• ই-পেপার

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে আইনজীবীর সহকারী, খোয়ালেন লাখ টাকা

ঢামেকে চিকিৎসাধীন কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে চিকিৎসাধীন কারাবন্দির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিন্টু ভূঁইয়া (৬১) নামের এক কারাবন্দির (হাজতি) মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সোয়া ২টার দিকে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৬০২ নম্বর ওয়ার্ডে তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ)-এ বন্দি থাকা অবস্থায় মিন্টু ভূঁইয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গত ৯ জুলাই কারারক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

মারা যাওয়া হাজতি মিন্টু ভূঁইয়া কী মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

নিবন্ধনের দাবিতে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পদযাত্রা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিবন্ধনের দাবিতে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের পদযাত্রা

পেশাগত নিবন্ধন এবং সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগের দাবিতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহাসমাবেশ ও পদযাত্রা করেছেন ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা। তারা সরকারপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের দাবি জানান।

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। আয়োজকদের দাবি, এতে দেশের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির (আইএইচটি) ডেন্টাল অনুষদের শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং বিভিন্ন জেলা থেকে আগত প্রায় পাঁচ হাজার ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী এতে অংশ নেন। এছাড়া সংগঠনের কেন্দ্রীয়, বিভাগীয়, জেলা ও মহানগর পর্যায়ের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত কর্মপরিধির আলোকে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের জন্য বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলর (বিএমডিসি) মাধ্যমে সীমিত পরিসরে পেশাগত নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাদের ভাষ্য, রাষ্ট্র-স্বীকৃত এই কোর্সের শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার নিজেই পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, ভর্তি, পরীক্ষা, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণ, সনদ প্রদান এবং সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছে। এমনকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মপরিধিও নির্ধারণ করে দিয়েছে। তবু তারা দীর্ঘদিন ধরে বিএমডিসির নিবন্ধন এবং নির্ধারিত কর্মপরিধির আওতায় সীমিত পরিসরে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদের মহাসচিব লায়ন মুহাম্মদ কামাল বলেন, হাজার হাজার প্রশিক্ষিত ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারী বর্তমানে কর্মসংস্থানের সংকট, পেশাগত বৈষম্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। এ ছাড়া কোর্সের নাম ও সিলেবাসের অসংগতির কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। কোর্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

বক্তারা আরো দাবি করেন, সমযোগ্যতাসম্পন্ন মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্টরা বিএমডিসি আইন, ২০১০-এর ১৫ ধারা ও পঞ্চম তফসিল অনুযায়ী নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন। এ ছাড়া বিএমডিসি আইন, ১৯৮০-এর ১৫(৩) ধারা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জীবিকার প্রয়োজনে একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে এবং সেই নিবন্ধন এখনো নবায়ন করা হচ্ছে। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীরা একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তাদের মতে সংবিধানের ১৯, ২৬, ২৭ ও ৪০ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

তারা সরকারের প্রতি অনতিবিলম্বে বিএমডিসি আইন, ২০১০-এর ৩৫ ধারার আওতায় তফসিল সংশোধন অথবা একই আইনের ৩৬ ধারার অধীনে ৪ বছর মেয়াদি ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের জন্য পৃথক বিধিমালা প্রণয়নের দাবি জানান।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে রাজধানীতে ২২৩৯ মামলা

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে রাজধানীতে ২২৩৯ মামলা
সংগৃহীত ছবি

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২২৩৯টি মামলা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মামলা করে।

ডিএমপির তথ্য মতে, ট্রাফিক-রমনা বিভাগে ১০টি বাস, ৬টি কাভার্ড ভ্যান, ১৪টি সিএনজি ও ৩২টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১০১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-লালবাগ বিভাগে ১৩টি বাস, ৬টি ট্রাক, ২৬টি সিএনজি ও ১৩৯টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২২৪টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মতিঝিল বিভাগে ১৩টি বাস, ২টি ট্রাক, ১৮টি কাভার্ড ভ্যান, ৫১টি সিএনজি ও ১১১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-ওয়ারী বিভাগে ৩৭টি বাস, ৫১টি ট্রাক, ৫৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৫৬টি সিএনজি ও ১৮৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৫২৮টি মামলা হয়েছে।

অন্যদিকে ট্রাফিক-তেজগাঁও বিভাগে ১৭টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১৪টি কাভার্ড ভ্যান, ৭৮টি সিএনজি ও ২২১টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৪০৯টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগে ১৩টি বাস, ১৪টি ট্রাক, ২০টি কাভার্ড ভ্যান, ৩৬টি সিএনজি, ১৮৮টি মোটরসাইকেলসহ মোট ৩২৮টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-উত্তরা বিভাগে ১৬টি বাস, ১০টি ট্রাক, ১১টি কাভার্ড ভ্যান, ২২টি সিএনজি ও ৫৬টি মোটরসাইকেলসহ মোট ১৮১টি মামলা হয়েছে। ট্রাফিক-গুলশান বিভাগে ১৬টি বাস, ৩টি ট্রাক, ১২টি কাভার্ড ভ্যান, ২৮টি সিএনজি ও ৮৫টি মোটরসাইকেলসহ মোট ২৩৭টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অভিযানকালে মোট ৫৭৩টি গাড়ি ডাম্পিং ও ২২৮টি গাড়ি রেকার করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর এলাকায় ট্রাফিক শৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

৬ দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল

বিশেষ প্রতিনিধি
৬ দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদল
ছবি : কালের কণ্ঠ

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি থেকে সরে এসে ছয় দফা দাবি নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছয়জন প্রতিনিধি। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তারা শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।

এর আগে বিকেল ৪টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছালে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পরে ছয়জন প্রতিনিধিকে সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবি হলো–

১. দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় যারা পুনরায় অংশ নিতে চায়, তাদের সেই সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

২. যারা একই বিষয়ের পরীক্ষা পুনরায় দেবে, তাদের ক্ষেত্রে আগের ও পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরটি চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করতে হবে।

৩. প্রশ্নপত্রে থাকা ভুল প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দিতে হবে।

৪. চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে স্থিতিশীল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিয়ে এরপর পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. পূর্ব ঘোষণা ছাড়া প্রশ্নপত্রের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় শিক্ষার্থীদের কাছে অপরিচিত ছিল। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নম্বর মূল্যায়ন করতে হবে।

৬. পরীক্ষা চলাকালে ‘সচেতন গার্ড’-এর নামে কিছু শিক্ষকের কঠোর ও বিভ্রান্তিকর আচরণ বন্ধ করতে হবে, যাতে পরীক্ষার্থীরা ভীত বা মানসিক চাপে না পড়ে।