• ই-পেপার

অসুস্থ ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক

গোলাম দস্তগীর গাজী রূপগঞ্জের মসজিদ-মাদরাসা-কবরস্থানের জমিও ছাড়েননি : তৈমুর আলম

অনলাইন ডেস্ক
গোলাম দস্তগীর গাজী রূপগঞ্জের মসজিদ-মাদরাসা-কবরস্থানের জমিও ছাড়েননি : তৈমুর আলম

তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে রূপগঞ্জ ভূমিদস্যুদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। গোলাম দস্তগীর গাজী যেদিন রূপগঞ্জে পদার্পণ করেছে সেদিন থেকে মানুষের জায়গা-জমি দখল করা শুরু করেছেন। তিনি মসজিদ-মাদরাসা এমনকি কবরস্থানের জায়গাও ছাড়েননি।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) উপজেলার জামিয়া মনির উদ্দিন ব্যাপারী কওমি মাদরাসার জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘এখানে গাজী টায়ারের কারখানা করতে গিয়ে খুন করিয়েছে। কিন্তু পুলিশ মামলা নেয়নি। যারা প্রতিবাদ করেছে পুলিশ তাদের দৌড়ানির ওপর রাখছে। এ মাদরাসার জায়গা দখল করে দেওয়াল নির্মাণ করেছে রেখেছে তারা।’

এর আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সকাল থেকে রুপগঞ্জে জামিয়া মনির উদ্দিন ব্যাপারী কওমি মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় এলাকাবাসীরা উপস্থিত হন।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে জামিয়া মনির উদ্দিন ব্যাপারী কওমি মাদরাসার ১৫ শতাংশ জমি সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর অবৈধ দখলে রয়েছে। বিগত শাসনামলে মামলা ও হামলার ভয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তার বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে পারেননি।

মহসিন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুব জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আল আমিন, মো. সিরাজুল ইসলাম প্রধান, মো. ওবায়দুল হক ভূঁইয়া, আব্দুল হালিম ভূঁইয়া, মো. কামরুল ইসলাম, মো. মোখলেছুর রহমান এবং হাজী মো. নুরুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।

রাজধানীতে শব্দদূষণ

কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে

হাইড্রোলিক হর্ন, মডিফাইড সাইলেন্সার ও হুটারের দৌরাত্ম্য কানের সূক্ষ্ম ‘হেয়ার সেল’ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
কান নষ্ট ভয়ংকর শব্দে

রাজধানীতে বায়ুদূষণের পাশাপাশি লাগামহীনভাবে বাড়ছে শব্দদূষণ। এর অন্যতম কারণ সড়কে অহেতুক হর্ন বাজানো, যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার, ব্যক্তিগত গাড়িতে হুটার এবং মোটরসাইকেলে মডিফাইড সাইলেন্সার লাগানো। এসব কারণে শব্দদূষণের মাত্রা প্রতিদিন বাড়ছে, যা নগরবাসীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির (ইউএনএপি) ‘ফ্রন্টিয়ার্স ২০২২ : নয়েজ, ব্লেজেস অ্যান্ড মিসম্যাচেস’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বে শব্দদূষণে প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। আবাসিক এলাকায় অনুমোদনযোগ্য শব্দের মাত্রা ৫৫ ডেসিবেল এবং বাণিজ্যিক এলাকার জন্য ৭০ ডেসিবেল। অথচ ঢাকায় শব্দের মাত্রা পৌঁছেছে ১১৯ ডেসিবেলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, মানুষের জন্য শব্দের সহনীয় মাত্রা ৫৫ থেকে ৬০ ডেসিবেল। অথচ দেশের বিভিন্ন ব্যস্ত সড়কে শব্দের তীব্রতা ৮০ থেকে ১২০ ডেসিবেল পর্যন্ত পৌঁছে যায়, যা কানের পর্দা ও স্নায়ুর জন্য চরম ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের ধারণামতে, শব্দের মাত্রা ৮৫ ডেসিবেল বা তার বেশি হলে তা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর রূপ নেয়।

বুধবার সকাল ১০টা। আবদুল্লাহপুর থেকে বাসে উঠে কানে হেডফোন লাগান সজিব মিয়া। বাসে এভাবে হেডফোন লাগিয়ে রাখার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন এখানে জ্যামে আটকে থাকতে হয়। প্রাইভেট কার ও বাসের হর্ন এবং গাড়ির ইঞ্জিনের তীব্র শব্দে মাথা ভনভন করে। বড় বাসের হাইড্রোলিক হর্ন আরও বেশি ভোগায় আমায়। কিছুদিন আগে ডাক্তার দেখাতে হয়েছে। ডাক্তারই শব্দনিরোধক হেডফোন ব্যবহার করতে বলেছেন।

রাজধানীর বিমানবন্দর, মহাখালী, বাড্ডা, রামপুরা, কাকরাইল, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, নিউমার্কেট, পুরান ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সিগন্যালে সরেজমিন দেখা যায়, দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইনে যেন হর্ন বাজানোর প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বিমানবন্দর ও এর আশপাশের নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘শব্দহীন এলাকা’ ঘোষণা করা হলেও দূরপাল্লার বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও লোকাল বাসগুলো সেই আইন মানছে না। বিমানবন্দর ছাড়াও উত্তরা ও আবদুল্লাহপুরে রাস্তার কাজ চলায় এবং দূরপাল্লার বাসগুলো রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকায় প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজট লেগে থাকে। এ সময় যানজটে আটকে থাকা যানবাহনের চালকরা সামনে যেতে পারবেন না জেনেও ক্রমাগত হর্ন বাজাতে থাকেন। রাত হলে এখানে হর্নের শব্দ আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ট্রাক ও বাসে হাইড্রোলিক হর্ন থাকায় এই শব্দ হয় আরও তীব্র।

