• ই-পেপার

বিশ্ব সাপ দিবস

আবাসস্থল সংকটে লোকালয়ে লাউয়াছড়ার সাপ, বাড়ছে উদ্বেগ

৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ময়মনসিংহে ফের ট্রেন লাইনচ্যুত

অনলাইন ডেস্ক
৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ময়মনসিংহে ফের ট্রেন লাইনচ্যুত
সংগৃহীত ছবি

মাত্র ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে ময়মনসিংহে আবারও ট্রেন লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। এবার জামালপুর থেকে চট্টগ্রামগামী বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগির দুটি চাকা লাইনচ্যুত হওয়ায় ময়মনসিংহ-জামালপুর রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর নতুন বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানান ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন।

তিনি বলেন, এতে ময়মনসিংহ থেকে জামালপুর পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারে কাজ চলছে।

এর আগে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় শ্যামগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের আগে ট্রেনের গ্যাংকারের একটি চাকা লাইনচ্যুত হয়।

এতে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস গৌরীপুর স্টেশনে এবং জারিয়া লোকাল ট্রেন শম্ভূগঞ্জে আটকে থাকে। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ওই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ময়লার স্তূপ থেকে ফুলের বাগান, বদলে গেছে টঙ্গীর বিআরটি স্টেশন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর
ময়লার স্তূপ থেকে ফুলের বাগান, বদলে গেছে টঙ্গীর বিআরটি স্টেশন
ছবি: কালের কণ্ঠ

আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী উড়ালসড়কের স্টেশনগুলোতে ছিল ময়লার স্তূপ, ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের বিচরণ। আজ সেই স্থানই রূপ নিয়েছে রঙিন ফুলের সুসজ্জিত বাগানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী অংশে অবস্থিত বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের স্টেশনগুলো এখন যেন নগর সৌন্দর্যের নতুন প্রতীক। ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চল, গাজীপুর ও ময়মনসিংহগামী মানুষের অন্যতম ব্যস্ত এই মহাসড়কের উত্তরার বিএনএস সেন্টার থেকে টঙ্গী কলেজগেট পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার উড়াল সড়কের বিভিন্ন স্টেশন সম্প্রতি নতুনভাবে সেজেছে।

সরকার বিআরটি প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পর দীর্ঘদিন অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা স্টেশনগুলোতে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শুরু হয় সৌন্দর্যবর্ধনের কর্মসূচি।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেনের নির্দেশনায় টঙ্গী বাজার, টঙ্গী স্টেশন রোড, মিলগেট, চেরাগ আলী এবং টঙ্গী শফিউদ্দিন সরকার একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন বিআরটি স্টেশনগুলো থেকে ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। এরপর খোলা জায়গায় মাটি ভরাট করে রোপণ করা হয় বিভিন্ন প্রজাতির ফুল ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। এখন সেই গাছে ফুটতে শুরু করেছে নানা রঙের ফুল, যা পথচারী ও যাত্রীদের মন কেড়ে নিচ্ছে। এ ছাড়াও স্টেশন গুলোর দেয়ালে আঁকা হয়েছে চমৎকার গ্রাফিতি, সংযোগ দেওয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক লাইন এবং লাগানো হয়েছে সড়ক বাতি।

স্থানীয়রা জানান, স্টেশনগুলো একসময় ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছিল, সেখানে এখন পরিচ্ছন্ন পরিবেশের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে মনোরম ফুলের বাগান। রাতের অন্ধকার দূর করতে বসানো হয়েছে নান্দনিক আলোকসজ্জা। সন্ধ্যা নামতেই রঙিন আলোর ঝলকানিতে স্টেশনগুলো যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। এই পরিবর্তনে সন্তুষ্ট নিয়মিত যাত্রীরাও।

এই রোডে যাতায়াতকারী ইকবাল হাসান বলেন, যে স্টেশনগুলোর দিকে আগে তাকানোই যেত না, আজ সেখানে ফুটেছে রঙিন ফুল। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কারণে পুরো এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। রাতেও এখন আলো থাকে, নিরাপত্তাও বেড়েছে।

স্থানীয় দোকানি রুহুল আমিন জানান, শুধু যাত্রী নয়, স্থানীয় বাসিন্দারাও এখন অবসরে স্টেশনগুলো ঘুরে দেখতে আসছেন। অনেকেই ফুলের বাগান ও আলোকসজ্জার সামনে ছবি তুলছেন। ফলে এই স্টেশনগুলো ধীরে ধীরে নগরবাসীর আকর্ষণের কেন্দ্রেও পরিণত হচ্ছে।

চয়ের দোকানি আব্দুল করিম বলেন, ছিনতাইকারীর ভয়ে ও ময়লার দুর্গন্ধে উড়ালসড়কে আগে যেতাম না। এখন ছবি তুলতে গিয়েছি।

বিডি ক্লিন গাজীপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা মোহাম্মদ কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, ঢাকা-টঙ্গী-গাজীপুর উড়াল সেতু প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচলের পথ। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ফুলের বাগান ও দেয়ালে আঁকা নান্দনিক চিত্র পুরো কংক্রিটের কাঠামোকে জীবন্ত শিল্পকর্মে রূপ দিয়েছে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মতো পরিকল্পিত সৌন্দর্যায়ন গাজীপুরেও বাস্তবায়ন করা সম্ভব, এই উদ্যোগ তারই প্রমাণ।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক জানান, সিটি করপোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে বিআরটি স্টেশনগুলোর সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। নগরকে আরো পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য করে তুলতে এ ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে চলবে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, শুধু অবকাঠামো নির্মাণই নয়, সেগুলোর পরিচর্যা ও নান্দনিক ব্যবহার নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। টঙ্গীর বিআরটি স্টেশনগুলোর এই রূপান্তর দেখিয়ে দিয়েছে, সদিচ্ছা ও পরিকল্পিত উদ্যোগ থাকলে অবহেলিত জনপরিসরও মানুষের জন্য নিরাপদ, আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত স্থানে পরিণত হতে পারে। আজ টঙ্গীর উড়াল সড়কের বিআরটি স্টেশনগুলো শুধু যাত্রী ওঠানামার স্থান নয়, বরং নগর সৌন্দর্য, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে গাজীপুর মহানগরের আরো অনেক জনপরিসর এমন সবুজ ও নান্দনিক রূপে সেজে উঠবে, এমনটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর।

