• ই-পেপার

শাবনাজ-নাঈমের দুই মেয়ে বিজ্ঞাপনে

ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন সোহেল খান

বিনোদন ডেস্ক
ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন সোহেল খান
সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ ১৯৯৮ সালে বিয়ে করেন।

বলিউডের প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের ছোট ছেলে এবং সুপারস্টার সালমান খানের ভাই অভিনেতা ও নির্মাতা সোহেল খান জানিয়েছেন, তার বড় ছেলে নির্বাণ খানের নাম প্রথমে ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলেন তিনি। তবে সন্তান জন্মের পর সেই পরিকল্পনা বদলে যায় এবং ছেলের নাম রাখা হয় ‘নির্বাণ’।

সম্প্রতি ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে নিজের পারিবারিক জীবনের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন সোহেল খান। সেখানেই তিনি জানান, ছেলে জন্মের আগে তার ও সাবেক স্ত্রী সীমা সাজদেহর মধ্যে একটি মজার চুক্তি হয়েছিল।

সোহেল বলেন, সন্তান জন্মের আগে তারা ঠিক করেছিলেন—ছেলে হলে নাম রাখবেন সোহেল, আর মেয়ে হলে নাম রাখবেন সীমা। সেই অনুযায়ী তিনি ছেলের জন্য ‘রাম খান’ নামটি পছন্দ করেছিলেন।

সোহেলের ভাষ্য, আমি আমার ছেলের নাম ‘রাম খান’ রাখতে চেয়েছিলাম। আমরা এ ব্যাপারে খুবই ধর্মনিরপেক্ষ ছিলাম।

তবে সন্তান জন্মের পর শেষ পর্যন্ত সেই নাম রাখা হয়নি। সোহেল জানান, নির্বাণের জন্মের পর সীমার জ্ঞান ফেরার সময় তিনি ছেলের নাম হিসেবে ‘নির্বাণ’ শব্দটি বলেন। সীমা যখন জানতে চান, ‘নির্বাণ কেমন আছে?’, তখন সোহেলের মনে হয়, এই নামটিই যেন ছেলের জন্য ঠিক করা হয়ে গেছে।

সোহেল বলেন, সীমা যেভাবে স্বাভাবিকভাবে নামটি বলেছিলেন, এরপর আর তিনি নাম পরিবর্তনের কথা ভাবেননি। মজার ছলে তিনি আরো জানান, নির্বাণের স্বভাবও তার নামের মতো—শান্ত ও স্থির।

সন্তানদের লালন-পালন নিয়ে প্রশংসা

‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে অভিনেতা আলি গনির সঙ্গে কথোপকথনের সময় সোহেল ও সীমার সন্তানদের নিয়েও আলোচনা হয়। আলি তাদের সন্তানদের ভদ্রতা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, সোহেল ও সীমার সন্তানদের মধ্যে বাবা-মায়ের শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রতিফলন দেখা যায়।

বিচ্ছেদের পরও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক

সোহেল খান ও সীমা সাজদেহের বিচ্ছেদের পরও তাদের সম্পর্কের উষ্ণতা ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে দেখা যায়। শো-তে সীমার উপস্থিতির সময় সোহেল তাকে বিশেষভাবে স্বাগত জানান।

সোহেল বলেন, ‘আমি এই সুন্দরী নারীর সঙ্গে ২৫ বছর কাটিয়েছি। জাতীয় টেলিভিশনে আমি স্বীকার করছি, যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, তার দায়ভার আমিই নেব।’

এর জবাবে সীমাও সোহেলের সঙ্গে দেখা হওয়ার আনন্দ প্রকাশ করেন। পরে যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, শো-তে তার ‘অ্যালায়েন্স’ বা সহযোগী কে, তখন সীমা বলেন, ‘এই মুহূর্তে সোহেলই আমার একমাত্র সহযোগী।’

সোহেলও জানান, শো-তে সীমাকে দেখে তিনি ভেতর থেকে খুশি হয়েছিলেন। দীর্ঘদিন পর পরিবারের একজন সদস্যের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়াটা তার কাছে বিশেষ অনুভূতি ছিল।

