর্শকের সাড়াও পেয়েছিল বেশ। সে ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগেই আসে নাটকটির সিক্যুয়াল। বরাবরের মতোই সিক্যুয়াল ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দর্শকের মন জয় করেছে।

ইতিমধ্যে নাটকটি দেখেছেন প্রায় ৬০ লাখ দর্শক। মন্তব্যের ঘরে জমা পড়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মন্তব্য।

তবে নাটকটিতে দর্শকের কাছে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে জিয়াউল হক পলাশের বিপরীতে অভিনয় করা তরুণ অভিনেত্রী শেগুফতা আহমেদ জারবীনি। নবাগতার মিষ্টি চেহারা আর হাসির পাশাপাশি তার অভিনয়ও মুগ্ধ করেছে দর্শকদের।

May be a graphic of one or more people, beard and text

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি ইউটিউবে মন্তব্যের ঘরে দেখা গেছে ইতিবাচক প্রশংসা। কেউ কেউ লিখেছেন, ‘নায়িকা অসাধারণ অভিনয় করেছে। একদম ন্যাচারাল, নো ওভার এক্টিং। আরো নাটকে দেখতে চাই’। আরেকজন লিখেন, ‘মেয়েটাকে দারুণ মানিয়েছে। পরিমিত অভিনয়।’

কাজটি নিয়ে দর্শকের সাড়া প্রসঙ্গে জারবীনি বলেন, ‘নাটকটি রিলিজের পর থেকে এখনো পর্যন্ত দর্শকদের কাছ থেকে এত বেশি সাড়া পাচ্ছি, তা অভাবনীয়। সত্যি বলতে এই অভিজ্ঞতা আমার জন্য একদমই নতুন। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট এবং তাদের মন্তব্য দেখে আমি আপ্লুত। সবাই এত প্রশংসা করছেন আমি নিজেই খুব লজ্জা পাচ্ছি। বিষয়টি অনেক উপভোগ করছি।’

যদিও অভিনয়ে জারবীনি একেবারে নতুন নন। স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়ার, সেজন্য অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনাও শেষ করেছেন। এরমধ্যেই এলেন অভিনয়ে। এর আগে নাজমুল হুদা ঈমনের পরিচালনায় ‘কুড বি আস!’, ‘কুলেজ’-এ অভিনয় করলেও ‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’ দিয়ে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিষেক হয় জারবীনির। যদিও আগের কিস্তিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন এবং তাতে পলাশের বিপরীতে দেখা গিয়েছিল সাফা কবিরকে।

May be an image of one or more people and people smiling

নবাগতা এই অভিনেত্রী বলেন, ‘যেহেতু ‘ভ্যানিশিং ম্যান’-এ আমি ছিলাম সেহেতু জানতাম যে এটার সিক্যুয়ালেও থাকব। কিন্তু আমি যে প্রটাগনিস্ট হিসেবে সুযোগ পাব এতে, এটা ভাবিনি। ভেবেছিলাম সাফা কবির আপুই থাকবেন। কিন্তু শুটিং শুরুর এক সপ্তাহ আগে জানতে পারি যে, এখানে একমাত্র মেয়ে চরিত্রে আমিই আছি। উচ্ছ্বসিত ছিলাম একইসঙ্গে নার্ভাসও। চেষ্টা করেছি নিজের সবটুকু দিয়ে কাজ করার। দর্শক যখন কাজটি পছন্দ করতে শুরু করল তখন ভালো লাগাটা বেড়ে গেল।’    

এদিকে নাটকটির নির্মাতা নাজমুল হুদা ইমন বলেন, ‘ভ্যানিশিং ম্যান’ নাটকটি যে পরিমাণ ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি সিক্যুয়ালটিতে তা তার চেয়েও অনেক বেশি। সবাই অনেক প্রশংসা করছেন, দর্শকরা উপভোগ করছেন কাজটি। পলাশের সঙ্গে জারবীনির জুটিটা দর্শক আরও বেশি পছন্দ করেছেন। নতুন হিসেবে সে অনেক ভালো পারফর্ম করেছে। যা দর্শকরাই বলছেন।

‘ভ্যানিশিং ম্যান রিটার্নস’- জিয়াউল হক পলাশ, জারবীনি ছাড়া আরও অভিনয় করেছেন সৈয়দ বাচ্চু, এরফান মৃধা শিবলু, জাবেদ গাজি, ফরহাদ জুলফিকার, আনোয়ার হোসেন, শাহানা স্বপ্না এবং শরীফ আজম প্রমুখ। 

অবস্থা সংকটাপন্ন, ফের ভেন্টিলেটরে মুস্তাফা মনোয়ার

বিনোদন প্রতিবেদক
অবস্থা সংকটাপন্ন, ফের ভেন্টিলেটরে মুস্তাফা মনোয়ার
সংগৃহীত ছবি

নিউমোনিয়াজনিত জটিলতায় দীর্ঘ দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। কয়েক দিন আগে ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়ায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির আশা জেগেছিল। তবে সেই আশায় ভাটা পড়েছে। 

আবারও তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ারের স্ত্রী মেরী মনোয়ার। 

তিনি গণমাধ্যমে বলেন, ‘ভেন্টিলেটর খুলে নেওয়ার দুই দিন পর আবারও তাঁকে ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বেশ ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আইসিইউতে ভর্তি রয়েছে। ওঁনার ফুসফুস মারাত্মকভাবে ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্ত। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। দোয়া করবেন।’

জানা গেছে, নিউমোনিয়ার জীবাণুতে আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

এর আগে তার অসুস্থতা নিয়ে মেরী মনোয়ার বলেছিলেন, ‘১৪ জুন ওঁনাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখাতে নিয়ে গিয়েছিলাম। ওঁনার প্রেসার ও অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাচ্ছিল। তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা আইসিইউতে ভর্তির পরামর্শ দেন। গত চার দিন ধরে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।’

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। 

দীর্ঘ কর্মজীবনে শিল্প, সংস্কৃতি ও শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণে অসামান্য অবদান রেখে তিনি দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। শিল্পকলায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

নিজেকে সুখী ঘোষণা করলেন সোনাক্ষী

বিনোদন ডেস্ক
নিজেকে সুখী ঘোষণা করলেন সোনাক্ষী
সংগৃহীত ছবি

একসময় বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় নিয়মিত মুখ ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। তবে সময়ের সঙ্গে বদলেছে তার কাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি। এখন আর বেশি সংখ্যক সিনেমায় অভিনয় নয়, বরং চরিত্রের মান, অভিনয়ের সুযোগ এবং ব্যক্তিগত তৃপ্তিকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন তিনি। 

এমনকি পছন্দের কাজ না পেলেও নিজের জীবন নিয়ে তিনি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট বলেই জানিয়েছেন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বর্তমান মানসিকতার কথা তুলে ধরে সোনাক্ষী বলেন, ‘আমি এখন এমন একটি জায়গায় আছি, যেখানে শুধু নিজের জন্যই কাজ করি। যে কাজ আমাকে আনন্দ দেয়, সেটাই করি। এর বাইরে আমার জীবনও পরিপূর্ণ। যদি আমার পছন্দের কাজ না-ও আসে, তাতেও আমি আমার নিজের ছোট্ট দুনিয়াতেই খুব সুখে আছি।’

Sonakshi Sinha's Latest Instagram Photos Are A Treat For Her Fans, Check  Them Out

তার ভাষ্যে, এই পরিবর্তন হঠাৎ করে আসেনি। ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে অন্যকে খুশি করা কিংবা পেশাগত প্রয়োজনের কারণে এমন অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন, যেগুলো হয়তো তার নিজের প্রথম পছন্দ ছিল না। কিন্তু এখন তিনি সচেতনভাবেই এমন চরিত্র বেছে নিচ্ছেন, যা একজন শিল্পী হিসেবে তাকে তৃপ্তি দেয়।

এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘এটা শতভাগ সচেতন সিদ্ধান্ত। প্রতিটি নতুন কাজের সঙ্গে আমি আরও বেশি সন্তুষ্ট হচ্ছি। ক্যারিয়ারে অনেক ধরনের কাজ করেছি। কোনো কিছু নিয়েই আমার আফসোস নেই। কিন্তু এখন আমি শুধু সেই কাজই করতে চাই, যা আমাকে সত্যিকারের আনন্দ দেয়।’

গত কয়েক বছরে চরিত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সেই পরিবর্তনের ছাপ স্পষ্ট। ‘দাহাড়’-এ একজন পুলিশ কর্মকর্তা, ‘হীরামান্ডি’-তে এক তবায়েফ এবং সম্প্রতি অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারির নতুন ছবি ‘সিস্টেম’-এ একজন আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

Sonakshi Sinha | గులాబీ క‌ల‌ర్ డ్రెస్‌లో పిచ్చెక్కిస్తున్న‌ సోనాక్షి  సిన్హా..-Namasthe Telangana

নতুন ছবি ‘সিস্টেম’ নিয়েও বেশ আশাবাদী সোনাক্ষী। ছবিটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি কাজ করেছি, যা নিয়ে গর্ব করা যায়। অশ্বিনী, জ্যোতিকা ও আশুতোষ গোয়ারিকরের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা দারুণ ছিল।’

