• ই-পেপার

ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে এয়ারটেলের বিশেষ ডাটা অফার, আরো যা থাকছে

হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

অনলাইন ডেস্ক
হাছন রাজাকে উৎসর্গ করে ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’

বিশ্ব সংগীত দিবস উদযাপন, বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীতের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরা এবং এর চিরন্তন আবেদনকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশ এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ন্যাচারাল ওয়েলনেস ব্র্যান্ড মায়া যৌথভাবে ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ আয়োজন করেছে।

রাজধানীর আলোকি কনভেনশন সেন্টারে শুক্রবার (১২ জুন) ‘সংস অব বেঙ্গল: প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজন উৎসর্গ করা হয় বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মরমি কবি ও গীতিকার দেওয়ান হাছন রাজাকে। যার গান এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বাংলার মানুষের হৃদয়ে সমানভাবে অনুরণিত হয়ে আসছে।

এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বাংলার সমৃদ্ধ লোকসংগীত ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সমসাময়িক উপস্থাপনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়া। সংগীত, গল্পকথন এবং সৃজনশীল শিল্পভাবনার মাধ্যমে হাছন রাজার দর্শন, জীবনবোধ ও সংগীতের চিরন্তন প্রাসঙ্গিকতাকে নতুনভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের মিউজিক ডিরেক্টর ও কিউরেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক শায়ান চৌধুরী অর্ণব। তার শিল্পভাবনা ও সংগীত বিন্যাসে হাছন রাজার কালজয়ী গানগুলো নতুন আবহে পরিবেশিত হয়, যা দর্শকদের জন্য এক অনন্য সংগীতানুভূতির জন্ম দেয়।

সন্ধ্যাজুড়ে পরিবেশিত হয় হাছন রাজার জনপ্রিয় ও কালজয়ী সব গান। সুর, দর্শন ও আবেগের এক অপূর্ব মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে দর্শকরা ফিরে যান সেই প্রকৃতি, হাওর সংস্কৃতি, লোকজ দর্শন ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার জগতে, যা হাছন রাজার সৃষ্টিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। তার গানের কেন্দ্রীয় বিষয় ‘মনের মানুষ’, আত্মঅনুসন্ধান এবং মরমি জীবনদর্শনও এই আয়োজনের বিভিন্ন পরিবেশনায় নতুনভাবে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এম ডব্লিউ ম্যাগাজিন বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক রুমানা চৌধুরী। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অর্থবহভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিকে সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে এম ডব্লিউ-এর ধারাবাহিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই এম ডব্লিউ বিশ্বাস করে, সংস্কৃতি কেবল তার মূল রূপে সংরক্ষণ করার বিষয় নয়; বরং তা নতুন প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে ব্যাখ্যা, অনুভব ও পৌঁছে দেওয়ারও বিষয়। এই আয়োজন সেই বিশ্বাসেরই বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি আরো বলেন, ‘এম ডব্লিউ-এর সাংস্কৃতিক উদ্যোগগুলো বরাবরই এমন একটি পরিসর তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সাহিত্য, সংগীত, শিল্প ও ঐতিহ্য সমসাময়িক দর্শকের সঙ্গে অর্থবহ সংযোগ স্থাপন করতে পারে।’ একই সঙ্গে তিনি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগে অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মালিক মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বাংলা লোকসংগীতের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’-এর মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশের মূল্যবান সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে পুনরায় পরিচিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়।

তিনি শিল্প, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল চর্চার প্রতি মায়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও উদ্যাপনে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

আয়োজনটি স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে উদ্যাপন করে এমন উদ্যোগগুলোর সঙ্গে মায়ার চলমান সম্পৃক্ততার প্রতিফলন ঘটায়। এই আয়োজনের কমিউনিকেশন পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে সান কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

বিশ্ব সংগীত দিবস উপলক্ষে মায়া ‘সংস অব বেঙ্গল : প্রাণ বন্ধের সনে’ অনুষ্ঠানটি ২১ জুন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে মাছরাঙা টেলিভিশনে সম্প্রচারিত হবে।

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার নগদের

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার নগদের

বিশ্বকাপ ফুটবলের উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে তুলতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ কুইজ ও রিচার্জভিত্তিক ক্যাম্পেইন নিয়ে এসেছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সেবা নগদ। বিশ্বকাপজুড়ে চলা এ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীরা জিততে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং পেতে পারেন জাতীয় ফুটবল দলের একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে দেখার সুযোগ।

বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন ফুটবলবিষয়ক কুইজ আয়োজন করতে যাচ্ছে নগদ। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াকে নিয়ে তৈরি সংক্ষিপ্ত ভিডিও কনটেন্টে থাকবে ফুটবলসংক্রান্ত প্রশ্ন, যার সঠিক উত্তর দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাবেন।

কুইজে অংশগ্রহণকারীদের কুইজের উত্তর দিয়ে তা হ্যাশট্যাগ দিয়ে ফেসবুকে শেয়ার করতে হবে। যার প্রোফাইলের লাইক-শেয়ার ও কমেন্ট বেশি থাকবে তিনি বিজয়ী হিসেবে পাবেন নগদ ব্র্যান্ডেড গিফট বক্স; যেখানে থাকবে স্মার্টওয়াচ, মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি ও রিস্টব্যান্ড।

পাশাপাশি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষে থাকবে মেগা কুইজ আয়োজন। ফাইনালের দিন তিনটি পৃথক কুইজেই সঠিক উত্তরদাতার মধ্যে যার হ্যাশট্যাসহ শেয়ার, লাইক ও কমেন্ট সর্বোচ হবে, তিনিই সৌভাগ্যবান বিজয়ী হিসেবে জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী অ্যাওয়ে ম্যাচ জামাল ভূঁইয়ার সাথে সরাসরি স্টেডিয়ামে বসে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। এ ছাড়া অন্যান্য বিজয়ীরা পাবেন আকর্ষণীয় উপহার।