নওগাঁয় সাবেক অধ্যক্ষের স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, অভিযুক্ত নারী গ্রেপ্তার

নওগাঁ প্রতিনিধি
নওগাঁয় সাবেক অধ্যক্ষের স্ত্রীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা, অভিযুক্ত নারী গ্রেপ্তার

নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক শহিদুল আলমের স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুটের পর হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হাসিনা বেগমকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাত ৯টায় জেলা পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে মারা যান ফাতেমা বেগম। এর আগে, একটি প্রতারক চক্র তাকে অজ্ঞান করে তার গলা ও হাতের স্বর্ণালংকার লুট করে শহরের নদীপাড় এলাকার একটি ময়লার পট্টিতে ফেলে রেখে যায়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নওগাঁ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের পর তদন্তে নামে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ শহরের বিভিন্ন এলাকার ৮৫ থেকে ৮৭টি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। ফুটেজে মুখে মাস্ক, চোখে চশমা এবং সঙ্গে আড়াই বছরের একটি শিশু থাকা এক সন্দেহভাজন নারীকে শনাক্ত করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও স্থানীয় জনগণের তথ্যের ভিত্তিতে নওহাটা এলাকা থেকে অভিযুক্ত হাসিনা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হাসিনা বেগম স্বীকার করেছেন, তিনি সুকৌশলে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে সর্বস্ব লুট করতেন।

ঘটনার দিন শহরের উকিলপাড়া এলাকায় ফাতেমা বেগম ও তার স্বামীর সঙ্গে পরিচিত হন হাসিনা। এক পর্যায়ে তাদের বিশ্বাস অর্জন করে ফাতেমা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে একটি রিকশায় ওঠেন তিনি। এরপর নিজের কাছে থাকা ফলের জুসের সঙ্গে আগে থেকে গুঁড়ো করে রাখা ‘জিওনিল’ নামের তীব্র মাত্রার ঘুমের ওষুধের ৬ থেকে ৭টি ট্যাবলেট মিশিয়ে ফাতেমা বেগমকে খাইয়ে দেন। ফাতেমা বেগম অচেতন হয়ে পড়লে তার স্বর্ণালংকার খুলে নিয়ে তাকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যান হাসিনা।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আরো জানান, লুট করা স্বর্ণালংকারগুলো শহরের ‘জোয়ারদার জুয়েলার্স’-এর ইমরান নামের এক ব্যক্তির কাছে মাত্র ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম জানান, এ চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ মো. জিন্নাহ আল মামুন, ডিবি পুলিশের ওসি হাসিবুল্লাহ হাবিব এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
বনভোজন শেষে নৌকায় ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, প্রাণ গেল ২ শ্রমিকের
প্রতীকী ছবি

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নৌকায় করে বনভোজন থেকে ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের চাকলেশ্বর এলাকার একটি বিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ইটভাটার শ্রমিক রংপুরের সাজ্জাত হোসেন ও শেরপুরের পাকুরিয়া গ্রামের খুজাউরা গ্রামের হাসমত মিয়ার ছেলে জিকুল মিয়া।

সাজ্জাত প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি বাসের শ্রমিক। জিকুল মিয়া বিডি ফুড কম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তারা জয়দেবপুর থানার ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

জানা গেছে, ভাওয়াল মির্জাপুর এলাকায় বিভিন্ন পেশায় কর্মরত ২৮ থেকে ৩০ জন মিলে নৌকায় করে মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের মহেড়া জমিদার বাড়িতে (পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার) বেড়াতে আসেন। মাগরিবের নামাজের পর বনভোজের নৌকাটি ফতেপুর স্কুল ঘাট থেকে বিকট শব্দে গান বাজাতে বাজাতে ঝিনাই নদী হয়ে ভাওয়াল মির্জাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়। পরে থলপাড়া সেতু পার হওয়ার পর মাল্লা নদী থেকে বিচ্যুত হয়ে নৌকা নিয়ে থলপাড়া ও চাকলেশ্বর এলাকার বিলে ঢুকে পড়ে। এসময় বিলের ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের সঙ্গে ঘর্ষণে নৌকার সামনে থাকা কয়েকজন ছিটকে পড়ে আহত হয়। আহতদের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার এনায়েতুর রহমান সাজ্জাত ও জিকুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ছাড়া রবিন মিয়া, লিপটন মিয়া, রানা আহমেদ ও মেহেদী হাসানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বনভোজনের নৌকায় থাকা ইয়াছিন, সিয়াম ও আলম জানান, নৌকায় গান বাজনা চলছিল। ফতেপুর স্কুল থেকে নৌকা ছাড়ার আধাঘণ্টা পর হঠাৎ বিদ্যুতের ঝলকানি দেখতে পান। পরে সহপাঠীদের চিৎকারে তারা কাছে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। রাত ৯টার দিকে আহতদের কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ দুটি সুরতহাল শেষে টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসা চলছে।