• ই-পেপার

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর খুলে দেওয়ার কাজ চলছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী

সাতক্ষীরা

পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে ধরা, পদ হারালেন জামায়াত নেতা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
পরকীয়া প্রেমিকাসহ স্ত্রীর হাতে ধরা, পদ হারালেন জামায়াত নেতা
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরায় অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে যুব জামায়াত নেতা মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ্কে দলীয় পদ ও সাংগঠনিক সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন শাখার আমীর মো. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সাংগঠনিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অব্যাহতির ঘোষণা দেওয়া হয়।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত মোহাম্মদ ফিরোজ শাহ জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া শাখার  ১২ নম্বর বল্লী ইউনিয়ন শাখার যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরার শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে পরকীয়া প্রেমিকাসহ আপত্তিকর অবস্থায় নিজের স্ত্রীর হাতে ধরা পড়েন ফিরোজ। ঘটনার সময় পার্কে উপস্থিত সাধারণ জনতার সম্মুখে ফিরোজ ও পরকীয়া প্রেমিকার মধ্যে তুমুল হট্টগোল সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ করেন সেখানে উপস্থিত দর্শনার্থীরা। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জেলা সংগঠনের নির্দেশক্রমে জানানো যাচ্ছে যে, ফিরোজ শাহ দলীয় শৃঙ্খলা, আদর্শ ও সাংগঠনিক নীতিমালা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাকে সাতক্ষীরা সদরের ১২নং বল্লী ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি পদসহ সংগঠনের সকল সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

এতে আরো উল্লেখ করা হয়, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে এবং চলমান বিশদ তদন্ত সাপেক্ষে তিনি চূড়ান্তভাবে দোষী প্রমাণিত হলে তাকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে। একই সাথে সংগঠনের সকল স্তরের দায়িত্বশীল, সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীদের এই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ক্ষেতলালে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০

ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
ক্ষেতলালে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১০
ছবি : কালের কণ্ঠ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল ও ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন— মহব্বতপুর গ্রামের আব্দুল হাকিম সরদার, আব্দুল গফুর, নাজিদুল সরদার, জামিউল হোসেন, আবু সাইদ, নাদিম সরদার ও নাজু বিবি। অপর পক্ষের আহত দুজন হলেন মঞ্জুরুল ও বেলজান।

আব্দুল হাকিম সরদার অভিযোগ করে জানান, তিনি ২০২০ সালে মহব্বতপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের মেয়ে নুরুন্নাহানের কাছ থেকে ৯ শতক জমি ক্রয় করেন। তবে পরে নুরুন্নাহানের ছোট বোন শারমিন ওই জমির মালিকানা দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে আদালতেও মামলা রয়েছে।

তার দাবি, শুক্রবার সকালে শারমিন ও তার সমর্থকরা ওই জমির দখল নিতে এলে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা বাধা দেন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের ১০ জন আহত হন, যার মধ্যে তাঁর পক্ষের আটজন রয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল ও ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ক্ষেতলাল থানার ওসি মোক্তাদুল হোসেন বলেন, ‘জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শুভসন্ধ্যা সৈকতে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ মিলল ৩ দিন পর

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
শুভসন্ধ্যা সৈকতে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ মিলল ৩ দিন পর
সংগৃহীত ছবি

বরগুনার তালতলীর শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় কিশোর পর্যটক আসাদুল (১৬) । তিন দিন পর সাগর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে  বঙ্গোপসাগরের মোহনায় মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ও তালতলী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত আসাদুল আমতলী উপজেলার মানিকঝুড়ি গ্রামের মো. মুসা মিয়ার ছেলে। তিনি একটি মাদরাসা থেকে এবার দাখিল পরীক্ষা দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ভগ্নিপতি ও তিন বন্ধুকে নিয়ে শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যান আসাদুল। পরে তারা সমুদ্রে গোসল করতে নামেন।

সেসময় নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর ছিল উত্তাল। প্রবল স্রোতে পাঁচজনই ভেসে যান। স্থানীয়দের চেষ্টায় চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আসাদুল নিখোঁজ হন।

ঘটনার পর নৌ পুলিশ, তালতলী থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস কয়েক ঘণ্টা উদ্ধার অভিযান চালায়। তবে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজের তিন দিন পর একই সৈকত এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তালতলী নৌ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জিয়াউল ইসলাম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তালতলী থানায় নেওয়া হবে। পরিবারের আপত্তি না থাকলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৫

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ৫
সংগৃহীত ছবি

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ জুলাই) দাউদকান্দি মডেল থানার পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারসহ মাদক পাচারের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ছাড়া পৃথক অভিযানে একটি মারামারি মামলার একজন আসামি, একজন জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আরো একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পৃথক অভিযানে মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল পৌনে ১১টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ সতানন্দি এলাকায় মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল প্লাজার প্রায় ১০০ গজ পশ্চিমে ঢাকামুখী লেনে স্থাপিত একটি চেকপোস্টে একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় গাড়িটি থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চট্টগ্রামের ডবলমুরিং এলাকার মো. ফিরোজ (৪৬) এবং মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার মো. মিলন গাজীকে (২৮) মাদক পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ছাড়া শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দাউদকান্দি কাউন্টার এলাকা থেকে মারামারি মামলার আসামি বিকাশ দেবনাথকে (৩৮) গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে জিআর পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. বিল্লালকে (৩৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৃথক অভিযানে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় মো. কবির হোসেনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে।