• ই-পেপার

ঢাকার কিছু এলাকার জন্য ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা, গণবিজ্ঞপ্তি

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় আগুনের ঘটনায় কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় আগুনের ঘটনায় কমিটি গঠন
বিমান প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। 

তিনি বলেন, আগুন লাগা কার্গো হাউজের ধারণ ক্ষমতার থেকে অনেক বেশি মালামাল ছিল। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রীর মতে, প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে কেন বারবার শর্ট সার্কিটের ঘটনা ঘটছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী অগ্নিকাণ্ডের তদন্তেও একই কারণ উঠে এসেছিল, যা সম্ভাব্য অব্যবস্থাপনা বা গাফিলতির ইঙ্গিত দেয়।

তিনি জানান, তদন্তে কারও অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার ১৫ মিনিটের মধ্যে ফায়ার ফাইটাররা তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণ করতে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। 

গতকাল শুক্রবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের পাশের কার্গো কমপ্লেক্সের কুরিয়ার অপারেশন জোনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় আগুন, ১৪ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় আগুন, ১৪ মিনিটে নিয়ন্ত্রণ
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১১টার দিকে বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের দ্রুত চেষ্টায় ১৪ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ডিউটি কর্মকর্তা শফিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। পরে রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ কিংবা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। আগুনের উৎস ও সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে জানা গেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কার্গো এলাকার কিছু অংশে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাও ঘটেছে। গত বছরের ১৮ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি স্টেশনের ৩৭টি ইউনিটকে কাজ করতে হয়। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এসময় বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিয়ে আনসার বাহিনীর ২৫ সদস্যসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হন। ওই ঘটনায় কার্গো এলাকায় উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল এবং বিমানবন্দরের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর শ্যামপুরে ট্রেনের ধাক্কায় আনুমানিক ৫৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জুরাইন রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার সময় তার পরনে ছিল কালো রঙের পাঞ্জাবি ও চেক লুঙ্গি।

হাসপাতালে নিয়ে আসা পথচারী মো. আবু জাফর জানান, বিকেলে জুরাইন রেলক্রসিং এলাকায় ওই ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা কমলাপুরগামী একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে তিনি রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

আবু জাফর আরো জানান, দুর্ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানাকে (জিআরপি) অবগত করা হয়েছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

ভাটারায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ভাটারায় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

রাজধানীর ভাটারা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় মোছা. শিরিন সুলতানা (৩৩) নামের এক গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। শুক্রবার (৫ জুন) বিকেল আড়াইটার দিকে ভাটারা বিজয়পত্র বাঁশতলা এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিরিন সুলতানা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের মামুন মোর্শেদের স্ত্রী। তার বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের, গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ভূঁইয়াবাড়ী গ্রামে। বর্তমানে ভাটারা এলাকায় স্বামীর সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।

হাসপাতালে নিয়ে আসা নিহতের স্বামী মামুন মোর্শেদ জানান, পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে তাদের বিয়ে হয়েছিল। শিরিন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং এ জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্নও হয়েছিলেন।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে মামুন মোর্শেদ বলেন, আজ দুপুরে আমি জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। নামাজ শেষে বাসায় ফিরে দেখি মেইন গেট বন্ধ। অনেক সময় ধরে ডাকাডাকি করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাইনি। পরে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে মেইন গেটের চাবি নিয়ে ভেতরে ঢুকে দেখি, ও বেডরুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে।

তিনি আরো বলেন, পরে বাড়িওয়ালার সহযোগিতায় শিরিনকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় এম জেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের দায়িত্বে থাকা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মাহমুদুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি বর্তমানে মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় (ভাটারা থানা) অবগত করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।