• ই-পেপার

আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের বিশেষ পাঁচ আমল

সমাজে মিলেমিশে থাকার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

ইসলামী জীবন ডেস্ক
সমাজে মিলেমিশে থাকার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা
সংগৃহীত ছবি

মানুষ সামাজিক জীব। তাই মানুষ একাকী থাকতে পারে না। সমাজবদ্ধ হয়ে থাকতে হয় মানুষকে। আদম (আ.)-কে প্রথম মানব হিসেবে সৃষ্টি করার পর হাওয়া (আ.)-কেও সৃষ্টি করা হয়েছিল, যাতে আদমকে নিঃসঙ্গ হয়ে থাকতে না হয়। অতঃপর তাঁদের একসঙ্গে জান্নাতে থাকতে বলা হয়। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে আদম, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করো, তোমাদের যেখান থেকে ইচ্ছা খাবার গ্রহণ করবে, তবে এই গাছের কাছেও আসবে না, নতুবা তোমরা জালিম বলে গণ্য হবে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৯)

ইসলামপূর্ব সময়ে মক্কায় চরম বিশৃঙ্খলা ও বিপর্যয় বিরাজ করছিল। ন্যায়বিচার, নিরাপত্তা, ভ্রাতৃত্ববোধ, সৌহার্দ্য-ভালোবাসা, পারস্পরিক সহযোগিতাসহ মানবিকতা হারিয়ে যাওয়ার পথে ছিল। কিন্তু ইসলাম এসে সমাজকে নতুনভাবে সাজাতে থাকে। ইসলামের সুশীতল ছায়ায় এসে মানুষ পরিণত হয় সোনার মানুষে।

তাই সমাজচ্যুত কেউ ইসলামের মৌলিক আদর্শ লালন করতে পারে না। সবাইকে নিয়ে বসবাস করা এবং সংঘবদ্ধ হয়ে সুষ্ঠু-সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করাই ইসলামের মূল চাহিদা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জু শক্তভাবে আঁকড়ে ধরো, বিচ্ছিন্ন হয়ো না, তোমাদের ওপর আল্লাহর অনুগ্রহের কথা স্মরণ করো যখন তোমরা ছিলে পরস্পর শত্রুভাবাপন্ন, অতঃপর তিনি তোমাদের অন্তর এক করেছেন এবং তোমরা তাঁর অনুগ্রহে পরস্পর ভাই ভাই হয়েছ।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১০১)

গোষ্ঠীবদ্ধভাবে থাকা মানুষের একটি সহজাত চাহিদা। চাইলেও কেউ একাকী থাকতে পারে না। তাই পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসা থাকলে মানুষের জীবন সত্যিকারভাবেই সুন্দর হয়। মানুষের মাঝে নানা গোষ্ঠী ও সমাজ থাকবে। সেখানেই মানুষ বসবাস করবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মানুষ, আমি তোমাদের পুরুষ ও নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের অনেক জাতি ও গোষ্ঠীতে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা একে অপরকে চিনতে পারো, তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সেই ব্যক্তি সবচেয়ে সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক খোদাভীরু, আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞাত ও সর্ববিষয়ে অবগত।’ (সুরা : হুজরাত, আয়াত : ১৩)

মানুষকে পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে হলে নানাজনের সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে হয়। পরিবারের সদস্য ছাড়াও অনেক আত্মীয়র সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। তাই জীবনযাত্রায় আত্মীয়দেরও অনেক অধিকার আছে। নিকটাত্মীয়দের অধিকার স্বাভাবিকভাবেই বেশি। তাই আল্লাহ তাআলা তাদের হক আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ করেন, ‘আর আপনি আত্মীয়দের হক আদায় করুন।’ (সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ২৬)

সমাজজীবনে পরিবার অন্যতম উপাদান। পরিবারে শান্তি-সম্প্রীতি ও ভালোবাসা তৈরির জন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মাঝে সহাবস্থান ও সম্প্রীতি থাকতে হবে। পারিবারিক শান্তির জন্য সমঝোতা ও সহিষ্ণুতা একান্ত প্রয়োজন। তাই পারস্পরিক ভুলত্রুটি হলেও তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখা চাই। পারস্পরিক বোঝাপড়া, পরমতসহিষ্ণুতা ও ধৈর্য পরিবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তাই আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তোমরা তাদের সঙ্গে সত্ভাবে জীবন যাপন করো, তাদের তোমরা অপছন্দ করলে এমনও হতে পারে, তোমরা এমন কিছু অপছন্দ করছ, যাতে আল্লাহ তোমাদের জন্য কল্যাণ রেখেছেন।’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ১৯)

আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘তাঁর নিদর্শনের একটি হলো, তিনি তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যেন তাদের কাছে গিয়ে তোমরা প্রশান্তি অনুভব করো, তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও অনুকম্পা ঢেলে দিয়েছেন, এতে চিন্তাশীল জাতির জন্য অনেক নিদর্শন আছে।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ২১)