ঢাকায় শব্দদূষণের অন্যতম আরেকটি কারণ হলো মোটরসাইকেলে মডিফাইড করে লাগানো সাইলেন্সার। দিনের বেলায় সড়কে এমন মোটরসাইকেল খুব একটা দেখা না গেলেও রাতের আঁধারে পুরো রাজধানী দাপিয়ে বেড়ায় এগুলো। উত্তরা, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা, গুলশান, মিরপুর ও মোহাম্মদপুরের মতো আবাসিক এলাকায় মডিফাইড সাইলেন্সার লাগানো মোটরসাইকেলের উৎপাত অনেক বেশি। মোটরসাইকেলের পাশাপাশি দামি প্রাইভেট কারেও অনেকে মডিফাইড সাইলেন্সার ব্যবহার করছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টা। উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ৫০ বছর বয়সি সলিম উদ্দিন। এ সময় বিকট শব্দ করে দ্রুত গতিতে ছুটে চলে ৪টি দামি মোটরসাইকেল। বিকট শব্দে তিনি কিছুক্ষণ দুই কান চেপে ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। মোটরসাইকেলগুলো চলে যাওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশ এদের ধরে নিয়ে যায় না কেন? প্রতিদিন এভাবে শব্দ করে গাড়ি চালায়।

শব্দদূষণের ক্ষতি নিয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল হাফিজ শাফী বলেন, শব্দদূষণের কারণে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় শ্রবণশক্তির। দীর্ঘদিন উচ্চমাত্রার শব্দে থাকলে কানের সূক্ষ্ম ‘হেয়ার সেল’ স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমে যায়। অনেক রোগী কানে সারাক্ষণ ভোঁ-ভোঁ বা শোঁ-শোঁ শব্দ শোনার অভিযোগ নিয়ে আসেন। এটি শুধু বিরক্তিকরই নয়, বরং ঘুম, মনোযোগ ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এদিকে গত ১৮ জুলাই শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরোf কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার শব্দদূষণ রোধে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে ট্রাফিক পুলিশ অবৈধ হাইড্রোলিক হর্ন, অনুমোদনহীন হুটার, বিকন লাইট, ভিআইপি লাইট এবং শব্দদূষণ সৃষ্টিকারী অন্যান্য সরঞ্জাম অপসারণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

সিআইএমএসে রাজধানীর বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
সিআইএমএসে রাজধানীর বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়ার তথ্য হালনাগাদের আহ্বান
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে ‘সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (সিআইএমএস)’ বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের তথ্য নিবন্ধন ও হালনাগাদের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বর্তমানে সিআইএমএস ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে ৫০ লাখের বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) নিয়াজ মেহেদী জানান, ২০১৬ সালে রমনা থানা থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম ২০১৭ সালে রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারিত হয় এবং ২০১৯ সালে চালু হয় সিআইএমএস মোবাইল অ্যাপ।

তিনি বলেন, হালনাগাদ তথ্য বিট পুলিশিং, অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, হারিয়ে যাওয়া ব্যক্তি শনাক্ত, সন্দেহভাজনের পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডিএমপি জানায়, রাজধানীর প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে সিআইএমএস নিবন্ধন ফরম পাওয়া যায়। ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন এলাকার থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে। বাড়িওয়ালারা এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ভাড়াটিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারবেন, ফলে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয়ের সুযোগ কমবে। একই সঙ্গে ভাড়াটিয়ারাও প্রয়োজন হলে দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাবেন।

নিয়াজ মেহেদী আরো বলেন, ‘সিআইএমএস’ ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তেও কার্যকর ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজন ব্যক্তির তথ্য যাচাই এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এতে বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঢাকায় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’ ১ আগস্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকায় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’ ১ আগস্ট

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে অস্ট্রেলিয়া এখন উচ্চ শিক্ষার অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বহু বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য আকর্ষণীয় স্কলারশিপের কারণে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী দেশটিতে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার এসব সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দিতে আগামী ১ আগস্ট রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন এক্সপো’।

বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ ভিসা সফলতা অর্জনকারী এডুকেশন কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোড এ এক্সপোর আয়োজন করছে।

সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই এক্সপোতে অস্ট্রেলিয়ার ৩০টিরও বেশি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এর মধ্যে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মোনাস বিশ্ববিদ্যালয়, ম্যাককুয়ারি, অ্যাডিলেড বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

এক্সপোতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে ভর্তি প্রক্রিয়া, কোর্স নির্বাচন, টিউশন ফি, স্কলারশিপ, স্টুডেন্ট ভিসা, ইংরেজি ভাষার যোগ্যতা, পড়াশোনার পাশাপাশি খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ, স্নাতক শেষে ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা এবং অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে ফ্রি কাউন্সেলিং, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, কোর্স বাছাই, ডকুমেন্ট মূল্যায়ন এবং অন-স্পট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার সুযোগ। এক্সপো চলাকালীন আবেদনকারীরা কোনো অ্যাপ্লিকেশন ফি ছাড়াই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি যোগ্য শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে। 

এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রব্বানী হোসেন বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভর্তি, স্টুডেন্ট ভিসা, কোর্স নির্বাচন এবং পড়াশোনার সময় খণ্ডকালীন চাকরির সুযোগসহ উচ্চশিক্ষার পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য জানতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং তাদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা আরও সহজ হবে।

এক্সিকিউটিভ স্টাডি অ্যাব্রোডের ডিরেক্টর সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তি ছাড়াই সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করতে পারেন, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

অসুস্থ ছাত্রদল নেতা অনুকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক | কালের কণ্ঠ