বিয়ে ভাঙা নিয়ে সোহেলের স্বীকারোক্তি

শো-এর আরেক পর্বে নিজের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়েও খোলামেলা কথা বলেন সোহেল। তিনি জানান, একসময় তার ক্যারিয়ার ভালো যাচ্ছিল না এবং সেই সময় মানসিক অবস্থাও ভালো ছিল না।

সোহেল বলেন, নিজের আচরণের কারণেই তিনি এমন একজন মানুষকে হারিয়েছেন, যাকে তিনি সত্যিই ভালোবাসতেন।

তিনি আরো বলেন, ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সুখে থাকাটাই আসল। ও আমার দুই সুন্দর সন্তানের মা, তাই ভালোবাসার চেয়েও সীমার প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে।’

সোহেলের মতে, বিচ্ছেদের পরও সন্তানদের জন্য ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। কারণ বাবা-মায়ের দূরত্ব যেন সন্তানদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে।

২৪ বছরের দাম্পত্যের পর বিচ্ছেদ

সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ ১৯৯৮ সালে পালিয়ে বিয়ে করেন। দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর ২০২২ সালে তারা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তাদের দুই ছেলে—নির্বাণ খান ও ইয়োহান খান। বিচ্ছেদের পরও তারা দুজন মিলে সন্তানদের দায়িত্ব পালন করছেন।

সোহেল জানান, সন্তানদের কথা ভেবেই তারা একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তিনি বলেন, সন্তানরা যখন একসঙ্গে থাকে, তখন তারাও একসঙ্গে সময় কাটান।

তিনি আরো জানান, সীমা নিয়মিত সন্তানদের সঙ্গে দেখা করতে তার বাড়িতে আসেন এবং তাদের সম্পর্ক এখন পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি।

বর্তমানে সীমা সাজদেহ ব্যবসায়ী বিক্রম আহুজার সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন। উল্লেখ্য, সোহেল খানকে বিয়ে করার আগে সীমার সঙ্গে বিক্রম আহুজার বাগদান হয়েছিল।

‘যাকেই সমর্থন করেছি, সেই দলই বাদ’, বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে টয়া

বিনোদন প্রতিবেদক
‘যাকেই সমর্থন করেছি, সেই দলই বাদ’, বিশ্বকাপ প্রসঙ্গে টয়া
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই উত্তেজনা, আবেগ আর সমর্থকদের নানা বিশ্বাস-কুসংস্কারের গল্প। কেউ নির্দিষ্ট জার্সি পরে খেলা দেখেন, কেউ আবার একই জায়গায় বসে পুরো ম্যাচ শেষ করেন। তবে অভিনেত্রী ও মডেল মুমতাহিনা চৌধুরী টয়ার বিশ্বাসটা একটু ভিন্ন। 

তাঁর দাবি, তিনি যে দলকে সমর্থন করেন, শেষ পর্যন্ত সেই দলই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।

বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিওবার্তায় নিজের এই মজার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন টয়া। 

তিনি জানান, এবারের বিশ্বকাপে একের পর এক সমর্থন করা দল বিদায় নেওয়ায় অনেকেই তাকে ‘কুফা ভক্ত’ বলেও সম্বোধন করছেন।

ভিডিওতে টয়া জানান, বিশ্বকাপের শুরুতে বরাবরের মতো তিনি সমর্থন করেছিলেন জার্মানিকে। কিন্তু প্রিয় দলটি রাউন্ড অব ৩২-এ প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায়। এরপর তিনি ব্রাজিলের পক্ষে থাকেন, কিন্তু সেই দলও বিদায় নেয়। জাপানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখতে চাইলেও তাদের যাত্রাও বেশিদূর এগোয়নি।

এই বিশ্বকাপে নিজের প্রিয় দল জার্মানির বিদায়ের পর আর্জেন্টিনার সমর্থনও করেছেন মুমতাহিনা টয়া

একের পর এক এমন ফলাফলের পর নিজের সমর্থন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন এই অভিনেত্রী। ভিডিওতে তিনি বলেন, “আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, জীবনের এই নিরীক্ষাটা এবার সিরিয়াসলি করব। পরবর্তী যে দলটাকে সমর্থন করব, সেই দলও যদি বাদ পড়ে যায়, তাহলে আমি মেনে নেব, সমস্যাটা সত্যিই আমার! তাই এবার আমি আর্জেন্টিনাকেই সমর্থন করব। যদি আর্জেন্টিনা হেরে যায়, ফাইনালে উঠতে না পারে কিংবা শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে ব্যর্থ হয়, তাহলে নিজেকে ‘কুফা ভক্ত’ হিসেবেই মেনে নেব।”

