• ই-পেপার

মণিরামপুর

স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্ত্রী পুলিশ হেফাজতে

বরগুনায় সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে পর্যটক নিখোঁজ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বরগুনায় সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে পর্যটক নিখোঁজ
সংগৃহীত ছবি

বরগুনার তালতলী উপজেলার শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নেমে সাইদুল (১৮) নামে এক পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে ওই নিখোঁজের ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ সাইদুলের আমতলী উপজেলার তারিকাটা গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে। 

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ সাইদুল তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ঠংপাড়া এলাকায় তার ভগ্নিপতি শাওন তালুকদারের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে আজকে দুপুরে সাইদুল, ভগ্নীপতি শাওনসহ ৫ জন শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে সাগরে তীব্র ঢেউ ও প্রবল স্রোতের কবলে পড়ে সাইদুল নিখোঁজ হন। তার সঙ্গে থাকা অন্যরা নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও সাইদুলকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত হন। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়নি। পটুয়াখালী থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি।

এদিকে স্থানীয় জেলে ও এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে নিখোঁজ সাইদুলকে খুঁজতে এবং  উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ সাইদুলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ

বাসস
ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসে রাজস্ব আদায় ১৫ কোটি ৭০ লাখ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে অর্থবছরে (২০২৫-২৬) ১৫ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার ৩৫১ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা বিগত অর্থবছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় সরেজমিনে ভূমি সেবার মান পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য জানা যায়।

ভূমি অফিস সূত্র জানায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভূমি উন্নয়ন কর থেকে ১৩ কোটি ৭ লাখ ২৮ হাজার ৪৬২ টাকা। অনলাইনে আদায়কৃত নামজারি ফি থেকে ২ কোটি ৬২ লাখ ৯ হাজার ১৭০ টাকা। চলনাদিত্ব (মিউটেশন) নবায়ন বাবদ ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৫৬ টাকা। ডিপি লিজ মানি থেকে ৫ লাখ ১ হাজার ৯৬৪ টাকা। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আদায় হয়েছে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৬০০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এই পরিসংখ্যানে গত ৩ বছরের মধ্যে এবার রাজস্ব আদায় রেকর্ড পরিমাণ। এতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ জেলা প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি মূল ভূমিকা হিসাবে কাজ করেছে।

প্রশাসনের এ ধরনের কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে বলেও জানান সেবাপ্রার্থী ও নগরীর কাচিঝুলি এলাকার বাসিন্দা মো. আইনল হকসহ আরো অনেকেই।

তবে প্রশংসনীয় এ কাজটি জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সচেতনতার জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে জানান উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দা তামান্না হুরায়রা। তিনি বলেন, ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মাধ্যমে জনবান্ধব ভূমিসেবা নিশ্চিত করে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ লক্ষ্যে ভূমিসংক্রান্ত সব সেবা দ্রুত, সহজও হয়রানিমুক্তভাবে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ডিজিটাল সেবার প্রসারেও কাজ চলছে।’

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আজিমুদ্দিন বলেন, ‘বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় প্রশংসনীয়। একজন কর্মকর্তা তার আত্মরিকতা এবং পরিশ্রম দিয়ে দায়িত্ব কর্তব্য পালন করলে দেশ ও মানুষ উপকৃত হয়।’

ভাঙ্গায় কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুর প্রতিনিধি
ভাঙ্গায় কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাবার খাবারের দোকান থেকে এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি ফরহাদ হোসেনকে (২৮) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না আসামি ফরহাদ। পাঁচ বছর ধরে ফরহাদ পলাতক রয়েছে বলে জানা যায়।  

আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) গোলাম রব্বানী বলেন, ‘রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য-প্রমাণ, মেডিক্যাল প্রতিবেদন ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যের মাধ্যমে আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালত সেই সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তিনি বলেন, আদালতের এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও শেষ পর্যন্ত আসামি আইনের বিচারের বাইরে থাকতে পারেনি।’

মামলার অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৯ মে সকালে ভাঙ্গা উপজেলার মুন্সুরাবাদ বাজারে বাবার খাবারের দোকানে নাশতা পৌঁছে দিতে যায় ভুক্তভোগী কিশোরী। এ সময় স্থানীয় সড়ক থেকে ফরহাদ হোসেন ও তার সহযোগীরা জোরপূর্বক তাকে একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

মামলায় আরো উল্লেখ করা হয়, অপহরণের সময় কিশোরীর কাছে দোকানের বিক্রির দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা ছিল। অপহরণকারীরা সেই টাকাও নিয়ে যায়। পরে কিশোরীকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ভাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ একাধিক সাক্ষী, মেডিক্যাল প্রতিবেদন ও তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষণা করেন।