ছবিটির প্রচারণার সময় পরিচালক অশ্বিনী আইয়ার তিওয়ারি সোনাক্ষীকে ভারতের ‘মেরিল স্ট্রিপ’ ও ‘কেট উইন্সলেট’ বলে প্রশংসা করেন। 

সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি তাকে ফোন করে বলেছিলাম, তুমি তো আমার ওপর অনেক চাপ বাড়িয়ে দিলে! তবে এমন দুই অসাধারণ অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনা করা হলে সত্যিই ভালো লাগে।’

কেন ভাঙল রানি-ঐশ্বরিয়ার একসময়ের গভীর বন্ধুত্ব?

বিনোদন ডেস্ক
কেন ভাঙল রানি-ঐশ্বরিয়ার একসময়ের গভীর বন্ধুত্ব?
সংগৃহীত ছবি

একসময় বলিউডের জনপ্রিয় দুই অভিনেত্রী রানি মুখার্জি ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মধ্যে ছিল দারুণ বন্ধুত্ব। শুধু সহকর্মীই নন, ব্যক্তিগতভাবেও তাদের সম্পর্ক ছিল বেশ আন্তরিক। পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া নিজেই সেই বন্ধুত্বের নানা স্মৃতি তুলে ধরেছিলেন। পরে এক অনুষ্ঠানে রানিও প্রকাশ্যে ঐশ্বরিয়াকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। আমরা চিরকাল বন্ধু হয়েই থাকব।’

ঐশ্বরিয়া জানান, একটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট ট্যুরে প্রায় ৪৫ দিন একসঙ্গে কাটানোর সময়ই তাদের বন্ধুত্ব আরও গভীর হয়। ওই সফরে তারা একসঙ্গে বিভিন্ন দেশে পারফর্ম করেন, ভ্রমণ করেন এবং একই টিমের সঙ্গে সময় কাটান। শুধু তাই নয়, তাদের পরিবারের সদস্যরাও সেই সফরে ছিলেন, ফলে কাজের বাইরেও একে অপরকে কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছিল।

সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া বলেন, ‘রানি খুব আন্তরিক, খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহজ-সরল একজন মানুষ। আমাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো জড়তা বা জটিলতা ছিল না। ওয়ার্ল্ড ট্যুরে একসঙ্গে কাটানো ৪৫ দিন আমাদের বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করে। সেই সময় থেকেই আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।’

তিনি আরো বলেন, একই ইন্ডাস্ট্রির দুই অভিনেত্রীর মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব হতে পারে না—এমন ধারণা সঠিক নয়। বাস্তবে তাদের সম্পর্ক ছিল একেবারেই স্বাভাবিক এবং আন্তরিক।

অন্যদিকে, এক অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে যেতে পারেননি রানি মুখার্জি। তবে অনুষ্ঠানের জন্য একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়ে তিনি বলেন, ‘তুমি তো জানো আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি। শরীর খারাপ থাকায় আসতে পারিনি, এজন্য খুব খারাপ লাগছে। তবে শুধু এটুকু জানাতে চাই যে আমি তোমাকে ভালোবাসি এবং আমার জীবনে তোমার গুরুত্ব অনেক। আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি, ঐশ্বরিয়া। আমার মনে হয় না এটা আলাদা করে বলার প্রয়োজন আছে; কিন্তু সবার সামনে আমাকে এটা আবারও টিভিতে বলতে হচ্ছে। শুধু একটা কথাই বলতে চাই—আমরা চিরকাল বন্ধু হয়েই থাকব।’

তবে এই বন্ধুত্ব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বলিউডে দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৩ সালে ‘চলতে চলতে’ সিনেমায় প্রথমে শাহরুখ খানের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে ঐশ্বরিয়া রাইকে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাকে বাদ দিয়ে রানী মুখার্জিকে কাস্ট করা হয়। এই ঘটনার পর থেকেই দুই অভিনেত্রীর সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সময়ের সঙ্গে তাদের যোগাযোগও কমে যায়। একসময় যে বন্ধুত্বকে বলিউডের অন্যতম আন্তরিক সম্পর্ক হিসেবে দেখা হতো, সেটিই পরে ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে আলোচিত সম্পর্কের টানাপোড়েনের একটি উদাহরণ হয়ে ওঠে। যদিও এ বিষয়ে দুই অভিনেত্রীই প্রকাশ্যে খুব বেশি মন্তব্য করেননি, তবুও তাদের পুরোনো সাক্ষাৎকার ও ভিডিও বার্তা আজও তাদের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।