হাস্যরসের সুরে তিনি আরো বলেন, “আর্জেন্টিনা সমর্থনের পর যদি এই দলও হেরে যায়, তার পর থেকে ফুটবল খেলা দেখাই বন্ধ করে দেব। একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবে যদিও এটা আমার জন্য খুবই হতাশার। কারণ, আমি ফুটবল ভীষণ ভালোবাসি, অথচ বারবার আমার সমর্থন করা দলগুলো টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিচ্ছে। শুধু সামাজিকমাধ্যমেই নয়, আশপাশের অনেক মানুষও আমাকে ‘কুফা ভক্ত’ বলে ডাকতে শুরু করেছে। তাই বিষয়টাকে আমি এখন একটা এক্সপেরিমেন্ট হিসেবেই দেখছি। তবে সবাইকে একটা অনুরোধ, আমাকে খুব বেশি বকাঝকা করবেন না, আর এখনই কুফা বলেও দেবেন না। আমার এই নিরীক্ষার ফলাফলটা আগে দেখা যাক!”

একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া অন্য ফুটবলপ্রেমীদেরও নিজের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন টয়া। তিনি বলেন, “আমার মতো যদি আর কেউ থেকে থাকো—যে দলকে সমর্থন করলেই সেই দল কোনো না কোনোভাবে বাদ পড়ে যায়, তাহলে ভিডিওর মন্তব্যে জানাও। আমাদের একে অপরকে দরকার। তাহলে অন্তত বুঝতে পারব, আমি একা, নাকি এমন ‘কুফা ভক্তদের’ একটা পুরো দলই আছে!”

ভিডিওর শেষদিকে আবারও মজার ছলে টয়া বলেন, ‘বিষয়টা আসলে মজার হলেও একটু কষ্টের। কারণ, নিজের পছন্দের দলগুলোর বিদায় দেখা কখনোই সুখকর নয়। তাই চলুন, এই নিরীক্ষাটা একসঙ্গে করি। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত আমরা সত্যিই কুফা ভক্ত কি না, নাকি সবই কাকতালীয় ঘটনা!’
 

বেবি বাম্প নিয়ে প্রকাশ্যে সোহিনী, বিবাহবার্ষিকীতেই দিলেন সুখবর

বিনোদন ডেস্ক
বেবি বাম্প নিয়ে প্রকাশ্যে সোহিনী, বিবাহবার্ষিকীতেই দিলেন সুখবর
সংগৃহীত ছবি

বিবাহবার্ষিকীর দিনই ভক্তদের সঙ্গে জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সংবাদ ভাগ করে নিলেন টালিউডের শোভন গাঙ্গুলি ও সোহিনী সরকার দম্পতি। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেবি বাম্পের ছবি প্রকাশ করে জানিয়ে দিলেন, তাঁদের সংসারে আসছে নতুন অতিথি। অর্থাৎ খুব শিগগির দুই থেকে তিন হতে চলেছেন এই তারকা দম্পতি।

২০২৪ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শোভন ও সোহিনী। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল থাকলেও সম্পর্কের নানা মুহূর্ত সব সময়ই আড়ালেই রেখেছেন তারা। তাই কয়েক মাস ধরে সোহিনীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন শোনা গেলেও বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।

এরই মধ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সোহিনীর উপস্থিতি কমে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরো জোরালো হয়। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বেবি বাম্প নিয়ে প্রকাশ্যে দেখা গেলে তাঁর ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এরপর অনুরাগীদের মধ্যে আলোচনা আরো বাড়লেও নীরব ছিলেন শোভন-সোহিনী।

May be an image of smiling

অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজেদের বিবাহবার্ষিকীর দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেন এই দম্পতি। ছবিগুলোতে বেবি বাম্পের পাশাপাশি ধরা পড়ে তাদের ভালোবাসা, হাসিমুখ আর নতুন জীবনের অপেক্ষার আনন্দ। ছবির ক্যাপশনে মাত্র তিনটি শব্দ লিখেছেন তাঁরা—‘দুই থেকে তিন’।

