• ই-পেপার

চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি

পার্বতীপুরে শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি ৪৮ দেশের পতাকায় বিশ্বকাপের আমেজ

মেনহাজুল ইসলাম
পার্বতীপুরে শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি ৪৮ দেশের পতাকায় বিশ্বকাপের আমেজ
সংগৃহীত ছবি

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে যখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ছে, তখন সেই আমেজ ছুঁয়ে গেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরের একটি বিদ্যালয়েও। শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দেশের জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের মাধ্যমে বালিকা বিদ্যাপীঠ উচ্চ বিদ্যালয়ে সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। পতাকার রঙে-রঙে সেজে ওঠা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠেছে বিশ্বকাপের ক্ষুদে মঞ্চ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পতাকা প্রদর্শনীর পাশাপাশি ক্রীড়াভিত্তিক কুইজ ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরে শিক্ষার্থীদের নিজ হাতে তৈরি বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকা বিদ্যালয় চত্বরে প্রদর্শনের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেওয়া দেশগুলোর পরিচিতি, জাতীয় পতাকা ও বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন ধরে পরিশ্রম করে শিক্ষার্থীরা নিজ হাতে বিভিন্ন দেশের পতাকা তৈরি করে।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী মায়ী জান্নাত বলেন, ‘আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক হলেও বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দেশের পতাকা তৈরির কাজে অংশ নিয়েছি। এতে বিভিন্ন দেশের নাম ও তাদের জাতীয় পতাকা সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছে।’

একই শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া বলেন, ‘আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক। কয়েকটি দেশের পতাকা তৈরি করেছি। তবে মেক্সিকোর পতাকা বানানো তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল।’

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মরিয়ম খাতুন বলেন, ‘একসঙ্গে এতগুলো দেশের জাতীয় পতাকা আগে কখনো দেখিনি। এই আয়োজন আমাদের জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি শিক্ষণীয়ও। ভবিষ্যতে বাংলাদেশও বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নেবে—এটাই আমাদের স্বপ্ন।’

বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষক রুখসানা খাতুন জানান, পতাকা প্রদর্শনীর পাশাপাশি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ফুটবল বিশ্বকাপ ও অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সম্পর্কে আরো বেশি জানতে পারে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে এই আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকা, সংস্কৃতি ও পরিচিতি সম্পর্কে জানতে পারছে। পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিও তাদের আগ্রহ বাড়ছে।’

বিশ্বকাপকে ঘিরে বিদ্যালয়ের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শিক্ষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দেওয়ায় উদ্যোগটি প্রশংসা কুড়িয়েছে সবার। বিশ্বকাপের উন্মাদনাকে জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীলতার সঙ্গে যুক্ত করার এমন আয়োজন এলাকায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারি, পুরোহিত হাসপাতালে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারি, পুরোহিত হাসপাতালে
ছবি: কালের কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত অবস্থায় মন্দিরের পুরোহিত বিমল চক্রবর্তীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের উত্তর চরপাতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন। আহত বিমল চক্রবর্তী চরপাতা ইউনিয়নের গোপাল গিরিধারী মন্দিরের পুরোহিত। 

জানা গেছে, মন্দিরের জমিদাতা শচিবালা দাস ছিলেন নিঃসন্তান। জীবদ্দশায় তিনি কাজল দাসদের কাছে সাড়ে ৫১ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। এ ছাড়া মন্দিরের জন্য সোয়া ৮ শতাংশ জমি দেবোত্তর করে দিয়ে যান। তার মৃত্যুর পরও সাড়ে ৭ শতাংশ জমি রয়ে যায়। এতে ওই জমিতে তার সমাধি রয়েছে। বাকি অংশে শিব মন্দির স্থাপনের উদ্যোগে নেওয়া হয়। এরমধ্যে জমি দাবি করে কাজল ১৪৪ ধারা মামলা করে। ওই মামলা আদালত খারিজ করে দেন। সেখানে পরে শিবের মূর্তি বসানোসহ কর্মযজ্ঞ শুরু করলে ফের কাজলরা বাধা দেয়। এসব নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে কাজল পুরোহিত বিমলের ওপর হামলা করে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় মন্দিরের পুরোহিত বিমলের নাক ফেটে রক্তাক্ত জখম হয়। পরে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। 