তাই আত্মীয়দের বিপদ-আপদ ও কঠিন মুহূর্তে সাধ্যমতো পাশে থাকা মুসলিমের কর্তব্য। অহেতুক অন্যের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদে জড়াবে না। কোনো মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করা জায়েজ নেই। তাই যত কিছুই হোক, সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকা ইসলামের নির্দেশনা। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোনো মুসলিম অন্য ভাইয়ের সঙ্গে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক ছিন্ন করে থাকা বৈধ নয়। উভয়ে সাক্ষাৎ করে, কিন্তু উভয়ে মুখ ফিরিয়ে চলে যায়। অতএব উভয়ের মধ্যে উত্তম হলো যে সালামের মাধ্যমে আবার কথা বলা শুরু করে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬০৭৭)

ইসলামের মৌলিক পাঁচটি বিধান সমাজজীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই মানবসমাজে ইসলামের প্রভাব অনেক বেশি। সমাজজীবনের প্রেক্ষাপটে ইসলামের বিধি-বিধানগুলো আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করেছেন। তাই কোরআন-হাদিসের দিকনির্দেশানা ও ইসলামের শিষ্টাচারগুলো সমাজের মানুষের মধ্যে ফুটিয়ে তোলাই মুসলিম হিসেবে সবার কর্তব্য। আল্লাহ আমাদের তা পালনে  সহায় হোন।

আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ ‍জুলাই, ২০২৬

ইসলামী জীবন ডেস্ক
আজকের নামাজের সময়সূচি, ২৭ ‍জুলাই, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি

আজ সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১২ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—

জোহরের সময় শুরু ১২টা ৮ মিনিটে।
আসরের সময় শুরু ৪টা ৪৩ মিনিটে।
মাগরিব ৬টা ৪৮ মিনিটে।
এশার সময় শুরু ৮টা ১৯ মিনিটে।
আগামীকাল ফজর শুরু ৪টা ০৬ মিনিটে 
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ৬টা ৪৮ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ৫টা ২৫ মিনিটে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরা, ঢাকা।

স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের উপায় সৃষ্টিকে ভালোবাসা

মুফতি হেলাল উদ্দীন হাবিবী
স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনের উপায় সৃষ্টিকে ভালোবাসা

মানবজাতির কল্যাণ পৃথিবীর সব সৃষ্ট জীব মহান আল্লাহর পরিবারের সদস্য। প্রত্যেক সৃষ্ট জীবই মহান স্রষ্টার সৃষ্টিনৈপুণ্যের বহিঃপ্রকাশ। ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্র প্রতিটি প্রাণী তার অনেক আদরের এবং তিনি সব জীবের রিজিকদাতা। বৈচিত্র্যময় হাজারো মাখলুক সৃষ্টির মাধ্যমে তিনি সাজিয়েছেন এ বিশাল জগৎসংসার। 

দয়াময় প্রভুর এসব আয়োজন মানবজাতির কল্যাণের জন্য এবং তিনিই এ জগৎসংসারের একমাত্র অভিভাবক। পাহাড়, নদী কিংবা সাগরতলের প্রতিটি প্রাণীর তিনি খবর রাখেন অতি কাছ থেকে। সব সৃষ্ট জীবই দিনরাত তার তসবিহ পাঠে মশগুল। 

মহান আল্লাহ আল কোরআনে ইরশাদ করেন, তারা কি লক্ষ করে না; তাদের মাথার ওপর উড়ন্ত পাখিদের প্রতি, তারা (কখনো) ডানা বিস্তারকারী এবং (কখনো) ডানা সংকোচনকারী? রহমান আল্লাহই তাদের স্থির রাখেন। তিনি সর্ব বিষয় দেখেন। (সুরা মুলক, আয়াত-১৯)।

মহান আল্লাহর বাণী : নভোমণ্ডল ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে সবই আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করে। রাজত্ব এবং প্রশংসা তাঁরই। তিনি সর্ব বিষয়ে শক্তিমান। (সুরা তাগাবুন, আয়াত-০১)।

কোনো জীবকে কষ্ট দেওয়া মানে মহান মালিকের পরিবারকে কষ্ট দেওয়া। পক্ষান্তরে কোনো জীবের প্রতি দয়া করা মানে মহান স্রষ্টার পরিবারের প্রতি দয়া করা। আর যে মহান স্রষ্টার পরিবারের ওপর দয়ার্দ্র হয়, রাব্বুল আলামিন তার ওপর অসীম দয়ার ভাণ্ডার খুলে দেন। 

