• ই-পেপার

গোপালগঞ্জে গরুবাহী ট্রাক খালে পড়ে ৪ গরুর মৃত্যু

ভারি বর্ষণে ফের ডুবল খুলনা নগরী

খুলনা অফিস
ভারি বর্ষণে ফের ডুবল খুলনা নগরী
খুলনা নগরীর বয়রা এলাকার জলাবদ্ধতা। ছবিটি বৃহস্পতিবার দুপুরে তোলা। কালের কণ্ঠ।

মৌসুমী ও নিম্ন চাপের প্রভাবে মধ্যরাতের ভারী বর্ষণে ফের ডুবল মহানগরী খুলনাসহ আশপাশের এলাকা। বৃষ্টি থেমে গেলেও বৃহস্পতিবারও বিভিন্ন এলাকা জলবদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বুধবার দুপুরে হালকা বৃষ্টি হলেও রাত দেড়টার পর তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। ঘন্টা খানেকের বৃষ্টিতে সড়ক ছাাপিয়ে বৃষ্টির পানি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যালয়, প্রতিষ্ঠান, আবসিক এলাকার বাসাবাড়িতে ঢুকে যায়। সকালে পরীক্ষার জন্য বেড়িয়ে সবচেয়ে বিড়াম্বনায় পড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধ অবস্থা দেখা গেছে। নগরীর বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানাগেছে, বুধবার দুপরের পর থেকে হালকা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও রাত দেড়টার পর ঘন্টাব্যাপী টানা বর্ষা শুরু হয়। মুর্হূতেই নগরীর টুটপাড়া, নিরালা আবাসিক হাজী মেহের আলী রোড, দোলখোলা, নতুন বাাজার, বাস্তুহারা কলোনি, মুজগুন্নী, বয়রা, দৌলতপুর, খালিশপুরের নিম্মাঞ্চল, শিপইয়ার্ড, লবণচরা, বাগমারাসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির পানি বাসা-বাড়িতে প্রবেশ করে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্তরত টুটপাড়া এলাকার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ জেগে দেখি- বাসার মধ্যে পানি ঢুকে গেছে। ভারী বৃষ্টি হলে আর কথা নেই। অল্প সময়ে বৃষ্টিতেই এখন পানি জমে যাচ্ছে।’

নগরীর বয়রা বাজার এলাকার বাসিন্দা পলাশ দাস বলেন, মুজগুন্নি স্কুল, শিক্ষা অফিসসহ আশপাশের এলাকা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। সিটি করপোরেশনের চেষ্টা কাজে আসছে না। রূপসা, ভৈরব, ময়ূর নদ উঁচু হয়ে গেছে। তাই পানি নামতে দেরী হচ্ছে।’

খুলনা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সর্বশেষ খুলনায় রেকর্ড ৭৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ মৌসুমে সবচেয়ে বেশি। আরো কয়েকদিন বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে।

খুলনা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, ‘বৃষ্টি হলেই নগরীতে বিড়ম্বনা হচ্ছে। নদী-খাল, ড্রেনগুলো দখলমুক্ত ও পরিকল্পিত কাজ করা জরুরি। না হলে খুলনা শহরে বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন ভারী বর্ষণে পুরো নগরীতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। এদিন গড় বৃষ্টিপাত ছিল ৭৫ মিলিমিটার।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজবাড়ীতে র‌্যালি ও আলোচনাসভা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজবাড়ীতে র‌্যালি ও আলোচনাসভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘জলবায়ু পরিবর্তন : আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

র‌্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তারিফ উল-হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, সিভিল সার্জন ডা. এস. এম. মাসুদ, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং প্লাস্টিক দূষণ রোধে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

নারায়ণগঞ্জে অনলাইন ট্রেডিংয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে অনলাইন ট্রেডিংয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

অনলাইন ট্রেডিং অ্যাপে বিনিয়োগ করলে অল্প সময়ে মোটা অঙ্কের লাভ হবে—এমন প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে প্রতারণা চক্রের মূলহোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নারায়ণগঞ্জ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ।