মন্দির কমিটির উপদেষ্টা পলাশ দাস বলেন, ‘মন্দিরের জমি কাজল নিজের দাবি করে একের পর এক মামলা ও ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। মন্দির স্থাপনে সে বাধা প্রদান করে আসছে। সবশেষ হামলা চালিয়ে তিনি আমাদেরকে মারধর করে। পুরোহিতকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।’ 

কাজল দাসের স্ত্রী পপি দাস বলেন, ‘সচিবালা দাস থেকে আমরা ৫১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। ওই জমিতে গিরিধারী মন্দিরের লোকজন রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক শিবমন্দির স্থাপন করে। এটি তাদের শয়তানি। এতে বাধা দেওয়ায় তারা লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। আমার স্বামীকে মারার জন্য তারা ওই পেতে রয়েছে। 

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। জমি নিয়ে আদালতে মামলা আছে বলেও শুনেছি। এ নিয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে বসে সমস্যা সমাধান করা হবে। 

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ‘জমি নিয়ে দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে থানায় কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’

ফরিদপুরের নগরকান্দা

খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ জেলা প্রশাসকের

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ জেলা প্রশাসকের
ছবি : কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নে চলমান খাল পুনঃখনন কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম। তিনি খননকাজের অগ্রগতি ও গুণগত মানের প্রশংসা করেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলার তালমা ইউনিয়নের তালমা স্লুইসগেট থেকে সন্তোষী পর্যন্ত প্রায় পৌনে ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এই নির্দেশ দেন। 

পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসক প্রকল্পের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং খননকাজের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন কার্যক্রম ও গুণগত মান সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক জলপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের উদ্যোগে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে গ্রামীণ অবকাঠামো ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে সম্পন্ন করতে হবে। প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পের আওতায় তালমা স্লুইসগেট থেকে সন্তোষী পর্যন্ত প্রায় পৌনে ৪ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে নাব্যতা হারিয়ে ফেলায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিচ্ছিল। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে কৃষিকাজ ব্যাহত হতো। খাল পুনঃখনন সম্পন্ন হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং এলাকার সার্বিক জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশা করছেন। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া বলেন, খাল পুনঃখনন কাজটি আমি নিয়মিত তদারকি করেছি। এখানে শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আশা, খালটির সুফল এলাকাবাসী ভোগ করতে পারবে।

এ সময় নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দবীর উদ্দিন, তালমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিয়া, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি নগরকান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় অংশ নেন। পরে তিনি মানিকদী আনেছিয়া দরবার শরীফ পরিদর্শন ও মাজার জিয়ারত করেন।

ছিনতাইকারীর টানে প্রাণ গেল পার্বতীপুরের সোমার

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ছিনতাইকারীর টানে প্রাণ গেল পার্বতীপুরের সোমার
নিহত দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা সোহেলী ইসলাম সোমা।

রাজধানীতে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার ৫ দিন পর মারা গেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বাসিন্দা সোহেলী ইসলাম সোমা (৪২)।  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোর ৫টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত সোমা পার্বতীপুর শহরের সাহেবপাড়া রেলওয়ে কলোনি এলাকার মৃত মাহাবুবুল ইসলাম বুলবুলের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমণ্ডির সেন্ট্রাল রোডে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং একটি ওষুধ কম্পানিতে চাকরি করতেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে গত ৬ জুন রাতে পার্বতীপুর থেকে হক এন্টারপ্রাইজের একটি নাইট কোচে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন সোমা। পরদিন ৭ জুন ভোরে গাবতলী বাস টার্মিনালে পৌঁছে অটোরিকশাযোগে বাসার দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলে থাকা একদল ছিনতাইকারী তার ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ব্যাগে টান দিলে তিনি রাস্তার পাশে থাকা ডিভাইডারের ওপর পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান।

পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর আনোয়ার মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি মারা গেছেন।

নিহতের ফুফাতো ভাই সরোয়ার পারভেজ সবুজ জানান, সোমার বাবা-মা অনেক আগেই মারা গেছেন। তার কোনো ভাই-বোনও নেই। একমাত্র মেয়ে নওমী ইসলাম ঢাকার একটি কলেজে অনার্সে পড়াশোনা করছেন। মায়ের চাকরির আয়ে তার লেখাপড়ার খরচ চলত।

তিনি বলেন, ‘সোমার অকালমৃত্যুতে তার মেয়েটি এখন পুরোপুরি এতিম হয়ে গেল। একই সঙ্গে তার ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবন নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে সোমার লাশ পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার পশ্চিম টেহরি মহল্লায় তার নানার বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে বিকেল ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।