• ই-পেপার

‘চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়’

রাজধানীর চানখাঁরপুলে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর চানখাঁরপুলে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর চানখাঁরপুলে বাসে উঠতে গিয়ে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে জয়দেব পাণ্ডে (৩৮) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে শাহবাগ থানাধীন চানখাঁরপুলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনে সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জয়দেব বরিশালের আগৈলঝরা থানার বারোবাইটা গ্রামের শুরেন পাণ্ডের ছেলে। তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া থাকতেন। দুই মাস বয়সী তার এক ছেলেসন্তান রয়েছে। পেশায় তিনি রয়েল ল্যাবরেটরিজ ডিস্ট্রিবিউটার (হারবাল মেডিসিন) ব্যবসায়ী ছিলেন।

ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসা মৌমিতা ও বাসের যাত্রী মুছা গাজী জানিয়েছেন, বিকেলে চানখাঁরপুলে ফ্লাইওভারগামী মৌমিতা পরিবহনে জয়দেব ওঠার সময় গাড়িটি টান দেয়। বাঁ পাশে অপর আরেকটি মৌমিতা পরিবহনের বাস পাল্লাপাল্লি করতে গিয়ে দ্রুতগতিতে টান দেয়। পরে দুই বাসের মাঝে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. খালেক মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করেন বলেন, এ ঘটনায় মৌমিতা পরিবহনের বাস দুটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। একটির চালক আটক রয়েছে। মৃত ব্যক্তির লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

সংবাদ পেয়ে মৃতের বন্ধু সহকর্মী মিজানুর রহমান ঢামেক হাসপাতালে এসে লাশ শনাক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘জয়দেব আমার বন্ধু। আমরা একই কম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর। 
বিকেলে জয়দেব শাহবাগ থেকে ব্যাবসায়িক কাজ শেষ করে তার যাত্রাবাড়ী ভাড়া বাসায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পরে সংবাদ পাই তিনি সড়ক দুর্ঘটনা শিকার হয়েছেন।
পরে ঢাকা মেডিক্যালে এসে তাকে মৃত অবস্থা দেখতে পাই।’

নাগরিকদের মাঝে সুঅভ্যাস বিস্তারে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নাগরিকদের মাঝে সুঅভ্যাস বিস্তারে ‘সিটি ইন্সপেক্টর’ নামাচ্ছে ডিএসসিসি

নাগরিকদের মাঝে নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখা, এডিস মশার বিস্তার রোধে পানি জমতে না দেওয়া এবং যত্রতত্র ময়লা না ফেলার মতো সুঅভ্যাস তৈরিতে মাঠে নামছেন ‘সিটি ইন্সপেক্টর’।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে এবং ‘আছি বাংলাদেশ’-এর অর্থায়নে বুধবার (১০ জুন) থেকে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ‘পরিচ্ছন্ন আঙিনা’ শীর্ষক একটি পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাস মেয়াদি এই প্রকল্পে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

কর্মসূচির মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, মতিঝিল এলাকাকে ১০টি ভাগে বিভক্ত করে ২০ জন সিটি ইন্সপেক্টর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবেন।

তারা বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানে সরাসরি গিয়ে নাগরিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করবেন এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন। নাগরিকরা নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলাসহ তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছেন কি না, তা তদারকি ও জরিপ করা হবে। এর মাধ্যমে দায়িত্বশীল ও দায়িত্বহীন নাগরিক চিহ্নিত করে সামাজিকভাবে তা প্রচার করা হবে।

ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম বলেন, একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা শুধু সিটি করপোরেশনের একক দায়িত্ব নয়, এর জন্য প্রয়োজন নাগরিকদের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। শহরের প্রতিটি বাড়ি, দোকান ও প্রতিষ্ঠানের আঙিনা পরিচ্ছন্ন থাকলে পুরো নগরই বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। আজ ৯ নম্বর ওয়ার্ডে যে কর্মসূচির সূচনা হলো, তা সমগ্র নগরের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আরো বলেন, সিটি ইন্সপেক্টরদের মূল কাজ হবে নাগরিকদের সচেতন করা এবং পরিচ্ছন্নতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহযোগিতা করা।

