• ই-পেপার

নরসিংদী

চুন ফ্যাক্টরির আড়ালে গ্যাস চুরি, সংযোগ বিচ্ছিন্নের পরও বের হচ্ছে গ্যাস

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. রনিকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল বিকেলে (১৫ জুলাই) নরসিংদী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্ত রনি রাণীশংকৈল উপজেলার করনাইট কুমরগঞ্জ এলাকার মো. আব্দুর রহিমের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রের বরাতে র‌্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান,  ভুক্তভোগী ওই নারী ও অভিযুক্ত একই গ্রামের বাসিন্দা। ২০২৫ সালের ২ মে সকালে ওই নারীর একটি হারিয়ে যাওয়া ছাগল খুঁজতে অভিযুক্তের বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত রনি তাকে জোরপূর্বক একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বলে এবং ভুক্তভোগীকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

ঘটনার কিছুদিন পর ভুক্তভোগী নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই নারী বিয়ের দাবি করলে অভিযুক্ত ও তার পরিবার বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বিয়ের দাবিতে অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে ভুক্তভোগীকে মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে রনির বাবা আব্দুর রহিম ভুক্তভোগী নারীর বুকের উপর চেপে বসে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। ভুক্তভোগী চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে প্রসব বেদনা শুরু হলে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পরেও অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে আপস-মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে সময়ক্ষেপণ করে যাচ্ছিল।

এই ঘটনায় গত ৬ মে ভুক্তভোগী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল থানায় একটি ধর্ষণ এবং হত্যাচেষ্টার মামলা করেন (মামলা নং-০৬) । মামলার পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।

মামলাটির গুরুত্ব বিবেচনায় আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাব-১৩ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ জুলাই বিকেলে মামলার প্রধান আসামি রনিকে নরসিংদী জেলার শিবপুর থানার শহীদ মিনার, শাষপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।  গ্রেপ্তার আসামি রনিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে। 

পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত বেড়ে ৩
সংগৃহীত ছবি

পাবনার আতাইকুলায় এলাকায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ জনে। এ ঘটনায় আরো ৪ জন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা থানার সড়াডাঙ্গী এলাকার কড়ইতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের সলিম প্রামানিক (৬৫) তার স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীয়ার জামাল শেখের ছেলে রাজ শেখ (৩০)।

এ ঘটনায় গুরুত আহত সলিম প্রামানিকের মেয়ে নাজমিন খাতুন ও নাতী রিয়াদ সরদার। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনার মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান রহমান জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে থেকে কেয়া খাতুন নামের এক মেয়ের লাশ নিয়ে পাবনার বাড়িতে ফিরছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় কড়ইতলা নামক স্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন।

তিনি আরো জানান, আহত তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ সময় দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে ছলিম প্রামানিক মারা যান। নিহত সলিম প্রামানিক ও বুলু খাতুন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মৃত কেয়ার নানা ও নানী।

নবীগঞ্জে খালে পড়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণের মৃত্যু

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
নবীগঞ্জে খালে পড়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণের মৃত্যু
ছবি: কালের কণ্ঠ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে খালে পড়ে জুয়েল মিয়া (২১) নামে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) রাতে পৌর এলাকার কানাইপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত জুয়েল মিয়া কানাইপুর গ্রামের এখলাছ মিয়ার ছেলে। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার ছিলেন বলে জানা গেছে। তার মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নবীগঞ্জ থানার ওসি আবুল হোসেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার রাতেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমানোর প্রস্তুতি নেন জুয়েল। রাত আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটের দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে তিনি ঘর থেকে বের হন। অন্ধকারের কারণে বাড়ির পাশে থাকা খালে পা পিছলে তিনি পানিতে পড়ে যান। শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে তিনি আর পানি থেকে উঠতে পারেননি।

সূত্র আরো জানায়, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে পরিবারের লোকজন জুয়েলকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে খালের পানিতে তার নিথর দেহ ভেসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার মৃতদেহ উদ্ধার করেন।

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের আগুনে দগ্ধ ১০

চট্টগ্রাম, বোয়ালখালী প্রতিনিধি
বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের আগুনে দগ্ধ ১০

 

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন- বোয়ালখালীর দিদারুল আলম (৩২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮) ও নূর নবী (২৫), রাঙ্গুনিয়ার উজ্জ্বল দাশ (৫৩), সদরঘাটের মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজানের জাহিদুল আলম (৪২), পটিয়ার মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের সেলিম উদ্দিন (৩০)।

জানা গেছে, শ্রমিকরা কাজ করার সময় হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে তারা দগ্ধ হন। আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ জনকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় অবস্থা আশঙ্কাজনক।