• ই-পেপার

সৈনিক আবু হানিফার দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকী আজ

টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মেয়র শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহযোগিতা করছেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চট্টগ্রামে ৬ দিনের দিনের টানা ভারী বর্ষণে মৌসুমের রেকর্ড বৃষ্টিপাতের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে শুক্রবার হাজারো মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এদিন মেয়র শাহাদাত চট্টগ্রাম ৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে পাঁচলাইশ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের অক্সিজেন কুয়াইশ সংযোগ সড়কের ওয়াজেদিয়া, বোর্ড অফিস, চালিতাতলী বাজার, হাজীপাড়া, বেলতলা, শহীদনগরসহ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং আশ্রয়কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অবস্থানরত হাজারো মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

এর আগে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ার পর থেকে সিটি মেয়রের পক্ষ থেকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রায় দশ হাজার পরিবারের মাঝে রান্না করা এবং শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

পরিদর্শনকালে মেয়র বলেন, ‘চট্টগ্রামে অস্বাভাবিক ও রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের কারণে অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা বসে থাকিনি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, সিডিএ, চট্টগ্রাম ওয়াসা, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিয়ে সমন্বয় সভা করেছি এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি করেছি। কোথায় কী সমস্যা হচ্ছে, কোথায় পানি আটকে আছে, কীভাবে দ্রুত পানি নিষ্কাশন করা যায়, এসব বিষয়ে একযোগে কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা। পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার, আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা, খাবার বিতরণ এবং জলাবদ্ধতা দ্রুত নিরসনে সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা মাঠে কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

মেয়র সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পানি দ্রুত নিষ্কাশন, খাল ও নালা সচল রাখা এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব শর্মাসহ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেয়রের নির্দেশনা গ্রহণ করেন। এসময় মেয়র ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাফর আহমেদ, আশরাফুল ইসলাম, আবু ইউসুফ, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক জি এম আইয়ুব খান, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, বায়েজিদ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জসিম, বিএনপি নেতা আব্দুর রহিম, পাঁচলাইশ ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক শামসুল আলম, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম আবুল কালাম আবু, সদস্য সচিব সোলায়মান বাদশা, বিএনপি নেতা মোরশেদুল আলম, লিয়াকত আলী জসিম, মোহাম্মদ ইসমাইলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

‘মাদক সেবন করে’ বিশৃঙ্খলার অভিযোগে যশোরে দুজনের কারাদণ্ড

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
‘মাদক সেবন করে’ বিশৃঙ্খলার অভিযোগে যশোরে দুজনের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

যশোরের অভয়নগরে ‘মাদক সেবন করে’ জনসমক্ষে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০০ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের বেঙ্গল রেলগেট এলাকার মৃত নূরুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম (৫০) এবং একই গ্রামের ফিরোজ গাজীর ছেলে আব্দুল জব্বার (৪০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সুব্রত কুমার রায় জানান, মাদক সেবন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে নওয়াপাড়া রেলস্টেশনসংলগ্ন ছাগলহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মনিরুল ইসলাম ও আব্দুল জব্বারকে মদ্যপ অবস্থায় আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে জরিমানা করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু জানান, জনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবদুল মোতালেব (৪৪) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাঁপাছৌ গ্রামের আবদুল হকের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে নিজ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ওমর হাসান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাশের একটি পরিবারের অনুষ্ঠানের জন্য আবদুল মোতালেবের বাড়ির উঠান ব্যবহার করা হচ্ছিল। এ সময় তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবদুল মোতালেব দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কম্পানির ডিলার হিসেবে ব্যবসা করতেন। তিনি স্ত্রী, তিন সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে গুণবতী মাদ্রাসা মোড়ে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ভোমরা স্থলবন্দরে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুলসহ আটক ২

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
ভোমরা স্থলবন্দরে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুলসহ আটক ২
ছবি : কালের কণ্ঠ

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুলসহ দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকও জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিজিবি এ তথ্য জানায়। এর আগে ৯ জুলাই বিকেলে ভোমরা চেকপোস্টে এ অভিযান চালানো হয়।

আটকরা হলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সমরেশ দাস ও রাম মন্ডল।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভারত থেকে আসা একটি পণ্যবাহী ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ২১৬টি ডায়মন্ডের নাকফুল উদ্ধার করা হয়। এ সময় ট্রাকচালক ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়।

বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা নাকফুলগুলোর মূল্য প্রায় ৪৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা। আর ট্রাকটির মূল্য প্রায় ৮৫ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালামালের মূল্য প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে এসব ডায়মন্ডের নাকফুল বাংলাদেশে আনার চেষ্টা করা হচ্ছিল। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।