• ই-পেপার

‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান, শোরুম উদ্বোধন না করেই ফিরলেন পরীমনি

‘স্ত্রীর গোলামি’ করতেই শান্তি পাই : রাজীব খাণ্ডেলওয়াল

বিনোদন ডেস্ক
‘স্ত্রীর গোলামি’ করতেই শান্তি পাই : রাজীব খাণ্ডেলওয়াল
সংগৃহীত ছবি

স্ত্রী মঞ্জিরির জন্য প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করতে ভালোবাসেন অভিনেতা রাজীব খাণ্ডেলওয়াল। ভালোবাসা থেকেই এসব করেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি মজা করে নিজেকে স্ত্রীর ‘গোলাম’ বলতেও আপত্তি নেই তার।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিজের দাম্পত্য জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন রাজীব। অনুষ্ঠানে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি স্ত্রীকে ভয় পান?

হেসে রাজীব বলেন, ‘ভয় নয়, এটি ভালোবাসার অনুভূতি।’ তিনি বলেন, ‘আমি ভয় পেয়ে থাকি না। আমি তাকে ভালোবাসি। আর যাকে ভালোবাসি, তাকে নিয়ে এক ধরনের মিষ্টি ভয়ও থাকে।’

ফ

এরপর তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, স্ত্রীর জন্য তিনি কী কী করেন।

জবাবে রাজীব বলেন, তার দিন শুরু হয় মঞ্জিরির জন্য এক কাপ চা বানিয়ে। তিনি বাড়িতে থাকলে সকালের নাশতাও তৈরি করে দেন। দুপুরে কী খাওয়া হবে, সেটি ঠিক করেন মঞ্জিরি। বিকেলে আবার তার জন্য চা বানান রাজীব। কারণ, তার হাতের চা মঞ্জিরির খুব পছন্দ।

তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার দিকে মঞ্জিরি নাশতা খেতে চাইলে সেটিও এনে দেন। মজা করে রাজীব বলেন, ‘একবার কোনো অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে সেটি পরে প্রত্যাশায় পরিণত হয়। কোনো দিন ভুলে গেলে মঞ্জিরি তাকে মনে করিয়ে দেন।’

রাজীবের ভাষায়, ‘যত বেশি যত্ন করবেন, ততই সেটা অভ্যাস হয়ে যাবে। তবে এতে আমার কোনো সমস্যা নেই।’

তিনি বলেন, “আমরা আসলে কারো গোলাম নই। কিন্তু ভালোবাসার জন্য করা এই ‘গোলামি’তে আলাদা আনন্দ, শান্তি আর সুখ আছে। জীবনে যদি একজন মানুষের জন্য এমন কিছু করতে হয়, তাহলে সেই মানুষটি আমার কাছে মঞ্জিরি।”

উল্লেখ্য, রাজীব খাণ্ডেলওয়াল ও মঞ্জিরি ২০১১ সালে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনের ১৫ বছর পরও তাদের সম্পর্কের এই আন্তরিক দিক ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের

বিনোদন ডেস্ক
দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে, স্বপ্নের বিয়ের ছবি প্রকাশ জেনিফারের
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে দীর্ঘদিনের প্রেমিক উইলিয়াম ইশমাইলকে বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট। বিয়ের কয়েক দিন পর তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বপ্নের বিয়ের একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১জুলাই) এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।  

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ছবিতে সাদা গাউনে উজ্জ্বল ও হাস্যোজ্জ্বল জেনিফারকে দেখা যায়। কোনো ছবিতে তিনি স্বামী উইলিয়ামের বাহুডোরে। আবার কোনো ছবিতে দুজনকে রোমান্টিক মুহূর্তে দেখা গেছে।

জ

আরো কয়েকটি ছবিতে জেনিফারের কনের সাজ, সূচিকর্ম করা ভেইল এবং চার্চের সিড়ি দিয়ে হেঁটে আসার দৃশ্য রয়েছে। একটি ছবিতে বাবাকে জড়িয়ে ধরা আবেগঘন মুহূর্তও ধরা পড়েছে।

এর আগে জেনিফার একটি ভিডিওও প্রকাশ করেন। সেখানে চার্চে বিয়ের শপথ নেওয়া, আংটি বদল এবং ফটোশুটের কিছু মুহূর্ত দেখা যায়।

গ

 

ভিডিওর শেষে তিনি লেখেন, ‘Officially introducing my man, my husband, Will!’ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘অবশেষে আমাদের তারারা একসঙ্গে মিলেছে।’

 

ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ জুলাই যুক্তরাজ্যে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল একটি ব্যক্তিগত আয়োজন। অনুষ্ঠানে শুধু পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। অনেক দিন ধরেই জেনিফার ও উইলিয়ামের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন ছিল। তবে তারা কখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কিছু বলেননি।

গ

 

উইলিয়াম ইশমাইল সিঙ্গাপুরভিত্তিক একজন ফাইন্যান্স পেশাজীবী। তিনি ২০২২ সাল থেকে এমএইচসি ডিজিটাল গ্রুপে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রেডিং বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

উল্লেখ্য, এর আগে জেনিফার উইনগেট টেলিভিশন অভিনেতা করণ সিং গ্রোভারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ২০১৪ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