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, অনুগ্রহকারীদের প্রতি পরম করুণাময় অনুগ্রহ করে থাকেন। তোমরা দুনিয়াবাসীর ওপর অনুগ্রহ কর, এতে আসমানে অবস্থানকারী তোমাদের ওপর অনুগ্রহ করবেন। (আবু দাউদ, তিরমিজি)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, নবীদের মধ্যে কোনো এক নবীকে একটি পিঁপড়া কামড়ালে তিনি পিঁপড়ার গোটা বস্তি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তা জ্বালিয়ে দেওয়া হলো। এরপর মহান আল্লাহ তাঁর কাছে ওহি পাঠালেন, তোমাকে একটি পিঁপড়া কামড়াল, আর তুমি আল্লাহর প্রশংসাকারী একটি উম্মতকেই পুড়িয়ে ফেললে! (বুখারি, মুসলিম)।

যারা সৃষ্ট জীবের প্রতি অনুগ্রহ প্রদর্শন করে, দয়াময় প্রভু তাদের দিকে ক্ষমার হাত প্রসারিত করেন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, এক ব্যক্তি রাস্তা দিয়ে চলছিল; সে খুব পিপাসার্ত হয়ে পড়ল এবং সামনে একটি কুয়া পেল। সে তাতে নেমে পানি পান করল। 

কুয়া থেকে উঠে দেখল একটি কুকুর পিপাসায় জিব বের করে কাদামাটি চাটছে। লোকটি বুঝতে পারল পিপাসার কারণে আমার যে অবস্থা হয়েছিল কুকুরটিরও সে অবস্থা। এরপর সে আবার কুয়ায় নেমে নিজের পায়ের মোজায় পানি ভরে ওপরে নিয়ে এলো এবং কুকুরটিকে পান করাল। এ কারণে আল্লাহ তাকে পুরস্কৃত করলেন এবং ক্ষমা করে দিলেন।

লেখক : খতিব, মাসজিদুল কোরআন জামে মসজিদ, কাজলা (ভাঙ্গা প্রেস), যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

নিষিদ্ধ যে কাজে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না

অনলাইন ডেস্ক
নিষিদ্ধ যে কাজে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না
সংগৃহীত ছবি

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ অন্যতম ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে ৮২ বার ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ সালাত বা নামাজের কথা এসেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন তোমরা সালাত (নামাজ) পূর্ণ করবে তখন দাঁড়ানো, বসা ও শোয়া অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করবে। অতঃপর যখন নিশ্চিন্ত হবে, তখন সালাত (পূর্বের নিয়মে) কায়েম করবে। নিশ্চয়ই সালাত মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ। (সুরা নিসা, আয়াত : ১০৩)।

ওয়াক্তমতো নামাজ আদায় করা আল্লাহ তাআলার নিকট প্রিয় একটি আমল। আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোন আমল আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বললেন, যথাসময়ে সালাত আদায় করা। ইবনু মাসঊদ (রা.) পুনরায় জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? নবীজি (সা.) বললেন, এরপর পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার। ইবনু মাসঊদ (রা.) আবার জিজ্ঞাসা করলেন, এরপর কোনটি? রাসুল (সা.) বললেন, এরপর আল্লাহর পথে জিহাদ বা জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ্। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫০২)

তবে সালাত বা নামাজ পরিপূর্ণ হওয়ার জন্য নামাজের মধ্যে থাকা রোকনগুলো সঠিকভাবে আদায় করা জরুরি। উবাদাহ্ ইবনুস্ সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আল্লাহ তাআলার (বান্দার জন্য) ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ সালাতের জন্য ভালোভাবে অজু করবে, সঠিক সময়ে আদায় করবে এবং এর রুকু ও খুশুকে পরিপূর্ণরূপে করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা রয়েছে যে, তিনি তাকে ক্ষমা করে দেবেন। আর যে তা না করবে, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তিনি ক্ষমা করে দিতে পারেন, আর ইচ্ছা করলে শাস্তিও দিতে পারেন। (মেশকাত, হাদিস : ৫৭০)

বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে উম্মতদের নামাজের বিষয়ে তাগিদ দেয়ার পাশাপাশি নবীজি (সা.) যেমন নানা বিষয়ে আদেশ-নিষেধের কথা জানিয়েছেন, তেমনি বাতলে দিয়েছেন উত্তম আমলের পথও। এরমধ্যে একটি হাদিসে ইসলামে নিষিদ্ধ এমন একটি কাজের কথা এসেছে, যা করলে মহান আল্লাহর দরবারে বান্দার ৪০ দিনের নামাজ কবুল হয় না।

নবীজির (সা.) কোনো এক স্ত্রীর সূত্রে মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না আনাযী (রহ.) থেকে বর্ণিত হাদিসটি হলো- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- যে ব্যক্তি আররাফ (গণক বা জ্যোতিষী) কাছে গেল এবং তাকে কোনো বিষয়ে জিজ্ঞাসা করল, ৪০ রাত তার কোনো সালাত (নামাজ) কবুল করা হয় না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৫৬২৭)