• ই-পেপার

ময়লার স্তূপ থেকে ফুলের বাগান, বদলে গেছে টঙ্গীর বিআরটি স্টেশন

বিশ্ব সাপ দিবস

আবাসস্থল সংকটে লোকালয়ে লাউয়াছড়ার সাপ, বাড়ছে উদ্বেগ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি
আবাসস্থল সংকটে লোকালয়ে লাউয়াছড়ার সাপ, বাড়ছে উদ্বেগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

এশিয়ার অন্যতম সমৃদ্ধ চিরহরিৎ বন মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীদের আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে ক্রমাগত লোকালয়ে চলে আসছে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ। ১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিশ্ব সাপ দিবসেও শ্রীমঙ্গলের পৃথক দুটি স্থান থেকে দুটি অজগর সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়রা বন বিভাগ ও বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দিলে তারা সাপ দুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। বনের সাপ ঘন ঘন লোকালয়ে চলে আসার এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বনের ভেতর পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব রয়েছে। ফলে বাধ্য হয়েই খাবারের সন্ধানে সাপগুলো প্রতিনিয়ত লোকালয়ে হানা দিচ্ছে। এতে যেমন গৃহপালিত হাঁস-মুরগি আক্রান্ত হচ্ছে, তেমনি মানুষের মনেও কাজ করছে চরম আতঙ্ক। বাড়ছে উদ্বেগ।

পরিবেশকর্মী, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন ও বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিগত দুই বছরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আশপাশের গ্রামগুলো থেকে অন্তত ১০০টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার সাপের মধ্যে ৪০টি অজগর, ১৪টি পদ্ম গোখরা, ৭টি কালনাগিনি, ১০টি দাঁড়াশ, ৫টি দুধরাজ ও ৫টি শঙ্খিনীসহ বিভিন্ন বিষধর ও নির্বিষ প্রজাতির সাপ রয়েছে। এসব উদ্ধার হওয়া সাপকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বন বিভাগের সহযোগিতায় পুনরায় লাউয়াছড়া বনে অবমুক্ত করা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপ পরিবেশের পরম বন্ধু। ফসলের ক্ষতিকর ইঁদুর ও কীটপতঙ্গ খেয়ে এরা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। তাই লোকালয়ে সাপ দেখলে সেটিকে না মেরে বন বিভাগকে খবর দেওয়া এবং বনের পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি।

এদিকে, মৌলভীবাজারের বনাঞ্চলে প্রায় ৫২ প্রজাতির সরীসৃপের অস্তিত্ব থাকলেও স্থানীয় চিকিৎসা ব্যবস্থার চিত্র অত্যন্ত নাজুক। জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমের অভাব এবং চিকিৎসার অপর্যাপ্ততার কারণে স্থানীয় চা-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

ফুলবাড়ি চা বাগানের বাসিন্দা রফাত মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বনের পাশে আমাদের বসবাস হওয়ায় প্রতিনিয়তই বাগানে সাপ ধরা পড়ে। কিন্তু সাপে কাটলে যে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেব, সেখানে কোনো ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিভেনম পাওয়া যায় না।

সর্প দংশনের শিকার রোগীদের দ্রুত ও নিশ্চিত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সরকারি হাসপাতালগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে অ্যান্টিভেনম ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

পরিবেশবাদী সংগঠন মৌলভীবাজারের নেতা নুরুল মোহাইমিন মিল্টন বলেন, লাউয়াছড়া বনের ভেতর ক্রমাগত মানুষের আনাগোনা বৃদ্ধি, গাছ কাটা, উচ্চ শব্দ এবং বনের প্রাকৃতিক পরিবেশ বিনষ্ট হওয়ার কারণেই এই ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। বন বিভাগ দ্রুত বনের আদি পরিবেশ ফিরিয়ে না আনলে আগামী দিনে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

এই সংকটময় পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা বনের পরিবেশ রক্ষায় বন পুনরুদ্ধার, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, হাসপাতালে সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ, বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক আবাসন সৃষ্টি এবং দেশীয় ফলদ বৃক্ষ রোপণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

শ্রীমঙ্গলস্থ বন্যপ্রাণী সহব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের লাউয়াছড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক বলেন, লাউয়াছড়া বনের পরিবেশ রক্ষায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। বনের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ায় মাঝে মধ্যে কিছু প্রাণী লোকালয়ে চলে যাচ্ছে। তবে খবর পাওয়া মাত্রই আমরা দ্রুত সেগুলো উদ্ধার করে আবার বনে অবমুক্ত করছি।

নওগাঁয় সাবেক অধ্যক্ষের স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, অভিযুক্ত নারী গ্রেপ্তার

নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁয় সাবেক অধ্যক্ষের স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, অভিযুক্ত নারী গ্রেপ্তার

নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক শহিদুল আলমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুটের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হাসিনা বেগমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত ৯টায় জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে মারা যান ফাতেমা বেগম। এর আগে, একটি প্রতারক চক্র তাকে অজ্ঞান করে তার গলা ও হাতের স্বর্ণালংকার লুট করে শহরের নদীপাড় এলাকার একটি ময়লার পট্টিতে ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের পর তদন্তে নামে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকার ৮৫ থেকে ৮৭টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে মুখে মাস্ক, চোখে চশমা এবং সঙ্গে আড়াই বছরের একটি শিশু থাকা এক সন্দেহভাজন নারীকে শনাক্ত করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও স্থানীয় জনগণের তথ্যের ভিত্তিতে নওহাটা এলাকা থেকে অভিযুক্ত হাসিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম স্বীকার করেছেন, তিনি সুকৌশলে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে সর্বস্ব লুট করতেন।

ঘটনার দিন শহরের উকিলপাড়া এলাকায় ফাতেমা বেগম ও তার স্বামীর সঙ্গে পরিচিত হন হাসিনা। এক পর্যায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে ফাতেমা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে একটি রিকশায় ওঠেন তিনি। এরপর নিজের কাছে থাকা ফলের জুসের সঙ্গে আগে থেকে গুঁড়ো করে রাখা ‘জিওনিল’ নামের তীব্র মাত্রার ঘুমের ওষুধের ৬ থেকে ৭টি ট্যাবলেট মিশিয়ে ফাতেমা বেগমকে খাইয়ে দেন। ফাতেমা বেগম অচেতন হয়ে পড়লে তার স্বর্ণালংকার খুলে নিয়ে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যান হাসিনা।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আরো জানান, লুট করা স্বর্ণালংকারগুলো শহরের ‘জোয়ারদার জুয়েলার্স’-এর ইমরান নামের এক ব্যক্তির কাছে মাত্র ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, এ চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ মো. জিন্নাহ আল মামুন, ডিবি পুলিশের ওসি হাসিবুল্লাহ হাবিব এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নৌকায় করে বনভোজন থেকে ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চাকলেশ্বর এলাকার একটি বিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ইটভাটার শ্রমিক রংপুরের সাজ্জাত হোসেন ও শেরপুরের পাকুরিয়া গ্রামের খুজাউরা গ্রামের হাসমত মিয়ার ছেলে জিকুল মিয়া।

সাজ্জাত প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি বাসের শ্রমিক। জিকুল মিয়া বিডি ফুড কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তারা জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

জানা গেছে, ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ২৮ থেকে ৩০ জন মিলে নৌকায় করে মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের মহেড়া জমিদার বাড়িতে (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) বেড়াতে আসেন। মাগরিবের নামাজের পর বনভোজের নৌকাটি ফতেপুর স্কুল ঘাট থেকে বিকট শব্দে গান বাজাতে বাজাতে ঝিনাই নদী হয়ে ভাওয়াল মির্জাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। পরে থলপাড়া সেতু পার হওয়ার পর মাল্লা নদী থেকে বিচ্যুত হয়ে নৌকা নিয়ে থলপাড়া ও চাকলেশ্বর এলাকার বিলে ঢুকে পড়ে। এসময় বিলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সঙ্গে ঘর্ষণে নৌকার সামনে থাকা কয়েকজন ছিটকে পড়ে আহত হয়। আহতদের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার এনায়েতুর রহমান সাজ্জাত ও জিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া রবিন মিয়া, লিপটন মিয়া, রানা আহমেদ ও মেহেদী হাসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বনভোজনের নৌকায় থাকা ইয়াছিন, সিয়াম ও আলম জানান, নৌকায় গান বাজনা চলছিল। ফতেপুর স্কুল থেকে নৌকা ছাড়ার আধাঘণ্টা পর হঠাৎ বিদ্যুতের ঝলকানি দেখতে পান। পরে সহপাঠীদের চিৎকারে তারা কাছে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। রাত ৯টার দিকে আহতদের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ দুটি সুরতহাল শেষে টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে।

রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ম্যাচ দেখেছিলেন, পরদিন নিজ ঘরে মিলল ঝুলন্ত লাশ

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
রাতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ডের ম্যাচ দেখেছিলেন, পরদিন নিজ ঘরে মিলল ঝুলন্ত লাশ
দিদারুল আলম মামুন। সংগৃহীত ছবি

বুধবার দিবাগত রাতে বাড়ির পাশে অন্যদের সঙ্গে বসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবলের সেমিফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করেছেন তিনি। পরদিন  বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে নিজ ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের এমন রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

ওই ইউপি সদস্যের নাম দিদারুল আলম মামুন। উপজেলার মাইটভাঙ্গা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান নির্বাচিত সদস্য (মেম্বার) তিনি।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় বাড়িতে অন্য কোনো সদস্য ছিলেন না। মামুনের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহরে বসবাস করে আসছেন।

​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বুধবার দিবাগত রাতেও মামুন মেম্বারকে বাড়ির পাশে অন্যদের সঙ্গে বসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে দেখা গেছে। হঠাৎ তার এমন মৃত্যুতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্থানীয়দের একাংশের দাবি, তিনি ব্যক্তিগত নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশায় ভুগছিলেন।

​এ বিষয়ে সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন হাওলাদার জানান, সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।