এই ছোট্ট বার্তাই নিশ্চিত করে দেয়, খুব শিগগিরই প্রথম সন্তানের বাবা-মা হতে চলেছেন শোভন গাঙ্গুলি ও সোহিনী সরকার।

ছবি প্রকাশের পরপরই শুভেচ্ছায় ভরে যায় মন্তব্যের ঘর। টালিউডের সহশিল্পী, নির্মাতা, সংগীতশিল্পীসহ অসংখ্য ভক্ত নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, বিবাহবার্ষিকীতে এর চেয়ে সুন্দর উপহার আর হতে পারে না।

প্রেম, বিয়ে এবং এবার নতুন অতিথিকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষা—সব মিলিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখতে চলেছেন শোভন ও সোহিনী। আর সেই বিশেষ মুহূর্তটি তাঁরা উদযাপন করলেন নিজেদের সম্পর্কের সবচেয়ে স্মরণীয় দিনগুলোর একটিতে।

পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন নায়িকা ববিতা

বিনোদন প্রতিবেদক
পৈতৃক ভিটায় মসজিদ নির্মাণ করছেন নায়িকা ববিতা
সংগৃহীত ছবি

জীবনের শেষ দিকে এসে মানুষের উপকারে স্মরণীয় কিছু করে যেতে চান বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতা। সেই ভাবনা থেকেই যশোরে নিজের পৈতৃক ভিটায় একটি মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি বড় বোন সুচন্দা ও ছোট বোন চম্পাকে নিয়ে যশোরের বিজয়নগরে অবস্থিত তাদের দাদাবাড়ি ঘুরে যান ববিতা। শৈশবের অসংখ্য স্মৃতিবিজড়িত সেই সফরে মসজিদ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্বাচন করে এসেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গণমাধ্যমে ববিতা বলেন, ‘এবার দাদাবাড়িতে গিয়ে মসজিদের জন্য জমি দেখে এসেছি। জমি চূড়ান্ত করে এসেছি। এতে আমার খুব শান্তি লাগছে। মনে হচ্ছে, সৃষ্টিকর্তা আমাকে একটি ভালো কাজ করার সুযোগ দিচ্ছেন। আমি খুব সুন্দর করে একটি মসজিদ নির্মাণ করতে চাই।’

তিনি আরো বলেন, ‘একদিন তো সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। জন্ম হয়েছে, মৃত্যু একদিন হবেই। তাই চলে যাওয়ার আগে একটি ভালো কাজ করে যেতে চাই। খুব শিগগির মসজিদের নকশা করব। তারপর ধীরে ধীরে কাজ শুরু করব। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।’

চলচ্চিত্র অঙ্গনের আরেক কিংবদন্তি অভিনেত্রী রোজিনাও সম্প্রতি নিজ জেলার পৈতৃক ভিটায় মায়ের নামে একটি ১০ গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছেন। তুরস্কের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণে নির্মিত সেই মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে ইতোমধ্যেই একটি আকর্ষণীয় স্থাপনা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

১৯৬৮ সালে জহির রায়হান পরিচালিত ‘সংসার’ সিনেমার মাধ্যমে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় ববিতার। সে সময় তার নাম ছিল ‘সুবর্ণা’। পরে জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ সিনেমায় অভিনয়ের সময়ই তার নতুন নাম রাখা হয় ‘ববিতা’, আর সেই নামেই তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র।

নায়িকা হিসেবে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘শেষ পর্যন্ত’। আসল নাম ফরিদা আক্তার পপি হলেও দর্শকদের কাছে তিনি ববিতা নামেই সমাদৃত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘অশনি সংকেত’, ‘অনঙ্গ বউ’, ‘আলোর মিছিল’, ‘লাইলি-মজনু’, ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’, ‘দহন’ এবং ‘দীপু নাম্বার টু’।

বাংলাদেশে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার চালুর পর টানা তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে বিরল কৃতিত্ব গড়েন ববিতা। চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৬ সালে তাঁকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।