তিনি জানান, গত ৬ জুলাই রাতে পৃথক অভিযানে ঢাকার আফতাবনগর ও নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়া মোড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন—ঢাকার বাড্ডার আফতাবনগর এলাকার বাসিন্দা মো. নাজমুল হোসেন (৪১) এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোলাইল শান্তিনগর এলাকায় বসবাসরত মো. হাবিব মিয়া (৩০)। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে এক দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদী মো. নুর কামাল আজাদ নারায়ণগঞ্জ শহরের টানবাজার এলাকায় ব্যবসা করেন। গত ২ মে হোয়াটসঅ্যাপে ‘কামাল খান’ পরিচয়ে এক ব্যক্তি আন্তর্জাতিক ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দাবি করে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে একটি ভুয়া অনলাইন ট্রেডিং ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে বিনিয়োগ করলে উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখানো হয়।

প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগের পর অ্যাকাউন্টে লাভ দেখানো হয়। এতে আস্থা তৈরি হলে ১০ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত বিভিন্ন বিকাশ নম্বর ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ধাপে ধাপে মোট ১০ লাখ ৭৯ হাজার ৭০০ টাকা প্রতারকদের কাছে পাঠান তিনি। পরে কোনো অর্থ ফেরত না পেয়ে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে থানায় মামলা করেন।

পিবিআই জানায়, চক্রটি ফেসবুক, এক্স (টুইটার), ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো, মেসেঞ্জার ও ভাইবারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করত। ভুয়া ট্রেডিং অ্যাপে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার পর তা দ্রুত ক্রিপ্টোকারেন্সিতে রূপান্তর করে দেশ-বিদেশে থাকা সহযোগীদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হতো।

অভিযানের সময় গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে একাধিক স্মার্টফোন ও একটি পকেট রাউটার জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা প্রতারণা চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তদন্তে কম্বোডিয়া, চীনসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী সহযোগীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের তথ্যও পাওয়া গেছে।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের মাধ্যমে প্রতারণা চক্রের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনলাইনে বিনিয়োগ বা ট্রেডিংয়ের নামে অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনে অর্থ লেনদেন না করার জন্য তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

তিনি আরো জানান, এক দিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের পুনরায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতারণা চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রস্তুত পটিয়া স্বাস্থ্য বিভাগ

পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রস্তুত পটিয়া স্বাস্থ্য বিভাগ
ছবি: কালের কণ্ঠ

চলমান দুর্যোগপূর্ণ বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় সৃষ্ট যেকোনো স্বাস্থ্যগত সংকট মোকাবেলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি পৌরসভা ও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নভিত্তিক মেডিকেল টিম গঠন করে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল টিমের টিম লিডারদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সৌনম বড়ুয়া হাসপাতাল ও ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করছেন। 

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা, পানিবাহিত রোগ, সাপের কামড়, ডায়রিয়া, জ্বর-সর্দি, চর্মরোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। এসব পরিস্থিতি মাথায় রেখে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। খাওয়ার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রাখা হয়েছে।

এছাড়া দুর্যোগকালীন সময়ে মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের প্রয়োজন দেখা দিলে কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রসমূহকে প্রয়োজনে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। দুর্যোগ পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে দ্রুত সাড়া দিতে একটি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও সক্রিয় রাখা হয়েছে। পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কন্ট্রোল রুমের নম্বর: ০১৭৩০-৩২৪৪৫১। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা বা তথ্যের প্রয়োজন হলে এ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সহায়তা, রোগ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা—এই তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। বিশেষ করে আশ্রয়কেন্দ্র ও প্লাবিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যবিধি ও প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিতে মেডিকেল টিমগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, ‘চলমান বৈরী আবহাওয়ায় পটিয়া উপজেলার কোথাও যেন স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে আমরা আগাম প্রস্তুতি নিয়েছি। ইউনিয়ন ও পৌরসভা পর্যায়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। কন্ট্রোল রুম চালু রেখে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে। জরুরি ওষুধ, খাওয়ার স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘দুর্যোগের সময় সাধারণত ডায়রিয়া, পানিবাহিত রোগ, জ্বর, চর্মরোগ ও সাপের কামড়ের ঘটনা বাড়ে। তাই আমরা মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের সতর্ক অবস্থানে রেখেছি। কোথাও স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা তৈরি হলে দ্রুত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

গোপালগঞ্জে গরুবাহী ট্রাক খালে পড়ে ৪ গরুর মৃত্যু | কালের কণ্ঠ