• ই-পেপার

কুমিল্লায় ২ সাংবাদিকের ওপর হামলা, মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কোরবানির হাট কাঁপাবে ২৭ মণ ওজনের ‘টাইগার’

বাঞ্ছারামপুর ​(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
কোরবানির হাট কাঁপাবে ২৭ মণ ওজনের ‘টাইগার’
ছবি: কালের কণ্ঠ

এবার কোরবানির ঈদে হাট কাঁপাবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মরম আলী মিয়ার পালিত ফ্রিজিয়ান জাতের গরু ‘টাইগার’। বাঘের মতো চঞ্চল স্বভাব আর নজরকাড়া চেহারার কারণে পুরো এলাকায় গরুটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক মানুষ। টাইগারের আনুমানিক ওজন ২৬-২৭ মণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন মরম আলী। আর তার দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা।

মরম আলী মিয়া পেশায় একজন প্রান্তিক চাষি। কৃষিকাজের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় গত ৪ বছর ধরে সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এই ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি লালনপালন করেছেন তিনি। মরম আলীর ২১ বছর বয়সী ছেলে মামুনই মূলত গরুটির দেখভালের দায়িত্ব পালন করেন। মামুন জানান, বাঘের মতো চঞ্চলতা আর গায়ের রঙের কারণেই শখ করে তার নাম রাখা হয়েছে টাইগার।

মরম আলী জানান, প্রতিদিন টাইগারের পেছনে তার প্রায় ৮০০ টাকা খরচ হচ্ছে। গরুটির খাদ্য তালিকায় রয়েছে কাঁচা দেশীয় ঘাস, ভাঙা ভুট্টা, ছোলা ও ভূষিসহ ​অন্যান্য পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর উপাদান।

আরো পড়ুন
আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের কৃষকরা পেলেন ত্রাণ সহায়তা

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের কৃষকরা পেলেন ত্রাণ সহায়তা

 

​মরম আলী মিয়া বলেন, আমরা গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে পরিবারের সবাই মিলে গরুটি বড় করেছি। এখন শুধু আশা করছি কোনো সামর্থ্যবান ক্রেতা যেন আমাদের এই গরুটি ন্যায্যমূল্যে কিনে নেন। ক্রেতারা সরাসরি আমাদের বাড়িতে এসেও গরুটি দেখে যেতে পারেন, বলেন তিনি।

মরম আলীর পরিবার ও এলাকাবাসী প্রান্তিক এই চাষির স্বপ্ন পূরণে দেশের সামর্থ্যবান ও শৌখিন ক্রেতাদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
 

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের কৃষকরা পেলেন ত্রাণ সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওরের কৃষকরা পেলেন ত্রাণ সহায়তা

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষক পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে উন্নয়ন সংস্থা ‘পিপলস ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রাম ইমপ্লিমেন্টেশন’ (পপি)। সংস্থাটি বন্যায় ফসল, গবাদিপশু ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া এক হাজার ২২৫টি পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে।

বুধবার (২০ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৩ মে থেকে জরুরি মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ ২০ মে হাওরাঞ্চলে এই বিতরণ কার্যক্রম চলেছে। ‘আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদান প্রকল্প’ শীর্ষক এ কার্যক্রমের আওতায় কিশোরগঞ্জের ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলার এক হাজার ২২৫টি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারকে এই প্রত্যক্ষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ত্রাণসামগ্রীর পাশাপাশি নগদ অর্থ পৌঁছানো হচ্ছে।

এতে বলা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য বহুমুখী নগদ সহায়তা হিসেবে প্রতি পরিবারকে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত গবাদিপশুর জন্য ১০০ কেজি (২ বস্তা) গো-খাদ্য এবং প্রতিটি পরিবারকে একটি করে উন্নত মানের ত্রিপল বিতরণ করা হচ্ছে।

