কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার ২৩ ঘণ্টা পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান প্রধানকে উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) রাত ১০টার দিকে কুমিল্লার লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
জিসানের বড় ভাই অ্যাডভোকেট রাসেল রাফি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপহরণকারীরা জিসানকে লাকসামে ফেলে রেখে চলে যায়। উদ্ধারের পর দেখা গেছে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ঢাকা থেকে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগগোয়ালী গ্রামে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন জিসান প্রধান। পথে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায় করেন তিনি। রাত আটটার দিকে জিসান তার বাবাকে ফোন করে জানান, তিনি দাউদকান্দি পৌঁছেছেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন। তবে রাত ৮টা ২৯ মিনিটে তার ব্যবহৃত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি সর্বশেষ অনলাইন দেখানোর পর থেকেই তার মুঠোফোন বন্ধ হয়ে যায়। একই সঙ্গে তার ফেসবুক আইডিও ডিঅ্যাক্টিভেট (নিষ্ক্রিয়) পাওয়া যায়।
জিসান প্রধানের বড় ভাই বলেন, ভাইয়ের খোঁজে আমরা আত্মীয়স্বজনসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় যোগাযোগ করেও কোনো সন্ধান পাইনি। পরে এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দাউদকান্দি-চান্দিনা সার্কেল) খলিলুর রহমান বলেন, নিখোঁজ ছাত্রনেতাকে লাকসাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়, সেখান থেকে পরে কুমিল্লায় নেয়া হয়েছে। ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।