‘দ্য ওডিসি’তে র‍্যাপার ট্র্যাভিস স্কটকে নেওয়ার কারণ জানালেন নোলান

অনলাইন ডেস্ক
‘দ্য ওডিসি’তে র‍্যাপার ট্র্যাভিস স্কটকে নেওয়ার কারণ জানালেন নোলান

ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন চলচ্চিত্র ‘দ্য ওডিসি’-তে আমেরিকান র‍্যাপার ট্র্যাভিস স্কটের উপস্থিতি প্রথম থেকেই দর্শকদের কৌতূহলী করে তুলেছিল। ছবি মুক্তির পর দেখা গেল, শুধু অতিথি চরিত্র বা চমক হিসেবে নয়, গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই তাকে পর্দায় হাজির করেছেন নোলান। ছবির শুরুর দিকে একজন গায়কের ভূমিকায় অভিনয় করার পাশাপাশি সিনেমার সমাপনী গানেও নিজের কণ্ঠ ও সুর দিয়েছেন এই র‍্যাপার।

নোলানের মতে, হোমারের প্রাচীন গ্রীক মহাকাব্যটি মূলত মৌখিক কবিতার মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়েছিল, যার সঙ্গে আধুনিক ‘র‍্যাপ’ সংগীতের দারুণ মিল রয়েছে। গল্প বলার এই ধারার কারণেই স্কটকে নির্বাচন করা হয়েছিল। স্কটও জানান, নোলানের সাথে কাজ করতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করেন যে গল্প বলার বিষয়ে দুজনের ভাবনা একই রকম।

ছবিতে দেখা যায়, ওডিসিউসের অনুপস্থিতিতে রাজপ্রাসাদ দখল করে নেওয়া অতিথিদের গান শুনিয়ে মনোরঞ্জন করতে দেখা যায় স্কটকে। সেখানে তিনি ট্রোজান যুদ্ধে ওডিসিউসের বীরত্বের গল্প সুর করে গেয়ে শোনান। তবে রানি পেনেলোপি (অ্যান হ্যাথাওয়ে) গানটি মাঝপথেই থামিয়ে দেন। ছবি শেষে বেজে ওঠে অফিসিয়াল সাউন্ডট্র্যাকের শেষ গান ‘হোয়েন আই’ম হোম’। গানটি লিখেছেন অস্কারজয়ী সুরকার লুডভিগ গোরানসন, জেমস ব্লেক ও ট্র্যাভিস স্কট। এই গানে সহলেখক হিসেবে ক্রিস্টোফার নোলানের নামও রয়েছে।

নোলানের সঙ্গে ট্র্যাভিস স্কট ও লুডভিগ গোরানসনের কাজ এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০২০ সালে নোলানের ‘টেনেট’ সিনেমার শেষ দৃশ্যে বাজানো ‘দ্য প্ল্যান’ গানটিতেও তারা একসাথে কাজ করেছিলেন। প্রাচীন মহাকাব্য ও আধুনিক সংগীতের এই মেলবন্ধন সিনেমাটিকে আলাদা এক মাত্রা দিয়েছে।

আদালতের নির্দেশে আটকে গেল প্যারামাউন্ট-ওয়ার্নার ব্রাদার্সের চুক্তি

অনলাইন ডেস্ক
আদালতের নির্দেশে আটকে গেল প্যারামাউন্ট-ওয়ার্নার ব্রাদার্সের চুক্তি
ছবি : রয়টার্স

প্যারামাউন্ট ও ওয়ার্নার ব্রাদার্সের বহুল আলোচিত একীভূতকরণ চুক্তিতে ১৪ দিনের অস্থায়ী স্থগিতাদেশ দিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল আদালত। যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলচ্চিত্রের দাম বৃদ্ধি এবং কনটেন্ট কমে যাওয়ার আশঙ্কায় ক্যালিফোর্নিয়ার নেতৃত্বে ১২টি অঙ্গরাজ্য একচেটিয়া ব্যবসা বিরোধী আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করে। আগামী ৩ আগস্ট এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিচারক আরাচেলি মার্টিনেজ-ওলগুইন জানান, একীভূতকরণটি বাজারের প্রতিযোগিতা ও দর্শকদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটাবে কি না—তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়ে গেছে। অঙ্গরাজ্যগুলোর দাবি, হলিউডের শীর্ষ চলচ্চিত্র পরিবেশকদের একত্রিত করা হলে চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন বাজারে প্রতিযোগিতা নষ্ট হবে। এদিকে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্যারামাউন্ট। তাদের দাবি, আধুনিক বিনোদন বাজারে অ্যামাজনের মতো নতুন প্রতিযোগী রয়েছে, ফলে এই চুক্তিতে প্রতিযোগিতা কমবে না। উল্টো এটি নেটফ্লিক্সের মতো বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় সাহায্য করবে।

আইনি জটিলতা ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে এই মেগা-একত্রীকরণের ভবিষ্যৎ। চুক্তিটি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করতে না পারলে প্যারামাউন্টকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অর্থ জরিমানাস্বরূপ গুণতে হতে পারে, যা এই চুক্তি বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান, শোরুম উদ্বোধন না করেই ফিরলেন পরীমনি | কালের কণ্ঠ