এর আগে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও সবচেয়ে বেশি পাওয়ার যোগ্য ব্যক্তি যেন এই সহায়তা পান, সেজন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। শুরুতেই সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পরামর্শ সভার আয়োজন করা হয়। এরপর স্থানীয় বাস্তবতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার বাছাইয়ের সুনির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়া বা সূচক নির্ধারণ করা হয়। নির্ধারিত সূচকের ওপর ভিত্তি করে ১৪৬টি ‘টুলবক্স ইন্ডিকেটর’ ব্যবহার করে প্রতিটি খানা বা পরিবারে বিস্তারিত জরিপ চালানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা প্রান্তিক কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়। চূড়ান্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এই তালিকাটি স্থানীয় সর্বসাধারণ, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই বহুমাত্রিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত হাওরবাসীর জরুরি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আগামী ফসলের বীজ সংগ্রহ, গবাদিপশু রক্ষা এবং অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ত্রাণ নিতে আসা প্রান্তিক কৃষকরা জানান, সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও পক্ষপাতহীন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে এই দুর্যোগের সময়ে নগদ টাকা ও গো-খাদ্য পেয়ে তারা অত্যন্ত উপকৃত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, প্রকল্পটি স্টার্ট ফান্ড বাংলাদেশ-এর সহায়তায় বাস্তবায়ন করছে পপি। আন্তর্জাতিক এই তহবিলে যৌথভাবে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করছে ইউকে এইড, সিডা (সুইডেন), নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জার্সি ওভারসিজ এইড এবং হিলটন ফাউন্ডেশন।

পাবনায় অপহরণচক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত ২ শিক্ষার্থী উদ্ধার

পাবনা প্রতিনিধি
পাবনায় অপহরণচক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার, অপহৃত ২ শিক্ষার্থী উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

পাবনায় অপহরণকারীচক্রের ৮ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ সময় অপহৃত দুই কলেজ শিক্ষার্থীকে উদ্ধারের পাশাপাশি অপহরণ কাজে ব্যবহৃত চারটি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান। এর আগের রাতে পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের গোপালপুর মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক ও উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন রনি শেখ (২৫), জাহিদ ইসলাম হাতেম (২৫), শান্ত মিয়া (২৪), রাহাত আলী (২০), সেজান হোসেন (২৫), সাজ্জাদ হোসেন (২০), সোহেল রানা (৪০) ও রিফাত হোসেন (১৯)।

উদ্ধারকৃত দুই শিক্ষার্থী হলো, ঈশ্বরদী উপজেলার পিয়ারপুর এলাকার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ছেলে মাজহারুল ইসলাম প্রান্ত (১৯) এবং তার বন্ধু তানভীর হোসেন তন্ময় (১৮)।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান জানান, ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ছেলে প্রান্ত ও তার বন্ধু তন্ময় মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে ঈশ্বরদী থেকে পাবনা শহরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে অপহরণকারীরা প্রান্তের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে জানায় যে, দুইজনকে একটি মেয়েসহ আটক রাখা হয়েছে। 

তিনি জানান, তাদের মুক্তির জন্য ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। একইসঙ্গে অপহৃতদের মারধর ও হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি পাবনা জেলা ডিবি পুলিশকে জানায়।

ওমানে মৃত্যুর ৭ দিন পর চট্টগ্রামের বাড়িতে চার ভাইয়ের লাশ

জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
ওমানে মৃত্যুর ৭ দিন পর চট্টগ্রামের বাড়িতে চার ভাইয়ের লাশ
বুধবার সকাল ১১টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া লালানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ওমানে মারা ৪ ভাইয়ের জানাজার নামাজে হাজারো মানুষের ঢল। এতে ইমামতি করেন তাদের বেঁচে থাকা একমাত্র ভাই হাফেজ মুহাম্মদ এনাম।

ওমানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে প্রাণ হারানো আপন ৪ ভাইয়ের লাশ দেশে আনার পর আজ বুধবার সকালে গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর বান্দারাজার পাড়া নেওয়া হয়। এ সময় তাদের লাশ একনজর দেখতে আগে থেকে পরিবার-স্বজনসহ শত শত মানুষ সেখানে অপেক্ষা করছিল। সকাল ৭টার দিকে রাশেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলামের কফিনবন্দি লাশ বাড়ির উঠানো পাশাপাশি রাখা হয়।

