<p>কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আমির শাটর্স্ লি: গার্মেন্টসে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ঘটনায় গুরুতর আহত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মধ্যে দুই শ্রমিক মারা গেছেন। শঙ্কায় আছে আরো একজন। বিষয়টি শুক্রবার সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছে আমীর শার্টস লিমিটেড গার্মেন্টসের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার একরামুল হক।</p> <p>শুক্রবার (১ মে) সকাল ১১টায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান একরাম হোসেন (৩৫) নামে এক শ্রমিক। নিহত একরাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সারপটি গ্রামের মৃত মহসীন ভুইয়ার ছেলে। সে আমির শার্টস-এর বয়লার অপারেটর ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।</p> <p>এর আগে বৃহস্পতিবার একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সাজ্জাদ হোসেন নামে এক নিরাপত্তা কর্মী। নিহত সাজ্জাদ পার্শ্ববর্তী সদর দক্ষিণ উপজেলার শুয়াগাজী কাজীবাড়ির বাসিন্দা।<br /> বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের ঘটনায় আহত আরেক শ্রমিক ওয়েল্ডার রবিউল হোসেন ঢাকা বার্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।</p> <p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বুধবার সকাল ৮টার দিকে বয়লার অপারেটর একরাম গার্মেন্টসের বিদ্যুতের মুল সুইচ অন করে। এসময় হঠাৎ করেই গার্মেন্টসের বৈদ্যুতিক লাইনে শর্ট সার্কিট ঘটে। এতে আগুনের স্ফুলিঙ্গ ও ধোঁয়ার সৃষ্টি হলে আমির শার্টস্ গার্মেন্টসের সিকিউরিটি কর্মী মো. সাজ্জাদ, বয়লার অপারেটর একরাম এবং ওয়েল্ডার রবিউল আহত হন। দুর্ঘটনার পর সহকর্মীরা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।</p> <p>আমীর শার্টস লি: গার্মেন্টসের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার একরামুল হক জানান, গত বুধবার সকালে ফেক্টরি চালু করার জন্য সুইচ অন করার সময় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে তারা গুরুতর আহত হয়। এসময় তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যালে এবং পরে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা যায়।</p> <p>কম্পানির রুলস এবং বিজিএমইএ-এর সকল রুলস অনুযায়ী নিহত এবং আহতদের সকল ধরনের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এর বাইরে তাদের পরিবারের সদস্যদের পড়ালেখার দায়িত্বসহ নানান সহযোগিতা প্রদান করবে কর্তৃপক্ষ।</p>