তবে রায় ঘোষণার সময়ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি পলাতক ছিলেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তারে জন্য আদালত নির্দেশ দেন। 

হবিগঞ্জ

আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে বালু তোলা চলছেই

সরকারি আইন অমান্য   প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

রায়হান আহমেদ, হবিগঞ্জ
আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে বালু তোলা চলছেই
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বনগাাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবাধে চলছে বালু তোলা। সোমবার তোলা। কালের কণ্ঠ

বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পটি গড়ে উঠেছে খোয়াই নদীর পাশে। প্রকল্পের ঘরে ঠাঁই মেলে ১৬০টি ভূমিহীন পরিবারের। তবে নিরাপদ আশ্রয়টিতে এখন চলছে আতঙ্ক। দীর্ঘদিন ধরে পাশেই চলছে অবৈধভাবে বালু তোলা। এতে প্রকল্পের ঘর নদীভাঙনের শিকার হতে পারে—এমন আশঙ্কা সেখানকার বাসিন্দাদের।

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার বনগাাঁও এলাকার এই আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু তোলার অভিযোগ ইজারাদারের বিরুদ্ধে। এর সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারাও যুক্ত বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। 

এদিকে অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে নদীভাঙনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ছাড়াও হুমকিতে পড়েছে আশপাশের কৃষিজমিও। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘ দুই মাস ধরে এ কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। 

সোমবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন এলাকায় খোয়াই নদীতে অন্তত ২৫টি ড্রেজার দিয়ে দিন-রাত বালু তোলা চলছে। বালুমহালের সীমানা নির্ধারণ করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাইনবোর্ড বসানোর কথা থাকলেও ঘটনাস্থলে তা চোখে পড়েনি। 

রাজার বাজার বালুমহালের ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের সম্মতিতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে গত দুই মাস ধরে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। তারা বলছেন, ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে নদীর তলদেশ থেকে অবাধে বালু তোলায় নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে চলতি বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের ভাঙনের আশঙ্কায় আতঙ্কিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা। 

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বাংলা ১৪৩৩ সনের জন্য প্রায় ২৭ কোটি টাকায় রাজার বাজার বালুমহালের ইজারা পায় রাহী ট্রেডার্স, যা পরিচালনা করছেন সেলিম মিয়া। 

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে অবৈধভাবে বালু তোলা বন্ধ করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ১৬০টি পরিবারকে যেন রক্ষা করে সরকার।

আইন অনুযায়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প, সেতু, কালভার্ট, বাঁধ, সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা এবং আবাসিক এলাকার অন্তত এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে বালু তোলা নিষিদ্ধ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই আইন অমান্য করে প্রকল্পের পাশেই ড্রেজার বসিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। 

বনগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা সরদার আ. জলিল অভিযোগ করে বলেন, ‘শুধু নদী থেকেই নয়, প্রকল্পসংলগ্ন ১৩টি পরিবারের মালিকানাধীন জমিও দখল করে সেখানে বিশাল বালুর ডিপো গড়ে তোলা হয়েছে। একাধিকবার প্রতিবাদ করেও আমরা কোনো প্রতিকার পাইনি।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, আশ্রয়ণ প্রকল্পসংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাবরু মিয়া, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মোস্তফা হোসেন মস্তু ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা আল আমিনসহ বেশ কয়েকজন বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত। 

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বাবরু মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি তা ধরেননি। অন্যদিকে আরেক অভিযুক্ত  আওয়ামী লীগ নেতা আল আমিন বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি। 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত নেতা মোস্তফা মস্তু দাবি করেন, ‘সরকার নির্ধারিত সীমানার মধ্যেই বালু তোলা হচ্ছে। যদি তীরবর্তী বসতবাড়ির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়, তাহলে আমরা ক্ষতিপূরণ দেব।’ 

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সহসভাপতি তোফাজ্জল সুহেল বলেন, ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার ফলে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রশাসন যদি ব্যবস্থা না নেয়, তবে আশ্রয়ণের পরিবারগুলো মাথা গোঁজার ঠাঁই হারাবে।

চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, বালুর বিষয়টি এসি ল্যান্ড দেখবেন। সব দায়দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে। 

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌফিক আনোয়ার বলেন, শিগগিরই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আবুল হাসেম বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অনিয়মের প্রমাণ মিললে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ বলেন, ‘কিছুদিন আগে বনগাঁও এলাকা পরিদর্শন করেছি। তখন সব ঠিকটাক ছিল। যদি আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘেঁষে ইজারাদার বালু তোলেন, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’