‘আছি বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগ ও সহযোগিতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিচ্ছন্নতার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রোগব্যাধি প্রতিরোধে এই উদ্যোগ নগরবাসীর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। নাগরিকরা সচেতন হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ, ধুলাবালি, বায়ুদূষণ ও জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

মতিঝিল ৯ নং ওয়ার্ড একটি আদর্শ ওয়ার্ডে পরিণত হলে পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানান প্রশাসক।

ধানমণ্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন

অনলাইন ডেস্ক
ধানমণ্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডির ২৭ নম্বরে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে ২৭ নম্বরের বাংলাদেশ আই হসপিটালের পাশের ওই ভবনটিতে এ আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কিভাবে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এ ছাড়া অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন
আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মুশফিক-তাইজুল

আইসিসির মাসসেরা খেলোয়াড়ের সংক্ষিপ্ত তালিকায় মুশফিক-তাইজুল

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুন লাগা ভবনটির ছাদ থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। সেই সঙ্গে তৃতীয় তলার গ্লাস ভেঙে ভবনের সঙ্গে লাগানো একটি সিঁড়ি বেড়ে কয়েকজনকে নামতেও দেখা গেছে। তবে ভবনটিতে কতজন আটকা পড়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ইতোমধ্যে মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।

গ্যাস না পেয়েও কেন ১০৮০ টাকা বিল দেব—প্রশ্ন গ্রাহকের

অনলাইন ডেস্ক
গ্যাস না পেয়েও কেন ১০৮০ টাকা বিল দেব—প্রশ্ন গ্রাহকের
সংগৃহীত ছবি

রাজধানী ঢাকায় গ্যাস গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর এবং প্রি-পেইড মিটার স্থাপনের দাবি জানিয়ে গ্রাহকরা বলছেন, বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও গ্রাহকদের প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, এটা বিল আমরা কেন দেব? এটা এক ধরনের অন্যায় চাপ।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গ্যাস গ্রাহকদের সমন্বয়ে ‘সচেতন জনগণ’র ব্যানারে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি করেন, ‘আমরা গ্যাসের মিটার চাই, ন্যায্য বিল চাই, হয়রানিমুক্ত গ্যাস চাই। বর্তমান ব্যবস্থায় গ্যাস সরবরাহ না পেলেও আমাদের প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার ৮০ টাকা বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা এক ধরনের অন্যায় চাপ। এ ছাড়া মিটারবিহীন ব্যবস্থার কারণে প্রকৃত ব্যবহার অনুযায়ী বিল নির্ধারণ না হওয়ায় আমরা প্রতিনিয়ত বৈষম্যের শিকার হচ্ছি।’

এ সময় আয়োজকদের পক্ষ থেকে বেশকিছু দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলো হচ্ছে—আবাসিক খাতে দ্রুত প্রি-পেইড গ্যাস মিটার স্থাপন, ব্যবহারভিত্তিক ন্যায্য বিল নিশ্চিত করা, গ্যাস না থাকলে বিল না নেওয়া, অবৈধ লাইন ও অপচয় বন্ধের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা এবং হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘প্রি-পেইড মিটার চালু হলে, গ্রাহক যেমন সঠিক বিল পরিশোধের সুযোগ পাবেন, তেমনি সরকারের রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে, সেইসঙ্গে গ্যাস অপচয়ও কমবে।’

তারা আরো বলেন, প্রি-পেইড মিটার থাকলে বিল নিয়ে টেনশন থাকে না, বকেয়া বা জরিমানার চিন্তা নেই, বিল বাকি রাখার সুযোগ নেই, গ্যাস চুরি বন্ধ হবে, অপচয় কমবে। তাই আমাদের একটাই দাবি, আবাসিক খাতে গ্যাসে দ্রুত প্রি-পেইড মিটার যুক্ত করা হোক।