এ সময় পরিবার-স্বজনদের কান্না-আহাজারিতে এক হৃদয়বিদায়ক দৃশ্যের অবতারণা হয়। কিছুক্ষণ পর মা খাদিজা বেগম এসে একে একে দেখতে পান পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ওমানে যাওয়া তার ৪ ছেলের কেউ বেঁচে নেই। মারা যাওয়ার এক সপ্তাহ পর অবশেষে গতকাল মঙ্গলবার তাঁদের মা দেখে জানতে পারেন তাঁর চার ছেলে আর বেঁচে নেই। মায়ের অজান্তেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেছেন তাঁরা।

এক সঙ্গে চার ছেলের লাশ দেখে খদিজার আহাজারিতে সেখানে উপস্থিত লোকজনের কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি। অঝোরে বুক চাপড়ে কান্না করতে করতে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়েন মা।

এ দিকে মায়ের পাশাপাশি আহাজারি করছিলেন নিহত রাশেদুল ইসলামের স্ত্রী কুলসুমা আক্তার ও শাহেদুল ইসলামের স্ত্রী শান্তা আকতারও। তারাও কিছুক্ষণ পর পর জ্ঞান হারাচ্ছিলেন। শুধু পরিবারের সদস্যরাই নয়, একসঙ্গে চার ভাইয়ের মৃত্যুতে পুরো রাঙ্গুনিয়া যেন শোকে ভাসছে। যারা সান্ত্বনা দিতে গেছেন সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় লালানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে চার ভাইয়ের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইমামতি করেন নিহত চার ভাইয়ের বেঁচে থাকা একমাত্র ভাই হাফেজ মুহাম্মদ এনাম। জানাজায় হাজারো মানুষ অংশগ্রহণ করেন। পরে স্থানীয় মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়েছে ৪ ভাইকে।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ৪ ভাইয়ের লাশ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ওই রাত ১১টার দিকে দুটি ফ্রিজার অ্যাম্বুলেন্সে করে লাশগুলো রাঙ্গুনিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়। বুধবার ভোরে নিজ গ্রামে পৌঁছালে পুরো এলাকায় শোকের মাতম নেমে আসে।

লাশ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সকাল থেকে দলে দলে নারী-পুরুষ, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ শেষবারের মতো তাদের দেখতে ভিড় করেন। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। কেউ আপনজন হারানোর বেদনায়, কেউ প্রতিবেশী হারানোর শোকে, আবার কেউ শৈশবের বন্ধুকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

স্থানীয়রা জানান, একই পরিবারের চার ভাইয়ের একসঙ্গে মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। পাশাপাশি রাখা চারটি কফিনের দৃশ্য অনেককেই আবেগাপ্লুত করে তোলে। পুরো এলাকায় নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া।

নিহতরা বান্দারাজার পাড়া এলাকার মৃত আবদুল মজিদের সন্তান। নিহতদের মধ্যে বড় ভাই রাশেদুল ইসলাম বিবাহিত ছিলেন। তার পরিবারে স্ত্রী, তিন বছর বয়সী এক কন্যা ও তিন মাস বয়সী এক পুত্রসন্তান রয়েছে। মেজ ভাই শাহেদুল ইসলামও বিবাহিত ছিলেন। ছোট দুই ভাই সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম অবিবাহিত ছিলেন।

জানা যায়, গত ১৩ মে সন্ধ্যায় ৪ ভাই ওমানের বারকা এলাকা থেকে মুলাদাহর উদ্দেশে রওনা হন। রাত ৮টার পর তাদের একজন এক আত্মীয়কে ভয়েস মেসেজ পাঠিয়ে অসুস্থতার কথা বলেন। নিজেদের লোকেশন পাঠিয়ে বলেন, গাড়ি থেকে বের হওয়ার মতো অবস্থাও তাদের নেই। পরে একটি ক্লিনিকের সামনে পার্ক করা গাড়ির ভেতরে চারজনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির দরজা খুলে তাদের লাশ উদ্ধার করে। গাড়ি চালু থাকা অবস্থায় এসির এক্সজস্ট থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাসে শ্বাসগ্রহণের ফলে ওই চারজনের মৃত্যু হয়েছে।