• ই-পেপার

গাজীপুর মহানগর আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন গ্রেপ্তার

প্রশ্ন সেই সোহানী শিফার

বসুন্ধরা আবাসিকে ডিসিপ্লিন থাকলে আমাদের এলাকায় কেন থাকবে না

অনলাইন ডেস্ক
বসুন্ধরা আবাসিকে ডিসিপ্লিন থাকলে আমাদের এলাকায় কেন থাকবে না

‘বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা অনেক সুন্দর জায়গা, অনেক ডিসিপ্লিন। তাদের ওখানে ডিসিপ্লিন থাকলে অন্য জায়গায় কেন থাকবে না’—এমন প্রশ্ন করেছেন সেই সোহানী শিফা। তিনি রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়ে ‘ঢাকা বাঁচাও, হকার হটাও’ আন্দোলন করে আসছেন।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।

সোহানী শিফা বলেন, ‘শুনেছি, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা নাকি অনেক সুন্দর জায়গা, সেখানে নাকি অনেক ডিসিপ্লিন। তাদের ওখানে ডিসিপ্লিন দেওয়া গেছে, আমাদের এখানে দেওয়া যাবে না—এ কেমন কথা? গুলশানে তো এত রিকশা নেই—সব রিকশা আমাদের এলাকাতেই কেন দিতে হবে আপনাদের?’

তিনি বলেন, “গত ৯ মে থেকে ‘ঢাকা বাঁচাও, হকার হটাও’ শিরোনামে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করি। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল, পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি, নারী হয়রানি এবং ঢাকায় ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করছিলাম। গাউছিয়া মার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত হকারদের দখলে থাকায় সাধারণ মানুষ চলাচলে সমস্যার মুখে পড়ছে।”

তিনি আরো বলেন, ‘সিটি করপোরেশন হকার উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়ার খবরে আমি আশাবাদী হলেও পরে রাস্তায় দাগ কেটে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ মেনে নিতে পারিনি। এর প্রতিবাদে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করি। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ কর্মসূচিতে যোগ দেয়।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৩ মে আমিসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে দেখা করি। সেখানে আমি গ্রামাঞ্চলে শ্রমিক সংকট, কৃষিকাজ থেকে মানুষের সরে আসা এবং জীবিকার সন্ধানে ঢাকামুখী হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরি। কৃষি খাতে শ্রমিকের সংকট বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও জানাই। বর্তমানে ঢাকায় মানুষের বসবাসের জায়গার সংকট রয়েছে। একই সঙ্গে অটোরিকশার কারণে দুর্ঘটনাও বাড়ছে। এসব বিষয়ে আমি প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন তুললেও সন্তোষজনক উত্তর পাইনি।

এরপর তিনি গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেন। সোহানী শিফা বলেন, ‘তিন হাজারের বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করি। তবে এ কর্মসূচি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার শুরু করার পর কিছু লোক আমাকে বাধা দিতে থাকে। তারা বলে, রাস্তায় গণস্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য অনুমতি লাগবে। গত ৭ জুন ঢাকার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে আমি মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিচার লাগবে না। শুধু ঢাকা থেকে ফুটপাত ও রাস্তা আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের জন্য উন্মুক্ত করে দিন। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমানো না গেলে পুরো দেশ অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে।’

সংবাদ সম্মেলনে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন সোহানী শিফা। এগুলো হলো—ঢাকার বাইরে রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, হকারদের জন্য জেলা পর্যায়ে হকার্স মার্কেট গড়ে তোলা, চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সহায়তায় নিজ অঞ্চলে শ্রমের সঠিক বণ্টন করা, কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় আগতদের জন্য ছাড়পত্র বা সনদের ব্যবস্থা, কৃষকদের উৎপাদিত শস্য সরাসরি কেনার উদ্যোগ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো।

রাজধানীর চানখাঁরপুলে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর চানখাঁরপুলে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর চানখাঁরপুলে বাসে উঠতে গিয়ে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে জয়দেব পাণ্ডে (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শাহবাগ থানাধীন চানখাঁরপুলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জয়দেব বরিশালের আগৈলঝরা থানার বারোবাইটা গ্রামের শুরেন পাণ্ডের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া থাকতেন। দুই মাস বয়সী তার এক ছেলেসন্তান রয়েছে। পেশায় তিনি রয়েল ল্যাবরেটরিজ ডিস্ট্রিবিউটার (হারবাল মেডিসিন) ব্যবসায়ী ছিলেন।

ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা মৌমিতা ও বাসের যাত্রী মুছা গাজী জানিয়েছেন, বিকেলে চানখাঁরপুলে ফ্লাইওভারগামী মৌমিতা পরিবহনে জয়দেব ওঠার সময় গাড়িটি টান দেয়। বাঁ পাশে অপর আরেকটি মৌমিতা পরিবহনের বাস পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে দ্রুতগতিতে টান দেয়। পরে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. খালেক মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, এ ঘটনায় মৌমিতা পরিবহনের বাস দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। একটির চালক আটক রয়েছে। মৃত ব্যক্তির লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