রিচার্জে জিতে নিন পিএসফাইভ
কুইজ আয়োজনের পাশাপাশি বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিশেষ মোবাইল রিচার্জ ক্যাম্পেইনও পরিচালনা করবে নগদ। বিশ্বকাপ চলাকালীন নগদ ওয়ালেট ব্যবহার করে ৫০ টাকা বা তার বেশি যোকোনো পরিমাণ টাকা রিচার্জ করে যেকোনো ফুটবলপ্রেমী এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। রিচার্জ ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রতিদিন পাঁচজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী নগদের পক্ষ থেকে বিজয়ীর পছন্দের দেশের জার্সি উপহার পাবেন। যেখানে রয়েছে নিজের নাম ও পছন্দের নম্বর দিয়ে জার্সি উপহার নেওয়ার সুযোগ। 
এ ছাড়া রিচার্জ ক্যাম্পেইনে অংশ নেওয়া তিনজন সৌভাগ্যবান বিজয়ী জিতে নিতে পারবেন ভিডিও গেম কনসোল পিএসফাইভ।

এ বিষয়ে নগদের হেড অব মার্কেটিং হেরাস উদ্দীন মুহাম্মদ মেহেদী সাজ্জাদ বলেন, ‘বিশ্বকাপকে ঘিরে গ্রাহকদের জন্য একটি ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। কুইজ, রিচার্জ অফার এবং সরাসরি সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আমরা একটি আনন্দময় আয়োজন নিয়ে এসেছি। আমরা আশা করি, সব সময়ের মতো এবারও নগদের গ্রাহকরা আনন্দ নিয়ে খেলা উপভোগ করবেন এবং নগদের সঙ্গেই থাকবেন।’

বিশ্বকাপজুড়ে চলা এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দেশের লাখো ফুটবলপ্রেমীকে এক প্ল্যাটফরমে যুক্ত করতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার সঙ্গে উৎসবের সমন্বয় ঘটাতে চায় নগদ। 

নগদ দেশের তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত হতে এক মাসব্যাপী ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভেশনেরও আয়োজন করছে। যেখানে দেশের ২৯টি অঞ্চলের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে নগদ ব্র্যান্ডেড ক্যারাভানের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জনপ্রিয় কোনো ক্রীড়া ইনফ্লুয়েন্সারের অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীদের কাছে ‘কুইজ শো’ এবং এমএনও ক্যাম্পেইনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি ফুটবল ও প্লেস্টেশন-৫ গেমিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে। বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের জন্য থাকবে মিনি ফুটবল, নগদ ব্র্যান্ডেড জার্সি, রিস্টব্যান্ডসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।

কুইজ ও রিচার্জ ক্যাম্পেইনের শর্তের বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে নগদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে নজর রাখুন। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসার জন্য নগদের কলসেন্টারে যোগাযোগ করতে পারেন গ্রাহকরা।

৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক
সংগৃহীত ছবি

ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির শেয়ারহোল্ডাররা ২০২৫ সালের জন্য ৩০% লভ্যাংশের অনুমোদন দিয়েছেন, যার ১৫% নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫% স্টক ডিভিডেন্ড আকারে বণ্টিত হবে।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বার্ষিক সাধারণ সভায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার যোগ দেন। 

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে এজিএম-এ আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ– সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ।   

সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানান। কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস এজিএম পরিচালনা করেন। 
    
২০২৫ সালে সমন্বিত নিট মুনাফা ৫৭% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,২৫১ কোটি টাকায়। ২০২৫ সালে শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৫৮১ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের ১,২১৪ কোটি টাকা থেকে ৩০% বেশি।  

সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৯.৩৮ টাকা। সমন্বিত ভিত্তিতে শেয়ারপ্রতি নিট ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ৭২.৭২ টাকা, যা ২০২৪ সালে ছিল ৫৪.১৪ টাকা।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তার বক্তব্যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। 

তার তুলে ধরা উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল, ২০২৫ সালে একক ভিত্তিতে ব্যাংকটির গ্রাহক আমানতে ২৯% এবং ঋণে ১৭% প্রবৃদ্ধি অর্জন। তিনি শেয়ারহোল্ডার, রেগুলেটর, এবং স্টেকহোল্ডারদের তাদের সমর্থন এবং অবিচল আস্থার জন্য ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূবালী ব্যাংকের অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পূবালী ব্যাংকের অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সংগৃহীত ছবি

পূবালী ব্যাংক পিএলসি’র অঞ্চল ও কর্পোরেট শাখা প্রধানদের দ্বিতীয় ব্যবসায়িক সম্মেলন-২০২৬ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) অনুষ্ঠিত হয়।

সকল অঞ্চল প্রধান, কর্পোরেট শাখা প্রধান এবং সকল বিভাগ প্রধান ও নির্বাহীদের অংশগ্রহণে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ- মোহাম্মদ ইছা, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, আহমদ এনায়েত মনজুর, মো. শাহনেওয়াজ খান ও মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেনারেল ব্যাংকিং ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়জুল হক শরীফ। কর্মক্ষেত্রে উৎসাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৫ সালে বিশেষ সাফল্যের জন্য ৫০ জন শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থাপককে পদক প্রদান করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফেরাতে ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সকলে মিলে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে কাজ করার মাধ্যমে পরিস্থিতি মোকাবেলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কনফারেন্সে ব্যবসায়িক অর্জন ও বিশ্লেষণ এবং করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সম্মেলনে ২০২৬ সালে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।