গোপালগঞ্জে বিএনপির দুই নেতাকে মারধর এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়ার ঘটনায় করা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে এদিন দুপুরে মারধরের শিকার কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
মালার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিগত বছরের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড এবং আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে শতাধিক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় সড়কের তিলছড়া এলাকায় অবস্থানরত রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির দুই নেতাকে মারধর করেন এবং তাদের মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা সেখান থেকে সরে যায়। এ ঘটনায় ১০৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাফিছুর রহমান বলেন, বিএনপির দুই নেতাকে মারধর, তাদের মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ এবং নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নামে সড়কে বিক্ষোভ করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