সংবাদ পেয়ে মৃতের বন্ধু সহকর্মী মিজানুর রহমান ঢামেক হাসপাতালে এসে লাশ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘জয়দেব আমার বন্ধু। আমরা একই কম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর। 
বিকেলে জয়দেব শাহবাগ থেকে ব্যাবসায়িক কাজ শেষ করে তার যাত্রাবাড়ী ভাড়া বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পরে সংবাদ পাই তিনি সড়ক দুর্ঘটনা শিকার হয়েছেন।
পরে ঢাকা মেডিক্যালে এসে তাকে মৃত অবস্থা দেখতে পাই।’

‘চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়’

নিজস্ব প্রতিবেদক
‘চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়’

বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেছেন, গঠনমূলক সমালোচনা আমরা স্বাগত জানাই। স্বাস্থ্য খাতে সমস্যা থাকলে তা নিয়ে আলোচনা হোক, জবাবদিহি হোক, সংস্কার হোক। কিন্তু মিথ্যা তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানববন্ধনে বিভিন্ন হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সংগঠনের চিকিৎসকরা অংশ নেন।

ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে একটি ‘স্মিয়ার ক্যাম্পেইনিং’ চলছে কি না, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থগোষ্ঠী বা বহিঃশক্তির সুবিধা জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, ২০২৩ সাল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী একটি দেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বিদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশ ছিল বাংলাদেশি। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর বিলিয়ন ডলারের সেই ব্যবসায় ধস নেমেছে। তাই পরিকল্পিতভাবে চিকিৎসকদের সাধারণ মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা হচ্ছে কি না, সেটি তদন্তের দাবি রাখে।

তিনি আরো বলেন, স্বাস্থ্য খাতকে দুর্বল করা মানে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিকে দুর্বল করা। চিকিৎসক ও রোগীকে প্রতিপক্ষ বানানো যাবে না। চিকিৎসক ও রোগী একই পক্ষের মানুষ। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—মানুষের জীবন বাঁচানো।

মানববন্ধনে অন্যান্য বক্তারা সাংবাদিক মাসুদ কামালের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ঘৃণ্য, বিদ্বেষমূলক ও চিকিৎসক সমাজের জন্য অপমানজনক বলে উল্লেখ করেন। তারা তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে চিকিৎসক সমাজ ও জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় সরকারের কাছে এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা।

বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্য খাতের সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা, জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবি অবশ্যই গ্রহণযোগ্য। তবে মিথ্যা তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

চিকিৎসকদের কর্মপরিবেশ নিরাপদ করা, চিকিৎসক-রোগী সম্পর্ককে আস্থার ভিত্তিতে শক্তিশালী করা এবং স্বাস্থ্য খাতকে পরিকল্পিত অপপ্রচার থেকে রক্ষা করার দাবি জানান তারা।

নাগরিকদের মাঝে সুঅভ্যাস বিস্তারে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নাগরিকদের মাঝে সুঅভ্যাস বিস্তারে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

নাগরিকদের মাঝে নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখা, এডিস মশার বিস্তার রোধে পানি জমতে না দেওয়া এবং যত্রতত্র ময়লা না ফেলার মতো সুঅভ্যাস তৈরিতে মাঠে নামছেন ‘সিটি ইন্সপেক্টর’।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে এবং ‘আছি বাংলাদেশ’-এর অর্থায়নে বুধবার (১০ জুন) থেকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ‘পরিচ্ছন্ন আঙিনা’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাস মেয়াদি এই প্রকল্পে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

কর্মসূচির মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, মতিঝিল এলাকাকে ১০টি ভাগে বিভক্ত করে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

তারা বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানে সরাসরি গিয়ে নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করবেন এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। নাগরিকরা নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলাসহ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, তা তদারকি ও জরিপ করা হবে। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীল ও দায়িত্বহীন নাগরিক চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে তা প্রচার করা হবে।

ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের একক দায়িত্ব নয়, এর জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। শহরের প্রতিটি বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো নগরই বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। আজ ৯ নম্বর ওয়ার্ডে যে কর্মসূচির সূচনা হলো, তা সমগ্র নগরের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আরো বলেন, সিটি ইন্সপেক্টরদের মূল কাজ হবে নাগরিকদের সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহযোগিতা করা।

‘আছি বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগ ও সহযোগিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রোগব্যাধি প্রতিরোধে এই উদ্যোগ নগরবাসীর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। নাগরিকরা সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ধুলাবালি, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

মতিঝিল ৯ নং ওয়ার্ড একটি আদর্শ ওয়ার্ডে পরিণত হলে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান প্রশাসক।

গাজীপুর মহানগর আ. লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন গ্রেপ্তার | কালের কণ্ঠ