• ই-পেপার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেপটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

জাহিদ হোসেন

শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করুক

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করুক
সংগৃহীত ছবি

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, শেখ হাসিনার বুকে সাহস থাকলে দেশে ফিরে এসে আদালতে আত্মসমর্পণ করুক। আমরাও এটি চাই। তিনি বুক ফুলিয়ে দেশে আসবেন, তার কত সাহস আমরাও দেখতে চাই। 

বুধবার (২০ মে) সকালে সাভারের পশ্চিম ব্যাংক টাউন এলাকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। 

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন বলেন, ৫ আগস্টে আমরা তার সাহস দেখেছি। তিনি আসুক, আইসিটি ফেস করুক, আমরা তো তাই চাই। আদালত যদি তাকে খালাস দেয় তাহলে তিনি মুক্ত হয়ে যাবেন। তিনি (শেখ হাসিনা) গত ৫ আগস্ট যেভাবে পালিয়ে গেছেন, এরপর তিনি কিভাবে দেশে ফিরবেন? দেশের মানুষও চায় তিনি দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করুক।

আরো পড়ুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেফটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সেফটিক ট্যাংকে কাজ করতে নেমে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু

 

বর্তমান সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। এই প্রকল্পের পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন যদি কোনো দুর্নীতি করে থাকেন, তবে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

এদিকে প্রকল্প পরিচালক মামুনের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হয়েছে। তার দুর্নীতির বিষয়ে মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে এক নজিরবিহীন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অভিযুক্ত প্রকল্প পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন তাৎক্ষণিকভাবে পর্যালোচনা মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করে দ্রুত নিজের গাড়ি নিয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
 

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো এক শিশুর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪১ জনে। যাদের সবাই শিশু। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ৯২ জন রোগী। ফলে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮০ জন।

সিলেটে মারা যাওয়া শিশুর নাম সাইফান। সে সিলেট সদর উপজেলার মাসুমপুর এরাকার বাদল মিয়ার ছেলে। সাইফান সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।

বুধবার (২০ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। 

সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৪১ জন। তাদের মধ্যে ৪ জনের হাম রোগে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ৯২ জনের মধ্যে ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ২৪ জন সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং ২০ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। 

এ ছাড়া মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৭ জন, দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৪ জন এবং নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পার্কভিউ মেডিক্যাল হাসপাতাল, রাগীব রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন করে রোগী ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ২৮০ রোগী চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে প্রায় ৬৬ জন, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপতাালে ৭৮ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৪৪ জন ভর্তি রয়েছে।

যুবসমাজের মাধ্যমেই স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
যুবসমাজের মাধ্যমেই স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, ‘দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আর আপনাদের (যুবসমাজের) মাধ্যমেই আমরা পেয়েছি একটি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে। তাই এই স্বাধীন বাংলাদেশে এখন সবাই স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারছেন।’ 

বুধবার (২০ মে) দুপুরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। পুরো পৃথিবী আজ ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআইয়ের ইতিবাচক ও ভালো দিকগুলোকে গ্রহণ করতে হবে।’

আরো পড়ুন
নারীদের গায়ে হাত তুললে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না : সাবিকুন্নাহার

নারীদের গায়ে হাত তুললে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না : সাবিকুন্নাহার

 

দল-মত-নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে যুবকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কাজ করতে হবে এবং সৎ থাকতে হবে। যেকোনো ভুল ও অন্যায় কাজকে রুখে দিতে হবে।’

বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, ‘বিগত ১৭ বছরে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমরা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারিনি। তবে বর্তমান সরকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। বেকারত্ব দূরীকরণে যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কাজ করছে, যার মূল লক্ষ্যই হলো যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে কর্মসংস্থান তৈরি করা।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যাদের বিদেশে পাঠানো হবে। তাদের দক্ষ করে পাঠানো হবে এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এই বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ সেন্টারে এআই প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করার লক্ষ্যে ‘যুব সমাবেশ’ কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে, তা পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় জেলা পর্যায় আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

দেশ গঠনে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি
দেশ গঠনে যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

যুবসমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেছেন, দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আর যুবসমাজের মাধ্যমেই দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার যুবসমাজের চাওয়া-পাওয়াকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

বুধবার দুপুরে সাভারের জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে ‘যুব সমাবেশ-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অত্যন্ত সময়োপযোগী একটি বিষয়। পুরো বিশ্ব এখন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির এই উৎকর্ষতার যুগে আমাদের যুবসমাজকে এআইয়ের ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করতে হবে।

তিনি দল-মত-নির্বিশেষে স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশের আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুবকদের সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকতে হবে ও সৎভাবে কাজ করতে হবে। যেকোনো অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।

বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার যুবকদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মূল লক্ষ্য হলো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের স্বাবলম্বী করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বিদেশে ‘কেয়ার গিভার’-এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি যুবসমাজকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত করতে প্রতিটি জেলার যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এআই প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আরো পড়ুন
নারীদের গায়ে হাত তুললে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না : সাবিকুন্নাহার

নারীদের গায়ে হাত তুললে কোনো সরকার টিকে থাকতে পারে না : সাবিকুন্নাহার

 

অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দেশের যুব কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও তৃণমূলমুখী করতে ‘যুব সমাবেশ’ শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে পর্যায়ক্রমে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।